• শুক্রবার, এপ্রিল ০৩, ২০২০
  • সর্বশেষ আপডেট : ০১:৫৩ দুপুর

ঢাবির ৬৭ শিক্ষার্থীকে স্থায়ী বহিষ্কার

  • প্রকাশিত ০৯:৪১ রাত জানুয়ারী ২৮, ২০২০
কার্জন হল, ঢাবি
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ঐতিহ্যবাহী কার্জন হল। ফাইল ছবি

এছাড়া ডিজিটাল জালিয়াতি ও অবৈধ পন্থায় ভর্তির অভিযোগে আরও ৯ শিক্ষার্থী এবং ছিনতাইয়ে জড়িত থাকার অভিযোগে ১৩ শিক্ষার্থীকে সাময়িক বহিষ্কার করা হয়েছে

ভর্তি পরীক্ষায় প্রশ্নপত্র ফাঁস, জালিয়াতি ও অবৈধ পন্থায় ভর্তি হওয়ার দায়ে ৬৩ শিক্ষার্থী এবং অবৈধ অস্ত্র ও মাদক রাখার দায়ে ৪ জনকে আজীবনের জন্য বহিষ্কার করেছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (ঢাবি) কর্তৃপক্ষ।

মঙ্গলবার (২৮ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় অনুষ্ঠিত এক সিন্ডিকেট সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আখতারুজ্জামান।

এছাড়া সভায় ডিজিটাল জালিয়াতি ও অবৈধ পন্থায় ভর্তির অভিযোগে আরও ৯ জন এবং ছিনতাইয়ের অভিযোগে ১৩ জন শিক্ষার্থীকে সাময়িকভাবে বহিষ্কার করা হয়। এসব শিক্ষার্থীকে কেন স্থায়ী বহিষ্কার করা হবে না- এই মর্মে সাত কার্যদিবসের মধ্যে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের জনসংযোগ দফতরের পরিচালক মাহমুদ আলম স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, স্থায়ী বহিষ্কৃারের আগে শিক্ষার্থীদের সাময়িক বহিষ্কার করা হয়েছিল। একইসঙ্গে তাদেরকে কেন স্থায়ী বহিষ্কার করা হবে না, সেটি জানাতে সাত দিনের সময় দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু তাদের দেওয়া জবাব সন্তোষজনক না হওয়ায় বিশ্ববিদ্যালয়ের শৃঙ্খলা পরিষদের সুপারিশ অনুযায়ী এসব শিক্ষার্থীকে স্থায়ী আজীবনের জন্য বহিষ্কার করা হয়।   

এছাড়া, বিশ্ববিদ্যালয় গ্রন্থাগার ও টিএসসিতে গত ২৫ অক্টোবর সংঘটিত ঘটনার দায়ে ২ শিক্ষার্থীকে ৬ মাসের জন্য বহিষ্কার করা হয়েছে। একইসঙ্গে পরীক্ষায় অসদুপায় অবলম্বনের দায়ে অপর ৩০ শিক্ষার্থীকে বিভিন্ন মেয়াদে শাস্তি দেওয়া হয়েছে।

অন্যদিকে, সম্প্রতি বিশ্ববিদ্যালয়ের একজন শিক্ষকের বিরুদ্ধে পিএইচডি থিসিস জালিয়াতির অভিযোগ ওঠায় তাকে সব ধরনের প্রশাসনিক ও শিক্ষা কার্যক্রম থেকে অব্যহতি দেওয়া হয়েছে। একইসঙ্গে এ বিষয়ে একটি তদন্ত কমিটিও গঠিত হয়েছে।