• মঙ্গলবার, এপ্রিল ০৭, ২০২০
  • সর্বশেষ আপডেট : ১০:১০ সকাল

গোপালগঞ্জের দু’টি মন্দিরে দুষ্কৃতকারীর আগুন

  • প্রকাশিত ০৪:৫৬ বিকেল ফেব্রুয়ারি ১, ২০২০
মন্দির-আগুন
শুক্রবার (১ ফেব্রুয়ারি) গোপালগঞ্জের সদর উপজেলার কাজুলিয়া ইউনিয়নের দুইটি মন্দিরে আগুন দিয়েছে দুর্বত্তরা ঢাকা ট্রিবিউন

‘এতে কালী, রক্ষাচণ্ডি, শীতলা ও শিবমূর্তির কাপড়, অলংকার ও সাজসজ্জা পুড়ে গেছে’

গোপালগঞ্জের সদর উপজেলার কাজুলিয়া ইউনিয়নের দুইটি মন্দিরে আগুন দিয়েছে দুর্বত্তরা।

শুক্রবার (১ ফেব্রুয়ারি) রাতে ইউনিয়নের বাজুনিয়া ছোটখোলা সার্বজনীন কালি মন্দিরে এ ঘটনা ঘটে। এছাড়া গত বুধবার সন্ধ্যায় কাজুলিয়া পল্লী মঙ্গল স্কুল এ্যান্ড কলেজের অস্থায়ী সরস্বতী মন্দিরেও আগুন দেয়া হয়।   

প্রশাসন ও পুলিশের পদস্থ কর্মকর্তারা জানান, শুক্রবার রাত ও শনিবার দুপুরে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। ঘটনার কারণ উদঘাটনে পুলিশের পাশাপাশি গোয়েন্দা সংস্থার কর্মীরা কাজ করছেন।

মন্দির কমিটির সভাপতি বিধান চন্দ্র বিশ্বাস বলেন, “গতকাল শুক্রবার রাত পৌনে ৮ টা থেকে ৮ টার দিকে দু’জন দুষ্কৃতকারী মন্দিরে কিছু একটা ছুঁড়ে মারে। ওই এলাকার আরেক বাসিন্দা মন্দিরে প্রণাম করতে এসে আগুন দেখতে পান।”

পরে তার চিৎকারে গ্রামবাসীরা ছুটে এসে আগুন নিভিয়ে ফেলে। এতে কালী, রক্ষাচণ্ডি, শীতলা ও শিবমূর্তির কাপড়, অলংকার ও সাজসজ্জা পুড়ে গেছে বলেও জানান তিনি।

খবর পেয়ে প্রশাসন ও পুলিশের পদস্থ কর্মকর্তারা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন।

 কাজুলিয়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মাখন লাল দাস বলেন, “একটি দুষ্কৃতিকারী গোষ্ঠী পরপর দুটি মন্দিরে একই কায়দায় আগুন দিয়ে এলাকাটিকে অস্থিতিশীল করার চেষ্টা করছে বলে ধারণা করছি।”

পুলিশ এব্যাপারে সতর্কতামূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে। মন্দির কমিটিকে এব্যাপারে সতর্ক থাকতে বলা হয়েছে বলেও জানান তিনি।

গোপালগঞ্জের ভারপ্রাপ্ত পুলিশ সুপার মো. আসলাম খান বলেন, “ওই দু’ ঘটনাকে কেন্দ্র করে পুলিশ ও গোয়েন্দা সংস্থার সদস্যরা মাঠে নেমে তদন্ত শুরু করেছে। আমরা গণ্যমান্য ব্যক্তিদের সাথে কথা বলেছি। এছাড়া কাজুলিয়া স্কুলের ঘটনার ভিডিও ফুটেজ পেয়েছি। সেখানে দুষ্কৃতকারীরা মুখোশ পড়া ছিলো। তারপরও আমরা দ্রুত এই দুই ঘটনার  রহস্য উদঘাটন করে জড়িতদের গ্রেফতার করতে সক্ষম হব।”