• সোমবার, ফেব্রুয়ারি ২৪, ২০২০
  • সর্বশেষ আপডেট : ১২:৪০ রাত

টেকনাফে `বন্দুকযুদ্ধে' রোহিঙ্গা মাদককারবারি নিহত

  • প্রকাশিত ১০:০৬ সকাল জানুয়ারী ১৯, ২০২০
বন্দুকযুদ্ধ
প্রতীকী ছবি

নিহত মোহাম্মদ আইয়াছ (২৫) উখিয়ার কুতুপালং ২ নম্বর রোহিঙ্গা ক্যাম্পের ডি-৪ ব্লকের মো. জামাল হোসেনের ছেলে। বিজিবি’র দাবি সে মাদক পাচারকারী

কক্সবাজারের টেকনাফে বিজিবির সঙ্গে কথিত বন্দুকযুদ্ধে এক রোহিঙ্গা মাদক পাচারকারি নিহত ও বিজিবি’র তিন সদস্য আহত হয়েছে। এসময় ঘটনাস্থল থেকে উদ্ধার হয়েছে ইয়াবা ও অস্ত্র।

রবিবার (১৯ জানুয়ারি) ভোর রাতে টেকনাফ উপজেলার হ্নীলা ইউনিয়নের জাদিমুরা সংলগ্ন নাফ নদীর শেকলঘেরা এলাকায় এই ঘটনা ঘটে বলে জানান বিজিবি’র টেকনাফ ২ ব্যাটালিয়ানের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্ণেল মো. ফয়সল হাসান খান।

নিহত মোহাম্মদ আইয়াছ (২৫) উখিয়ার কুতুপালং ২ নম্বর রোহিঙ্গা ক্যাম্পের ডি-৪ ব্লকের মো. জামাল হোসেনের ছেলে। বিজিবি’র দাবি, নিহত জামাল হোসেন একজন মাদক পাচারকারি।

লে. কর্নেল ফয়সল বলেন,  ভোর রাতে টেকনাফের নাফ নদীর জাদিমুরা পয়েন্টের শেকলঘেরা এলাকা দিয়ে মিয়ানমার থেকে ইয়াবার বড় একটি চালান আসার খবের বিজিবির একটি দল অবস্থান নেয়। এক পর্যায়ে মিয়ানমারের লালদ্বীপ থেকে একটি নৌকা যোগে কয়েকজন লোককে নাফ নদী অতিক্রম কূলের দিকে আসতে দেখে বিজিবির সদস্যরা থামার জন্য নির্দেশ দেয়। এতে নৌকায় থাকা লোকজন বিজিবির সদস্যদের লক্ষ্য করে অতর্কিত গুলি ছুঁড়তে থাকে। বিজিবি’র সদস্যরাও আত্মরক্ষার্থে পাল্টা গুলি ছোঁড়ে। এতে নৌকায় থাকা ৩ জন ঝাপ দিয়ে শূন্যরেখা অতিক্রম করে মিয়ানমার দিকে পালিয়ে যায়।

"পরে গোলাগুলি থেমে গেলে নৌকায় একজনকে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় পাওয়া যায়। নৌকাটি তল্লাশি করে পাওয়া যায় ২ লাখ ২০ হাজার ইয়াবা, ১টি দেশীয় বন্দুক, ১টি গুলি ও ১টি গুলির খালি খোসা। ঘটনায় বিজিবি’র ৩ সদস্য আহত হয়েছে। "

বিজিবি’র অধিনায়ক বলেন, " আহতদের উদ্ধার করে টেকনাফ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে আসে। পরে কর্তব্যরত চিকিৎসক গুলিবিদ্ধ ব্যক্তিকে কক্সবাজার সদর হাসপালে প্রেরণ করেন। সেখানে নিয়ে আসলে জরুরি বিভাগের কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। "

নিহতের লাশ ময়নাতদন্তের জন্য কক্সবাজার সদর হাসপাতাল মর্গে রয়েছে বলে জানান লে. কর্নেল ফয়সল।