• শনিবার, অক্টোবর ২৪, ২০২০
  • সর্বশেষ আপডেট : ১১:৫৮ রাত

‌‌‌‌‌‌‌‌‘বোমা মেশিনের আঘাতে’ হুমকির মুখে পঞ্চগড়ের পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্য

  • প্রকাশিত ১১:০৮ সকাল ফেব্রুয়ারি ৭, ২০২০
বোমা মেশিন পঞ্চগড়
‌‌‌‌‌‌‌‌‘বোমা মেশিন’ দিয়ে যথেচ্ছভাবে তোলা হচ্ছে পাথর ঢাকা ট্রিবিউন

তিন শতাধিক মেশিন দিয়ে তেঁতুলিয়া, পঞ্চগড় সদর, দেবীগঞ্জ, ডাহুক, করতোয়া, ভেরসা, চাওয়াই ও তালমা এলাকার নদী, সরকারি জমি থেকে দেদারসে চলছে পাথর উত্তোলন

দেশের উত্তরাঞ্চলীয় জেলা পঞ্চগড়ে অবৈধভাবে ড্রিল ও ড্রেজার মেশিন ব্যবহার করে পাথর উত্তোলনের ফলে হুমকির মুখে পড়েছে ওই অঞ্চলের প্রাকৃতিক পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্য। নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে বাস্তুসংস্থানেও।

ক্রমবর্ধমান এই পাথর উত্তোলন প্রক্রিয়া বাড়াচ্ছে ভূমিকম্প ও অতিবৃষ্টিতে ভুমিধসের আশংকা। পাশাপাশি কমছে আবাদযোগ্য জমির পরিমাণ ও উর্বরতা।

হাইকোর্টের নিষেধাজ্ঞা ও স্পেশাল টাস্কফোর্স, পুলিশ, বর্ডার গার্ডস বাংলাদেশ (বিজিবি) ভ্রাম্যমাণ আদালতের নজরদারি এবং স্থানীয়দের বাধা উপেক্ষা করেই পরিবেশকে হুমকির মুখে ঠেলে দেওয়া এই প্রক্রিয়া চলে আসছে প্রায় ২০ বছর ধরে।

পঞ্চগড় থেকে পাথর উত্তোলনে ড্রেজার ও ড্রিল মেশিন ব্যবহারে হাইকোর্ট রুল করে নিষেধাজ্ঞা জারি করলেও বাস্তব পরিস্থিতি ভিন্ন। স্থানীয়ভাবে “বোমা মেশিন” নামে পরিচিত তিন শতাধিক মেশিন দিয়ে তেঁতুলিয়া, পঞ্চগড় সদর, দেবীগঞ্জ, ডাহুক, করতোয়া, ভেরসা, চাওয়াই ও তালমা এলাকার নদী, সরকারি জমি থেকে দেদারসে চলছে পাথর উত্তোলন।

এ নিয়ে হামলা-সংঘর্ষও কম হয়নি। ২০০৯ সালে “বোমা মেশিন”-এর মালিকপক্ষের সঙ্গে শ্রমিকদের সংঘর্ষে প্রাণ হারান এক শ্রমিক। ওই ঘটনার পর কিছুদিনের জন্য বন্ধ থাকলেও রেশ কাটতে না কাটতেই আবার শুরু হয় পাথর উত্তোলন।

গত মাসে খনি শ্রমিক আর আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের সংঘর্ষে মারা যান আরেক শ্রমিক। আহত হন কমপক্ষে ৩০ জন। পাঁচ মাস আগে পঞ্চগড়ের পুলিশ সুপার (এসপি) মো. ইউসুফ আলী পাথর উত্তোলনে কড়া নিষেধাজ্ঞা দিয়েছিলেন। খনি শ্রমিকরা ওই নিষেধাজ্ঞার বিরুদ্ধে আন্দোলনের নামে বিশৃঙ্খলা শুরু করলে ওই সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।

তেঁতুলিয়া উপজেলার বুড়াবুড়ি ইউনিয়নের ডাহুক নদী থেকে তোলা হচ্ছে পাথর। ছবি: ঢাকা ট্রিবিউনউল্লেখ্য, মাটির নিচে ১০০ থেকে ২০০ মিটার পর্যন্ত ভেতরে গিয়ে বড় গর্ত তৈরি করে “বোমা মেশিন”। ফলে জমি হারায় উর্বরতা আর অনাকাঙ্খিতভাবে পরিবর্তন আসে নদীর গতিপথে।

স্বল্প বিনিয়োগে বিপুল মুনাফা পরিবেশ বিনাশী এই কর্মকাণ্ডে আকৃষ্ট করছে সমাজের নানা পেশা-শ্রেণির মানুষকে।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, ৩৫ থেকে ৪০ হর্সপাওয়ার ক্ষমতাসম্পন্ন একটি মেশিন মাত্র ১০ ঘণ্টায় উত্তোলন করতে পারে ১৭ ট্রলি (১৫০০ থেকে ১৭০০ ঘনফুট) পাথর। এই পাথরের বাজার মূল্য এক লাখ টাকারও বেশি। আর এই সময়ের মধ্যে মেশিনটি চালাতে প্রয়োজন ৫ জন শ্রমিক ও মাত্র ৩০ লিটার ডিজেল। অর্থাৎ, ১০ থেকে ১৫ হাজার টাকা খরচে মুনাফা আসে কয়েকগুণ।

তদন্তে উঠে এসেছে, পাথর উত্তোলনের লভ্যাংশের একটি বড় অংশ (মাসে ১৮ থেকে ২০ লাখ টাকা) যায় পুলিশের পকেটে। ভাগ পান স্থানীয় রাজনৈতিক নেতাসহ প্রশাসনের বিভিন্ন পর্যায়ের লোকজন।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একজন ড্রেজার মেশিন মালিক ঢাকা ট্রিবিউনকে জানান, “দুর্নীতিগ্রস্ত কিছু পুলিশ সদস্য এবং স্থানীয় প্রভাবশালীরা এই ব্যবসার সঙ্গে সরাসরি জড়িত। অন্যান্যদের মধ্যে কিছু বিজিবি সদস্য, রাজনৈতিক নেতা, বালু ব্যবসায়ী-পরিবহন মালিক সংগঠন এমনকি কিছু অসাধু সাংবাদিকেরও এখানে সংশ্লিষ্টতা রয়েছে।”

ছবি: ঢাকা ট্রিবিউনসংশ্লিষ্টতা ও মদদের অভিযোগ যাদের বিরুদ্ধে

পঞ্চগড়-১ আসনের সংসদ সদস্য মাজহারুল হক প্রধান ও তার একাধিক অনুসারী, তেঁতুলিয়া উপজেলা চেয়ারম্যান কাজী মাহামুদুর রহমান ডাবলু, পঞ্চগড়ের সাবেক এসপি গিয়াসউদ্দিন আহমেদ, তেঁতুলিয়া থানার সাবেক ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সরেশ চন্দ্র বিভিন্ন সময় পরিবেশ বিনাশী এই কর্মকাণ্ডে জড়িতদের সহায়তা দিয়েছেন এবং এখনও দিয়ে যাচ্ছেন বলে অভিযোগ রয়েছে।

একই অভিযোগ রয়েছে- তেঁতুলিয়া পুলিশের উপ-পরিদর্শক (এসআই) অশ্বিন রায়, শওকম ও মনমহোন বর্মণ, কনস্টেবল শহিদুর রহমান, আশরাফুদ্দৌলা, সাজেদুর রহমান, মিজানুর রহমান এবং সাদেকুর রহমানের বিরুদ্ধে। এছাড়াও, পুলিশের কিছু ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তার পাশাপাশি অভিযোগ এসেছে থানার গাড়িচালক মিজান ও বিভাগীয় কমিশনারের গাড়িচালকের বিরুদ্ধেও।

আইনানুযায়ী, আন্তর্জাতিক সীমানার দুই কিলোমিটারের মধ্যে পরিবেশ বিনাশী কোনো কর্মকাণ্ডে নিষেধাজ্ঞা রয়েছে। কিন্তু সংশ্লিষ্ট এলাকায় কর্তব্যরত বিজিবি-ও কখনও কোনো কার্যকর পদক্ষেপ নেয়নি এ বিষয়ে। উপরন্তু, ঢিপা ও আবু নামে বাহিনীটির দুই ইনফর্মারের বিরুদ্ধে রয়েছে কর্মকর্তাদের পক্ষে উৎকোচ গ্রহণের অভিযোগ।

অবৈধ এই কর্মকাণ্ডে পরোক্ষভাবে জড়িত থাকার অভিযোগ রয়েছে বালু ব্যবসায়ী-সরবরাহকারী মালিক সংগঠনের বিরুদ্ধেও। পাথর-বালু ব্যবসায়ী ও শ্রমিক কল্যাণ সংস্থার সভাপতি মজিবুর রহমান মাস্টার ও তার ছেলে, সাধারণ সম্পাদক হারুন-উর-রশিদ লিটন এবং ভোজনপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মোকসেদ আলীর স্বজনদের অনেকেই ড্রিল-ড্রেজিং এর সঙ্গে জড়িত।

এছাড়াও ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের স্থানীয় পর্যায়ের অনেক নেতা-কর্মীই প্রত্যক্ষ কিংবা পরোক্ষভাবে এই ব্যবসায় জড়িত।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে একাধিক ড্রেজার মালিক জানিয়েছেন, “পুলিশ, জনপ্রতিনিধি, রাজনৈতিক নেতা, বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তা ও সাংবাদিকদের সঙ্গে সমঝোতা করতে দালালকে প্রতিদিন দিতে হয় ৮ থেকে ১০ হাজার টাকা। প্রতিদিন তারা ৩০০ থেকে ৪০০ জন মালিকের কাছ থেকে টাকা সংগ্রহ করে। যার মোট পরিমাণ কোটি কোটি টাকা।”

পাথর খননের ফলে বেহাল দশা শালবাহান ঘাট এলাকার। ছবি: ঢাকা ট্রিবিউন

পরিবেশ ও মানুষের ক্ষতি

পঞ্চগড় জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক মো. আবু হানিফ জানান, “সমতল ভূমি কেটে (টপ সয়েল) পাথর উত্তোলনের পর ফসলের উপযুক্ত আবাদি জমিতে পরিণত হতে সময় লাগে প্রায় ১০ থেকে ১২ বছর। ২০০৪ সাল থেকে এ পর্যন্ত গত ১৫ বছরে প্রায় পাঁচ হাজার হেক্টর আবাদী জমি কেটে (সমতল ভূমি) পাথর উত্তোলন করা হয়েছে। গত ২০ বছরে এই জেলায় প্রতি বছর প্রায় ৫ হাজার মেট্রিক টন খাদ্য শস্য কম উৎপাদন হচ্ছে।”

পঞ্চগড়ের ময়দানদিঘী ডিগ্রি কলেজের ভূগোল বিভাগের প্রভাষক সাজ্জাদ হোসেন জানান, ভারী বষর্ণ হলে এবং জলাবদ্ধতা স্থায়ী হলে ব্যাপক ভূমিধসের সৃষ্টি হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। বার বার ভূমিকম্প হওয়া মানেই বড় ধরনের ভূমিকম্পের লক্ষণ। বিগত কয়েক বছরে পঞ্চগড়ের বেশ কয়েকটি স্বল্পমাত্রার ভূমিকম্প হয়েছে। বোমা মেশিন বা মাটির গভীরে খনন কাজ বন্ধ না করলে ভবিষ্যতে এর পরিণাম খুবই ভয়াবহ। 

তেঁতুলিয়ার শুকানি এলাকার আব্দুল আজিজ জানান, “আমার চা বাগান ঘেঁষে ড্রেজার মালিকরা ৮০ থেকে ১০০ ফুট গভীর পর্যন্ত পাথর উত্তোলন করছে। এতে আমার চা বাগানের মাটি ভেঙে গর্তে ঢুকে গেছে। বাধা দিতে গেলেই তেড়ে আসে তারা। এই চা বাগানই আমার একমাত্র সম্বল। এভাবে পাথর তুলতে থাকলে আমার বাগান বিলীন হয়ে যাবে।”

এমন কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে বিভাগীয় কমিশনার, পুলিশ সুপারিনটেন্ডেন্ট, স্থানীয় সংসদ সদস্য, উপজেলা নির্বাহী অফিসার এমনকি রংপুর রেঞ্জের ডিআইজি'র কাছে অভিযোগ জানিয়েও কোনো সুরাহা পাননি ক্ষতিগ্রস্ত স্থানীয়রা।

বোমা মেশিন বন্ধে প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ দাবিতে মানববন্ধন। ছবি: ঢাকা ট্রিবিউন

মামলা হয়েছে, সুরাহা হয়নি

অব্যাহত চাপের মুখে বিভিন্ন সময় জেলা-উপজেলা প্রশাসন, বিজিবি ও পুলিশ পাথর উত্তোলনের বিরুদ্ধে পদক্ষেপ নিয়েছে। একাধিক জায়গা থেকে জব্দ করা হয়েছে “বোমা মেশিন”। সাময়িকভাবে সেসব স্থানে পাথর উত্তোলন বন্ধ থেকে আবার শুরু হয়েছে যথারীতি।

অবৈধ এই কর্মকাণ্ডে জড়িতদের বিরুদ্ধে একটি হত্যা মামলাসহ একাধিক মামলা থাকলেও বছরের পর বছর তাদের বিরুদ্ধে দৃশ্যমান কোনো পদক্ষেপ পরিলক্ষিত হয়নি।

অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে সাবেক উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) সানিউল ফেরদৌস সরকারের বিভিন্ন মহলে প্রতিবেদন পাঠিয়েছেন। কিন্তু একাধিক মামলায় অভিযুক্ত থাকলেও তারা জামিন পেয়ে যাচ্ছেন, পাচ্ছেন অদৃশ্য শক্তির মদদ। 

বর্তমানে দিনাজপুরের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসকের দায়িত্বে থাকা সানিউল ফেরদৌস ঢাকা ট্রিবিউনকে বলেন, “পাথর, বালি ব্যবসায়ী সমিতির নেতা হাসিবুল হক প্রধান ড্রেজার বা বোমা মেশিন মালিকদের একটি তালিকা উপজেলা নির্বাহী অফিসারকে দিয়েছেন ঠিকই। কিন্তু তালিকা থেকে প্রকৃত ড্রেজার মেশিন মালিকদের অধিকাংশেরই নাম বাদ দিয়ে চুনোপুটিদের নাম দেওয়া হয়েছে।”

তবে পঞ্চগড় জেলা ও দায়রা জজ আদালতের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) অ্যাডভোকেট আমিনুল ইসলামের কাছে জানতে চাইলে তিনি এ বিষয়ে কোন মন্তব্য করতে রাজী হননি।

আর একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করেও এ বিষয়ে কোনো অভিযুক্তের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

এসব অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে দুর্নীতি দমন কমিশনও (দুদক) মাঠে কাজ করছে। অভিযোগ পেয়ে দুদক মহাপরিচালক মোহাম্মাদ মুনীর চৌধুরীর নির্দেশে দুদকের একটি দল একাধিকবার তেঁতুলিয়া পরিদর্শন করেছে। দুদকের উপস্থিতিতে এলাকায় বেশ তোলপাড় শুরু হয়। স্থানীয় প্রশাসনও নড়েচড়ে বসে। কিন্তু এখন পর্যন্ত কার্যকর কোনো পদক্ষেপ বা আইনি ব্যবস্থা চোখে পড়েনি।

আশার আলো দেখছেন সরকারি কর্তাব্যক্তিরা

পঞ্চগড়ের এসপি ইউসুফ ঢাকা ট্রিবিউনকে জানান, বর্তমানে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। তিনি বলেন, “যা-ই ঘটুক না কেন, আমরা অবৈধভাবে পাথর উত্তোলন করতে দেব না। বন্ধ হওয়া ড্রেজার মেশিন আর চালু হতে দেব না।”

জেলা প্রশাসক সাবিনা ইয়াসমিন জানান, পঞ্চগড় জেলা প্রশাসন মাঝে-মধ্যেই ড্রেজারবিরোধী অভিযান চালিয়ে আসছে। গত এক বছরে জেলার বিভিন্ন এলাকায় টাস্কফোর্সের অভিযানে ১৬৯টি মেশিন, ২৪টি ড্রাম এবং ২০ হাজার ৭৫ ফুট রিং পাইপ জব্দ ও ধ্বংস করা হয়েছে। 

তেঁতুলিয়া থানার বর্তমান ওসি জহুরুল ইসলাম বলেন, আগে কী হয়েছে জানি না। কিন্তু এখন আর কোথাও বোমা মেশিন চলে না। অসংখ্য মেশিন জব্দ করা হয়েছে, অনেক মেশিন জ্বালিয়ে দেওয়া হয়েছে। প্রভাবশালীসহ বিভিন্ন মহল সহযোগিতা করলে বোমা মেশিন চালু হওয়ার আর কোনো সুযোগ নেই। 

পঞ্চগড় জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও পঞ্চগড় জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আনোয়ার সাদাত সম্রাট জানান, ড্রেজার মেশিন দিয়ে পাথর উত্তোলন বন্ধে পুলিশ সুপারের সিদ্ধান্তকে আমরা সাধুবাদ জানাই। আমাদের জীববৈচিত্র্য, প্রকৃতি ধ্বংস হোক এটা আমরা চাই না। 

তেঁতুলিয়ার সংঘর্ষে প্রকৃত দোষী ও উস্কানিদাতাদের শাস্তির পাশাপাশি নিরীহ পাথর শ্রমিকরা যাতে হয়রানির শিকার না হন সে বিষয়েও প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন তিনি।

79
50
blogger sharing button blogger
buffer sharing button buffer
diaspora sharing button diaspora
digg sharing button digg
douban sharing button douban
email sharing button email
evernote sharing button evernote
flipboard sharing button flipboard
pocket sharing button getpocket
github sharing button github
gmail sharing button gmail
googlebookmarks sharing button googlebookmarks
hackernews sharing button hackernews
instapaper sharing button instapaper
line sharing button line
linkedin sharing button linkedin
livejournal sharing button livejournal
mailru sharing button mailru
medium sharing button medium
meneame sharing button meneame
messenger sharing button messenger
odnoklassniki sharing button odnoklassniki
pinterest sharing button pinterest
print sharing button print
qzone sharing button qzone
reddit sharing button reddit
refind sharing button refind
renren sharing button renren
skype sharing button skype
snapchat sharing button snapchat
surfingbird sharing button surfingbird
telegram sharing button telegram
tumblr sharing button tumblr
twitter sharing button twitter
vk sharing button vk
wechat sharing button wechat
weibo sharing button weibo
whatsapp sharing button whatsapp
wordpress sharing button wordpress
xing sharing button xing
yahoomail sharing button yahoomail