• রবিবার, মার্চ ২৯, ২০২০
  • সর্বশেষ আপডেট : ১০:৪৭ রাত

ডেপুটি স্পিকারকে অভাব-অভিযোগ জানালেন 'ক্ষুদে সাংসদরা'!

  • প্রকাশিত ০৬:৩১ সন্ধ্যা জানুয়ারী ২৩, ২০২০
জাতীয় সংসদ
জাতীয় সংসদের সভাকক্ষ। ফাইল ছবি। সৈয়দ জাকির হোসেন/ঢাকা ট্রিবিউন

সারাদেশের বিভিন্ন সংসদীয় এলাকা থেকে ৩০০ ক্ষুদে প্রতিনিধিকে জাতীয় অধিবেশনের জন্য নির্বাচিত করা হয়

বাংলাদেশে প্রথমবারের মতো জাতীয় সংসদের নির্বাচিত সদস্যের (এমপি) সাথে দেখা করেছে সারাদেশ থেকে আসা ৩০০ "ক্ষুদে সাংসদ"। 

বৃহস্পতিবার (২৩ জানুয়ারি) "জেনারেশন পার্লামেন্ট" শীর্ষক এই বিশেষ কর্মসূচির প্রথম অধিবেশনে এমপি'দের সাথে সাক্ষাৎ করে নিজেদের দাবিগুলো তুলে ধরে তারা।

ইউনিসেফ ও বাংলাদেশ ডিবেট ফাউন্ডেশন যৌথভাবে এই বিশেষ কর্মসূচির আয়োজন করেছে। এই উদ্যোগের মূল লক্ষ্য, জাতীয় জীবনের ওপর সরাসরি প্রভাব ফেলে এমন রাষ্ট্রীয় বিষয়গুলোতে দেশের যুবসমাজকে আরও সম্পৃক্ত করা।

সারাদেশ থেকে ১৩-১৭ বছর বয়সী প্রায় ৬ লাখ শিশু কিশোর বিভিন্ন অনলাইন প্লাটফর্মের মাধ্যমে এই কর্মসূচিতে অংশগ্রহণ করেছে। জাতীয় সংসদের ৩০০ আসনের সাথে মিল রেখে তাদের ৩০০টি গ্রুপে ভাগ করা হয়।

এই ৩০০টি গ্রুপ থেকে জাতীয় অধিবেশনের জন্য ৩০০ জন প্রতিনিধি বাছাই করা হয়। প্রতিটি গ্রুপে ১৫টি বিষয়ের ওপর আলোচনার আয়োজন করা হয়। এই ১৫টি বিষয়ের মধ্যে রয়েছে- বাল্যবিবাহ, শিশুশ্রম, শিশু নির্যাতন, নিরাপদ সড়ক, শিশুদের মানসিক উৎকর্ষ, তথ্য-প্রযুক্তি, তারুণ্য এবং কর্মসংস্থান, প্রতিবন্ধী শিশু, তথ্যের প্রাপ্যতা, শিশু-কিশোরদের উন্নয়নে অধিকতর বাজেট অনুমোদন প্রভৃতি।

এইসব আলোচনার ফলাফলগুলো "শিশু-সাংসদরা" অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি ও জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পিকার ফজলে রাব্বী মিয়ার সামনে উপস্থাপন করে। অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন ইউরোপীয় ইউনিয়ন করপোরেশনের প্রধান (ভারপ্রাপ্ত) মাউরিজিও সিয়ান, ইউনিসেফ বাংলাদেশের প্রতিনিধি ভিরা মেনডনকা ও বিভিন্ন এমপি'রা।

অনুষ্ঠানে ভিরা মেনডনকা বলেন, "এই ধরনের গুরুত্বপূর্ণ কার্যক্রমের মধ্য দিয়ে জাতীয় সংসদ দেশের বিভিন্ন এলাকার শিশু-কিশোরদের চিন্তা-ভাবনার সাথে সরাসরি সম্পৃক্ত হওয়ার সুযোগ পায়।"        

তিনি আরও বলেন, "এটা শিশু-কিশোরদের জন্যও একটা বড় সুযোগ। এইদেশের মোট জনসংখ্যার ৪০% শিশ-কিশোর। কিন্তু ভোটের অধিকার তাদের নেই। নিজেদের দাবিগুলো আদায়ের জন্য তাদের অন্যের শরণাপন্ন হতে হয়।" 

ডেপুটি স্পিকার ফজলে রাব্বী মিয়া বলেন, "জনসংখ্যা বাংলাদেশের একটি সম্পদ। আর এদিক দিয়ে বাংলাদেশ বেশ লাভবান। আজ খুবই নির্ভার লাগছে, কারণ এই জনতাত্ত্বিক লাভের নেতৃত্ব আজ তোমাদের মতো দায়িত্ববান শিশু-কিশোরদের হাতে।"