• মঙ্গলবার, এপ্রিল ০৭, ২০২০
  • সর্বশেষ আপডেট : ০৯:৪১ রাত

আশুলিয়ায় নারীকে পিটিয়ে হাত-পা ভেঙে দিলেন যুবলীগ নেতা

  • প্রকাশিত ০৭:১৭ রাত ফেব্রুয়ারি ৫, ২০২০
আশুলিয়া যুবলীগ
বুধবার আশুলিয়ায় এক নারীকে পিটিয়ে হাত-পা ভেঙে দেওয়া হয় ঢাকা ট্রিবিউন

ওই নারীর ভাই বাদী হয়ে যুবলীগ নেতার বিরুদ্ধে একটি সাধারণ ডায়েরি করেছেন

ঢাকার আশুলিয়ায় এক নারী পিটিয়ে হাত-পা ভেঙে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় যুবলীগ নেতা মঈনুল ইসলাম ভুইয়া ও তার লোকজনের বিরুদ্ধে। গুরুতর আহতাবস্থায় মাকসুদা আক্তার নামে ওই নারীকে উদ্ধার করে ধামরাই উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। 

বুধবার (৫ ফেব্রুয়ারি) সকালে আশুলিয়ার বাইপাইল বাসস্ট্যান্ড এলাকায় ঘটনাটি ঘটে। বিকেলে ওই নারীর ভাই বাদী হয়ে যুবলীগ নেতা মঈনুলের বিরুদ্ধে আশুলিয়া থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছেন। 

একই অভিযোগে গত অক্টোবর মাসে মঈনুলের বিরুদ্ধে মামলা করেছিলেন মাকসুদা। সেই মামলায় তাকে গ্রেফতার করে আদালতে পাঠিয়েছিল পুলিশ। পরে তিনি জামিনে বের হন।

আহত মাকসুদা ও তার ভাই ফারুক জানান, বাইপাইল বাসস্ট্যান্ড এলাকায় যৌথ মালিকানাধীন মার্কেটটি দীর্ঘদিন ধরে দখলের পাঁয়তারা করে আসছেন আশুলিয়া যুবলীগের যুগ্ন আহ্বায়ক ও স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য মঈনুল ইসলাম ভুইয়া। 

বুধবার সকালে জয়নাল হাজী, খলিল, শরীফ, সুমন, আব্দুল হালিমসহ বেশ কয়েকজনকে নিয়ে মার্কেটে গিয়ে ওই নারীকে আগের মামলাটি তুলে নেওয়াসহ মার্কেট ছেড়ে চলে যাওয়ার জন্য চাপ দিতে থাকেন মঈনুল। এতে প্রতিবাদ জানালে অভিযুক্তরা তাকে পিটিয়ে হাত-পা ভেঙে দেন। 

তবে ওই মার্কেটটিকে নিজের বলে দাবি করেন অভিযুক্ত যুবলীগ নেতা মঈনুল ইসলাম ভুইয়া। তিনি বলেন, “ওই নারী আমার মার্কেটের সামনে এসে নিজের লোকজন দিয়ে ব্যবসায়ীদের উচ্ছেদ করতে গেলে ব্যবসায়ীরা ক্ষুব্ধ হয়ে তাকে মারধর করে থাকতে পারে।” ঘটনাস্থলে তিনি ছিলেন না বলেও দাবি করেন তিনি।

আশুলিয়া যুবলীগের আহ্বায়ক কবির হোসেন সরকার বলেন, তিনি ঘটনাটি শুনেছেন। তবে মারধরের ঘটনায় তার সংগঠনের নেতার সম্পৃক্ততা নেই বলে দাবি করেন তিনি।

আশুলিয়া থানার উপ-পরিদর্শক (এস আই) মিরাজুল ইসলাম বলেন, মাকসুদা আক্তার নামে এক নারীকে মারধরের ঘটনায় তার ভাই একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছেন। বিষয়টি তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।