• রবিবার, এপ্রিল ০৫, ২০২০
  • সর্বশেষ আপডেট : ০৬:২৮ সন্ধ্যা

হাসপাতালে কেসিসি কর্মচারীর মৃত্যু, স্বজনদের ভাংচুর

  • প্রকাশিত ১১:২৪ সকাল ফেব্রুয়ারি ৭, ২০২০
খুলনা হাসপাতাল ভাংচুর
ভুল চিকিৎসায় কেসিসি কর্মচারীর মৃত্যুর অভিযোগে হাসপাতালে ভাংচুর করেন স্বজনরা ঢাকা ট্রিবিউন

তবে ভুল চিকিৎসায় নয়, হার্ট অ্যাটাকে ওই ব্যক্তি মারা যান বলে দাবি করেন হাসপাতাল মালিক

খুলনা শহরে আরাফাত হাসপাতাল অ্যান্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টার নামে একটি বেসরকারি হাসপাতালে মারা গেছেন খুলনার সিটি কর্পোরেশনের (কেসিসি) কর্মচারী মো. ইলিয়াস হোসেন (৫৮)। স্বজনদের অভিযোগ, ভুল চিকিৎসায় মারা গেছেন তিনি।

তার মৃত্যুর পর বৃহস্পতিবার (৬ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যা সাড়ে ৭ টার দিকে শহরের লবণচরা বান্দা বাজার এলাকার হাসপাতালটিতে ভাংচুর করেন স্বজনরা।

কেসিসি ৩১ নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিলর অফিসের নিরাপত্তা প্রহরী ছিলেন ইলিয়াস।

ওয়ার্ড কাউন্সিলর আরিফ হোসেন মিঠু বলেন, টনসিলের সমস্যার জন্য পরামর্শ নিতে বৃহস্পতিবার হাসপাতালে গেলে মালিক কামরুজ্জামান তাকে ভর্তি হতে বলেন। বিকেল ৫টায় তার অপারেশন হয়। কিন্তু ভুল চিকিৎসায় অপারেশন টেবিলেই তার মৃত্যু হয়। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ বিষয়টি ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করে। কিন্তু সন্ধ্যা ৭টার দিকে মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়লে ক্ষুব্ধ স্বজনরা হাসপাতালটিতে ভাংচুর চালায়। মৃতের স্বজনদের সঙ্গে পরামর্শ করে মামলা দায়ের করা হবে। ওই ঘটনার পর হাসপাতালে থাকা ৩ জন রোগীকে অন্যত্র যাওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়।

হাসপাতাল মালিক কামরুজ্জামান জানান, বিকেল ৫টার দিকে ইলিয়াসের অপারেশন করেন খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের সাবেক নাক-কান-গলা বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক খান ওমর ফারুক ও তার সহকারী মনিরুল ইসলাম। রোগীকে অজ্ঞান করেছিলেন শেখ আবু নাসের হাসপাতালের অ্যানেসথেশিয়া বিশেষজ্ঞ ডা. আবু তাহের।

তবে ভুল চিকিৎসায় নয়, হার্ট অ্যাটাকে ওই ব্যক্তি মারা যান বলে দাবি করেন হাসপাতাল মালিক।

কাউন্সিলর আরিফ হোসেন মিঠুর অভিযোগ, এর আগেও আরাফাত হাসপাতালে একাধিক ভুল চিকিৎসার ঘটনা ঘটেছে। এজন্য হাসপাতাল মালিক কামরুজ্জামানকে জরিমানাও করা হয়।

উল্লেখ্য, আরাফাত হাসপাতাল অ্যান্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টারটিতে ২০১৯ সালের জুন মাসে ফাতেমা বেগম নামে এক নারীর শরীরে ‘বি নেগেটিভ’ রক্তের পরিবর্তে পুশ করা হয় ‘ও পজেটিভ’ রক্ত। এর পর রোগীর অবস্থা সংকটাপন্ন হয়ে পড়লে রোগীর ক্ষুব্ধ স্বজনরা মালিক মো. কামরুজ্জামানকে মারধর করে অবরুদ্ধ করে রেখেছিলেন। ওই ঘটনার পর শিপইয়ার্ড রোড থেকে স্থানান্তর করে লবণচরা বান্দা বাজার এলাকায় সরিয়ে নেওয়া হয় প্রতিষ্ঠানটিকে।