• বৃহস্পতিবার, ফেব্রুয়ারি ২০, ২০২০
  • সর্বশেষ আপডেট : ১১:০২ সকাল

'প্রথম আলো সম্পাদকের গ্রেফতারি পরোয়ানার সঙ্গে গণমাধ্যমের স্বাধীনতার সম্পর্ক নেই'

  • প্রকাশিত ০৪:৩০ বিকেল জানুয়ারী ১৯, ২০২০
তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ
তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ। ফাইল ছবি। বাসস

তথ্যমন্ত্রী বলেন, 'অ্যামেনেস্টি ইন্টারন্যাশনালের প্রতি যথাযথ সম্মান রেখেই বলতে চাই, ফিলিস্তিনে যখন পাখির মতো নির্বিচারে মানুষ হত্যা করা হয়, তখন তারা কোন বিবৃতি দেয় না,  কিন্তু বাংলাদেশে যুদ্ধাপরাধীদের বিচার বন্ধ করার জন্যও তারা বিবৃতি দেয়। '

দৈনিক প্রথম আলো সম্পাদকের বিরুদ্ধে যে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি হয়েছে তার সাথে গণমাধ্যমের স্বাধীনতার কোনো সম্পর্ক নেই বলে মন্তব্য করেছেন তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ। শনিবার (১৯ জানুয়ারি) তথ্য মন্ত্রণালয়ে সমসাময়িক বিষয় নিয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ কথা বলেন তিনি।

ড. হাছান মাহমুদ বলেন, "দৈনিক প্রথম আলো সম্পাদকের বিরুদ্ধে যে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি হয়েছে তা ফৌজদারী অপরাধের মামলার কারণে। গণমাধ্যমে প্রকাশিত কোন সংবাদ বা বক্তব্যের জন্য এই মামলা হয়নি। এটির সাথে গণমাধ্যমের স্বাধীনতার কোনও সম্পর্ক নেই।"

প্রথম আলো সম্পাদকের বিরুদ্ধে আদালতের গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি নিয়ে অ্যামেনেস্টি ইন্টারন্যাশনালসহ দেশের ৪৭ বিশিষ্টজনের দেওয়া বিবৃতি প্রসঙ্গে তিনি বলেন, "এই ৪৭ জন বিশিষ্টজন ছাড়াও দেশে আরো হাজার হাজার বিশিষ্টজন রয়েছেন। তবে অবহেলাজনিত কোনো মৃত্যুর জন্য কিংবা মৃত্যু হওয়ার পর তা যদি লুকানোর অপচেষ্টা হয় কিংবা পোস্টমর্টেম ছাড়াই দাফন করা হয়, তবে তা নিশ্চয়ই অপরাধের সামিল।"

তথ্যমন্ত্রী আরও বলেন, "যারা অনুষ্ঠান পরিচালনায় ছিলেন তাদের বিরুদ্ধে প্ররোচনার অভিযোগ রয়েছে। তবে এসব অভিযোগের সত্য-মিথ্যা সব তদন্তে বেরিয়ে আসবে।"

"আমি আশা করি, যেসব বিশিষ্টজনেরা বিবৃতি দিয়েছেন তারা আরো একটি বিবৃতি দেবেন যে এ ধরনের ঘটনা এবং এর সঙ্গে জড়িতদের যেন সঠিক বিচার হয়," যোগ করেন তিনি।

এ সময় আমেনেস্টি ইন্টারন্যাশনালের কার্যক্রমের কঠোর সমালোচনা করেন। ড. হাছান বলেন, "অ্যামেনেস্টি ইন্টারন্যাশনালের প্রতি যথাযথ সম্মান রেখেই বলতে চাই, বাংলাদেশে যুদ্ধাপরাধীদের বিচার বন্ধ করার জন্যও তারা বিবৃতি দিয়েছিল। কিন্তু ফিলিস্তিনে যখন পাখির মতো নির্বিচারে মানুষ হত্যা করা হয়, তখন তারা কোন বিবৃতি দেয় না। কারণ তাদের বিবৃতি খুব বেশি গুরুত্বপূর্ণ নয়। তাহলে ওই সংগঠনের গ্রহণযোগ্যতা বর্তমানে কোথায় তা নিয়ে অনেকের মধ্যে প্রশ্ন রয়েছে।"