• রবিবার, এপ্রিল ০৫, ২০২০
  • সর্বশেষ আপডেট : ০৫:৫৩ সন্ধ্যা

শাড়ি-সালোয়ার চুরি করতো নোয়াখালীর নারী চোরদের দল

  • প্রকাশিত ০৬:১১ সন্ধ্যা ফেব্রুয়ারি ৪, ২০২০
নোয়াখালী শাড়ি চোর
নোয়াখালীর বিভিন্ন জায়গায় অভিযান চালিয়ে নারী চোর চক্রের ছয় সদস্যকে আটক করেছে গোয়েন্দা পুলিশ ঢাকা ট্রিবিউন

এই চোর চক্রের সদস্যরা বিভিন্ন জেলা শহরের বড় শপিংমলগুলোকে টার্গেট করে কাজ করতো

নোয়াখালী সদর উপজেলার বিভিন্ন জায়গায় অভিযান চালিয়ে আন্তঃজেলা নারী চোর চক্রের ৬ সদস্যসহ ৭ জনকে আটক করেছে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ। তাদের কাছ থেকে উদ্ধার করা হয়েছে চুরি করে আনা ১৪ বস্তা শাড়ি, সালোয়ার, জুতা ও কসমেটিক্‌সসহ বিভিন্ন ধরনের সাজসজ্জার সামগ্রী। 

মঙ্গলবার (৪ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে তাদের আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

আটকরা হলেন- জেলা শহরের মাইজদী এলাকার নতুন বাসস্ট্যান্ড এলাকার জুলেখা আক্তার (৩৮), জেসমিন আক্তার (৩৮), লক্ষ্মীনারায়ণপুর এলাকার সেলিনা আক্তার (২৭), রোকসানা আক্তার (২৫), কাদির হানিফ ইউনিয়নের সফিপুর গ্রামের রোজিনা আক্তার (৩০), মনোয়ারা বেগম তানিয়া (৩৫) ও মাইজদী নতুন বাস স্ট্যান্ড এলাকার জহির আহম্মেদ (৫৫)।

গোয়েন্দা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা কামরুজ্জামান শিকদার জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে নোয়াখালী ডিবি পুলিশের একটি দল সোমবার দিবাগত রাত ১২টা থেকে মঙ্গলবার ভোর পর্যন্ত একাধিক জায়গায় অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করে। 

তিনি জানান, রাত ১২টার দিকে প্রথমে নতুন বাসস্ট্যান্ড এলাকার একটি বাড়িতে অভিযান চালিয়ে আটক করা হয় জুলেখা আক্তারকে। তার দেওয়া তথ্যানুযায়ী একই এলাকা থেকে জেসমিন ও তার স্বামী সিএনজি চালক জহির, লক্ষ্মীনারায়ণপুর থেকে সেলিনা, রোকসানা এবং সফিপুর থেকে রোজিনা ও তানিয়াকে আটক করা হয়। মঙ্গলবার ভোরে সোনাপুর এলাকায় চোর চক্রের অন্য দুই সদস্য আজমীরি ও শান্তার বাড়িতে অভিযানে গেলে পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে তারা পালিয়ে যায়।

এই পুলিশ কর্মকর্তা আরও জানান, নারী চোর চক্রের এই সদস্যরা নোয়াখালী, ফেনী ও কুমিল্লাসহ বিভিন্ন জেলা শহরের বড় শপিংমলগুলোকে টার্গেট করে কাজ করতো। এরা ৭-৮ জন একসঙ্গে একটি দোকানে গিয়ে উৎকোচের বিনিময়ে কর্মচারীদের সঙ্গে যোগসাজশ করে চুরির কাজটি করতো। চোরদের মধ্যে ২-৩ জন দোকান মালিক বা ম্যানেজারের সঙ্গে কথা বলে তাদের ব্যস্ত রাখতো। আর সেই সুযোগে অন্যরা মালামাল চুরি করে সরে পড়তো।