• সোমবার, ফেব্রুয়ারি ২৪, ২০২০
  • সর্বশেষ আপডেট : ১২:৪০ রাত

বিমান দুর্ঘটনায় নিহতের ক্ষতিপূরণ বাড়ছে ৫ গুণ

  • প্রকাশিত ১০:৩৭ রাত জানুয়ারী ২০, ২০২০
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কার্যালয়ে ২০ জানুয়ারি তার সভাপতিত্বে মন্ত্রিপরিষদের সভা অনুষ্ঠিত হয়। বাসস

আইনটি অনুমোদিত হলে আকাশপথে যাত্রীর মৃত্যু ও আঘাত এবং ব্যাগেজ ও কার্গোর ক্ষতি ও হারানোর ক্ষেত্রে ক্ষতিপূরণের হার পূর্বের তুলনায় অনেক বৃদ্ধি পাবে

বিমান দুর্ঘটনায় কেউ হতাহত হলে ২০ লাখ ৩৭ হাজার ৬০০ টাকার বদলে ১ কোটি ১৭ লাখ ৬২ হাজার ৩৩৪ টাকা ক্ষতিপূরণের ব্যবস্থা করতে মন্ত্রিপরিষদ "আকাশপথে পরিবহন (মন্ট্রিল কনভেনশন, ১৯৯৯) বিল, ২০২০" এর খসড়ার অনুমোদন দিয়েছে।

সোমবার (২০ জানুয়ারি) প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কার্যালয়ে তার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত মন্ত্রিপরিষদের সভায় এ অনুমোদন দেওয়া হয়।

সভা শেষে মন্ত্রিপরিষদ সচিব খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম সচিবালয়ে সাংবাদিকদের জানান, খসড়া আইনটি অনুমোদিত হলে আকাশপথে যাত্রীর মৃত্যু ও আঘাত এবং ব্যাগেজ ও কার্গোর ক্ষতি ও হারানোর ক্ষেত্রে ক্ষতিপূরণের হার পূর্বের তুলনায় অনেক বৃদ্ধি পাবে।

সচিব বলেন, প্রস্তাবিত আইনে একজন যাত্রীর বিমানে মৃত্যু ও আঘাতে ১ লাখ এসডিআর বা ১ লাখ ৩৮ হাজার ৫৪৪ মার্কিন ডলার বা ১ কোটি ১৭ লাখ ৬২ হাজার ৩৩৪ টাকা পাওয়া যাবে। পুরাতন ওয়ারশ কনভেনশন এর পরিমাণ ছিল মাত্র আড়াই লাখ ফ্রাঙ্ক বা ২০ লাখ ৩৭ হাজার ৬০০ টাকা।

এছাড়া, ফ্লাইট বিলম্বের কারণে পরিবহনকারীর দায় হবে সর্বোচ্চ ৪ হাজার ১৫০ এসডিআর বা ৫ হাজার ৭৩৪ মার্কিন ডলার। ওয়ারশ কনভেনশনে এ ক্ষতিপূরণ ছিল ২০ ডলার। ব্যাগেজ বিনষ্ট ও হারানোর ক্ষেত্রে কোম্পানি প্রতি কেজির জন্য ১ হাজার এসডিআর অথবা ১ হাজার ৩৮১ মার্কিন ডলার ক্ষতিপূরণ দেবে। যা ওয়ারশ কনভেনশনে ছিল কেজি প্রতি ২০ ডলার। আর কার্গো বিনষ্ট ও হারানো গেলে কেজি প্রতি ক্ষতিপূরণ মিলবে ১৭ এসডিআর বা ২৪ ডলার। ওয়ারশ কনভেনশনে এটি ছিল কেজিতে ২০ ডলার।

যাত্রীর মৃত্যুর ক্ষেত্রে তার অর্থ বৈধ প্রতিনিধিরা প্রস্তাবিত আইনের বিধান অনুযায়ী ভাগ করে পাবেন। ক্ষতিপূরণ সংশ্লিষ্ট উড়োজাহাজ ও বিমা কোম্পানির সাথে আলোচনার ভিত্তিতে অথবা আদালতের মাধ্যমে আদায় করা যাবে। আকাশপথে অভ্যন্তরীণ রুটেও এ আইন প্রয়োগ করা যাবে। এ ক্ষেত্রে সরকার বিধি প্রণয়নের মাধ্যমে আইনটির বিধানগুলো প্রয়োগযোগ্য করতে পারবে।