• সোমবার, ফেব্রুয়ারি ২৪, ২০২০
  • সর্বশেষ আপডেট : ১২:৪০ রাত

প্রধানমন্ত্রী: সংশোধিত নাগরিকত্ব আইনের কোনও প্রয়োজন ছিলো না

  • প্রকাশিত ০৩:২৯ বিকেল জানুয়ারী ১৯, ২০২০
প্রধানমন্ত্রী
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ফোকাস বাংলা

আরব আমিরাত সফরকালে রাজধানী আবুধাবিতে গালফ নিউজ’কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে শেখ হাসিনা বলেন, ‘আমি ঠিক বুঝলাম না কেন এটি করা হলো। এর কোনই প্রয়োজন ছিলো না’

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, ভারত কেন তাদের দেশে সংশোধিত নাগরিকত্ব আইন (সিএএ) পাস করলো, তা তিনি বুঝতে অপারগ। গত ১৩ থেকে ১৫ জানুয়ারি আরব আমিরাত সফরকালে রাজধানী আবুধাবিতে গালফ নিউজ’কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে শেখ হাসিনা বলেন, “আমি ঠিক বুঝলাম না কেন এটি করা হলো। এর কোনই প্রয়োজন ছিলো না।”

গতবছরের ১১ ডিসেম্বর ভারতের পার্লামেন্টে সিএএ পাস করা হয়। সিএএ’র আওতায়, ২০১৪ সালের আগে ভারতের প্রতিবেশীদেশ বাংলাদেশ, পাকিস্তান ও আফগানিস্তান থেকে নির্যাতনের শিকার হয়ে বিতাড়িত হিন্দু, শিখ, বৌদ্ধ, জৈন, পার্সি ও খ্রিস্টান প্রভৃতি অমুসলিম সংখ্যালঘুদের দেশটির নাগরিকত্ব দেওয়ার বিষয়ে উল্লেখ করা হয়েছে।

প্রসঙ্গত, অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশে ১৬ কোটি জনসংখ্যার ১০ ভাগ হিন্দু ও ০.৬ ভাগ বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বী।


আরও পড়ুন - শেখ হাসিনা: মিয়ানমার রোহিঙ্গাদের দেশে ফেরানোর পরিবেশ তৈরি করেনি


প্রধানমন্ত্রী এও উল্লেখ করেছেন যে ভারতে গিয়ে সেখান থেকে কখনও কোনও নাগরিক বাংলাদেশে ফিরে আসেনি। তিনি জানান, “না, ওখান থেকে কখনও আমার দেশে আসেনি। তবে, ভারতের মানুষ দেশটির ভেতরেই বিভিন্ন ধরনের সমস্যার মুখোমুখি হচ্ছে।”

সিএএ ও জাতীয় নাগরিকপঞ্জী (এনআরসি)’র পর থেকে ভারতজুড়ে চরম বিক্ষোভ ও সহিংসতার ঘটনা ঘটেছে। তবে বিশ্লেষকরা আশংকা করেছে যে, এরফলে অনেক ভারতীয় মুসলিম নিজেদের নাগরিকত্ব প্রমাণ করতে না পেরে হয়ত বাংলাদেশে আশ্রয় দাবি করবে।

শেখ হাসিনা বলেন, “বাংলাদেশ সবসময়ই এটা বলে এসেছে যে সিএএ আর এনআরসি সবই ভারতের নিজস্ব বিষয়। ভারতের সরকারের পক্ষ থেকেও বারবারই আমাদেরকে এভাবেই বলা হয়েছে, এগুলো তাদের অভ্যন্তরীণ কার্যক্রম। এমনকী গতবছর অক্টোবরে যখন ভারত সফরে যাই তখনও দেশটির প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী নিজে আমাকে ওই একই কথা বলেছেন।”