• বৃহস্পতিবার, ফেব্রুয়ারি ২০, ২০২০
  • সর্বশেষ আপডেট : ১০:৪৮ সকাল

‘রোহিঙ্গা সমস্যা সমাধানে সহায়তা দেবে জাপান’

  • প্রকাশিত ০৯:১৩ সকাল জানুয়ারী ২১, ২০২০
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা
জাপানের রাষ্ট্রদূত সোমবার (২০ জানুয়ারি) প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন ফোকাস বাংলা

জাপানি রাষ্ট্রদূত সোমবার (২০ জানুয়ারি) বিকেলে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে সাক্ষাতে বলেন, জাপান রোহিঙ্গা সমস্যার একটি স্থায়ী সমাধান চায় এবং এবিষয়ে দেশটি বাংলাদেশকে যেকোনও সহায়তা দিতে প্রস্তুত

ঢাকায় নবনিযুক্ত জাপানি রাষ্ট্রদূত নাওকি ইতো বলেছেন, তার দেশ প্রলম্বিত রোহিঙ্গা সমস্যার সমাধানে বাংলাদেশকে যেকোনও প্রকারের সহায়তা করতে প্রস্তুত রয়েছে।

জাপানের রাষ্ট্রদূত সোমবার (২০ জানুয়ারি) বিকেলে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে তার জাতীয় সংসদ ভবনস্থ কার্যালয়ে সৌজন্য সাক্ষাৎকালে একথা বলেন। বৈঠকের পরে প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব ইহসানুল করিম সাংবাদিকদের ব্রিফ করেন।

জাপানি রাষ্ট্রদূত বলেন, “আমরা রোহিঙ্গা সমস্যার একটি স্থায়ী সমাধান চাই এবং এবিষয়ে আমরা বাংলাদেশকে যেকোনও প্রকারের সহায়তা দিতে প্রস্তুত রয়েছি।”

প্রধানমন্ত্রী বলেন, রোহিঙ্গাদের ব্যাপক উপস্থিতি কক্সবাজারের স্থানীয় জনগণের সমস্যার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। মিয়ানমারের জনগণের দীর্ঘসময়ের উপস্থিতির কারণে এখানে সমাজবিরোধী কর্মকান্ডের সৃষ্টি হতে পারে বলেও তিনি আশংকা ব্যক্ত করেন।

যুদ্ধবিধ্বস্ত বাংলাদেশ পুনর্গঠনকালে জাপানের সমর্থনের কথা স্মরণ করে শেখ হাসিনা বলেন, এই সময় জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান স্বাধীন দেশে (পাকিস্তানের বন্দি দশা থেকে) ফিরে আসেন। জাতির পিতার একমাত্র লক্ষ্যই ছিল দেশকে স্বাধীন করা এবং সাধারণ জনগণের মৌলিক চাহিদাগুলো নিশ্চিত করা।

তিনি বলেন, ২০২২ সালে জাপান ও বাংলাদেশ তাদের মধ্যকার কূটনৈতিক সম্পর্কের সুবর্ণজয়ন্তী উদযাপন করবে।

স্বাধীন বাংলাদেশের অভ্যুদয়ের সময় জাপানের স্বীকৃতি প্রদানের কথাও স্মরণ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, বঙ্গবন্ধুই এই দুইদেশের মধ্যে সম্পর্কের ভিত রচনা করেন।

ইতো শেখ হাসিনাকে বলেন যে, জাপানের প্রধানমন্ত্রী শিনজো অ্যাবে তার (শেখ হাসিনার) গতিশীল নেতৃত্বের ভূয়শী প্রশংসা করেছেন এবং তিনি (অ্যাবে) দুইদেশের মধ্যে উন্নয়ন সহযোগিতা আরো শক্তিশালী করতে অপেক্ষমাণ রয়েছেন।

এসময় জাপানি রাষ্ট্রদূত গত ১০ জানুয়ারি থেকে জাতির পিতার জন্মশতবার্ষিকী উদযাপনের ক্ষণ গণনার অনুষ্ঠানের প্রসঙ্গ উল্লেখ করে বলেন, “এটি একটি অবিস্মরণীয় ঘটনা।”