• রবিবার, এপ্রিল ০৫, ২০২০
  • সর্বশেষ আপডেট : ০৭:১০ রাত

রাবিতে নাগরিক সংবাদিকতা বিষয়ক সেমিনার অনুষ্ঠিত

  • প্রকাশিত ০৯:৫৪ রাত ফেব্রুয়ারি ৪, ২০২০
রাবি-শহিদুল আলম
সেমিনারে বক্তব্য দেন প্রখ্যাত আলোকচিত্রী শহিদুল আলম। ঢাকা ট্রিবিউন

‘একজন শিল্পী সুবিধা-দুর্বলতা দুটিকেই কাজে লাগাতে পারে। তবে ফটোগ্রাফি মাধ্যমেও কিছু সীমাবদ্ধতা রয়েছে। সীমাবদ্ধতা থাকা সত্ত্বেও যিনি দক্ষতার সঙ্গে ভালো ছবি তুলতে পারেন তিনিই শিল্পী’

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগ এবং ডিডব্লিউ একাডেমির যৌথ আয়োজনে “সিটিজেন জার্নালিজম অ্যান্ড ইউজ অব ভিজ্যুয়ালস” শীর্ষক এক সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে। 

মঙ্গলবার (০৪ ফেব্রুয়ারি) সকালে বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদ সুখরঞ্জন সমাদ্দার সাংস্কৃতিক কেন্দ্রে (টিএসসিসি) এ সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়। 

এতে বক্তৃতা করেন বাংলাদেশের প্রখ্যাত আলোকচিত্রী, ফটোসাংবাদিক ও সমাজকর্মী শহিদুল আলম। 

 আলোচনায় শহিদুল আলম বলেন, “ফটোগ্রাফি একটি শক্তিশালী মাধ্যম। সবচেয়ে কাছের ও বিশ্বস্ত মাধ্যমও। অনেকে প্রশ্ন করে ভালো ক্যামেরা না থাকলে ভালো ছবি তোলা যায় কিনা। তাদের কাছে আমার প্রশ্ন, তোমরা যখন কিছু লিখো, দিনশেষে তোমরা কোনো না কোনো কলম দিয়েই কিন্তু লিখো।”

বক্তৃতায় ভিজ্যুয়াল গণমাধ্যম সম্পর্কে শহিদুল আলম বলেন, “প্রত্যেক মাধ্যমের কিছু চারিত্রিক বৈশিষ্ট্য রয়েছে। যেগুলো কিছু জায়গায় দুর্বল আবার কিছু জায়গায় ভালো। একজন শিল্পী সুবিধা-দুর্বলতা দুটিকেই কাজে লাগাতে পারে। তবে ফটোগ্রাফি মাধ্যমেও কিছু সীমাবদ্ধতা রয়েছে। সীমাবদ্ধতা থাকা সত্ত্বেও যিনি দক্ষতার সঙ্গে ভালো ছবি তুলতে পারেন তিনিই শিল্পী।”

বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে ফটোগ্রাফি সম্পর্কিত সমস্যা ও সংকটগুলো তুলে ধরে শহিদুল আলম বলেন, “একটি মানুষ ছোটকাল থেকেই চারপাশে দৃশ্যমান মাধ্যমের দ্বারা প্রভাবিত হন। কিন্তু আমাদের দেশে ফটোগ্রাফি নিয়ে বেইজ লেভেলে কোনো স্কুল নেই। আমাদের শিক্ষাব্যবস্থায় এটা একটা বড় দুর্বলতা।”

এর আগে শহিদুল আলমকে উত্তরীয় পরিয়ে সম্মাননা স্মারক প্রদান করেন বিভাগের সভাপতি সহযোগী অধ্যাপক আল মামুন। বক্তৃতা অনুষ্ঠানের সঞ্চালনা করেন বিভাগের সহকারী অধ্যাপক আব্দুল্লাহীল বাকী। এ সময় বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগের প্রায় তিন শতাধিক শিক্ষক-শিক্ষার্থী উপস্থিত ছিলেন।