• মঙ্গলবার, এপ্রিল ০৭, ২০২০
  • সর্বশেষ আপডেট : ১০:৫৭ রাত

জুনিয়র হয়েও এসএসসিতে প্রক্সি: ছাত্রী ও মাদ্রাসা সুপারের কারাদণ্ড

  • প্রকাশিত ০৫:৫১ সন্ধ্যা ফেব্রুয়ারি ৪, ২০২০
ভোলা প্রক্সি
এসএসসি পরীক্ষায় প্রক্সিতে সহায়তার অপরাধে দুই বছরের কারাদণ্ড হয়েছে ভোলার জয়নগর বালিকা দাখিল মাদ্রাসা সুপারের ঢাকা ট্রিবিউন

অন্য পরীক্ষার্থীদের রেজিস্ট্রেশন কার্ডে নিজেদের ছবি বসিয়ে পরীক্ষায় অংশ নিয়েছিল অভিযুক্ত মাদ্রাসা ছাত্রীরা

চলমান মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট (এসএসসি) ও সমমান পরীক্ষায় ভোলার দৌলতখান উপজেলায় প্রক্সি (অন্যের হয়ে পরীক্ষা) দেওয়ার অপরাধে ১০ নারী শিক্ষার্থীসহ এক মাদ্রাসা সুপারকে আটক করেছে জেলা প্রশাসন।

মঙ্গলবার (৪ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে উপজেলার সরকারি আবি আব্দুল্লাহ কলেজ কেন্দ্র থেকে তাদের আটক করে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে সাজা দেওয়া হয়। দৌলতখানের জয়নগর বালিকা দাখিল মাদ্রাসা থেকে প্রক্সি দিতে ‌আসা শিক্ষার্থীরা সবাই দশম শ্রেণিতে অধ্যয়নরত। অর্থাৎ, সিলেবাস শেষ না করেই প্রক্সি দিতে এসেছিল তারা। অন্য পরীক্ষার্থীদের রেজিস্ট্রেশন কার্ডে নিজেদের ছবি বসিয়ে পরীক্ষায় অংশ নিয়েছিল এই ছাত্রীরা।

প্রক্সির অপরাধে মাদ্রাসাটির সুপার মো. জাকির হোসেনকে দুই বছর ও শিক্ষার্থী লিজা আক্তারকে এক বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়। বাকীদের বয়স কম হওয়ায় নিয়মিত মামলা করে আদালতে সোপর্দ করা হয়। 

আটক অন্যরা হলো- লিমা আক্তার, রাবেয়া সুলতানা, ময়না বেগম, হামিদা বেগম, নাজমুন নাহার, বিবি খাদিজা, রুমা আক্তার ও ফারজানা আক্তার। 

ভোলা জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সাইফুল ইসলাম জানান, মঙ্গলবার দৌলতখানের সরকারি আবি আব্দুল্লাহ কলেজ কেন্দ্রে দাখিল হাদিস বিষয়ের পরীক্ষা চলাকালীন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মো. আতাহার মিয়া, অতিরিক্তি জেলা প্রশাসক (শিক্ষা আইসিটি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট রেজওয়ানা চৌধুরীসহ জেলা প্রশাসনের সমন্বয়ে একটি দল পরীক্ষা কেন্দ্রে অভিযান চালায়। 

এ সময় ওই কেন্দ্র থেকে ১০ ভুয়া পরীক্ষার্থীকে আটক করা হয়। তারা সবাই দৌলতখানের জয়নগর বালিকা দাখিল মাদ্রাসার দশম শ্রেণির ছাত্রী। এরা একই প্রতিষ্ঠানের অন্য শিক্ষার্থীদের রেজিস্ট্রেশন কার্ডে নিজেদের ছবি লাগিয়ে পরীক্ষা দিতে এসেছিল। ছাত্রীদের পাশাপাশি এই অপরাধে জড়িত থাকায় ওই মাদ্রাসার সুপার মো. জাকির হোসেনকেও আটক করা হয়। 

পরে ভ্রাম্যমান আদালতের মাধ্যমে সুপার জাকির হোসেনকে দুই বছরের বিনাশ্রম কারাদণ্ড ও লিজা আক্তার নামে এক ছাত্রীকে ১ বছরের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়। বাকীদের বয়স ১৮ বছরের কম হওয়ায় তাদেরকে কেন্দ্র সচিবের মাধ্যমে নিয়মিত মামলা করে আদালতে পাঠানো হয়েছে। আদালত তাদের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেবে।