• রবিবার, এপ্রিল ০৫, ২০২০
  • সর্বশেষ আপডেট : ০৭:১০ রাত

ধর্ষণ ও ভিডিওধারণ: বান্ধবীর মামলায় রিমান্ডে রাবি শিক্ষার্থী

  • প্রকাশিত ০৬:১০ সন্ধ্যা ফেব্রুয়ারি ১০, ২০২০
যৌন হেনস্থা
প্রতীকী ছবি

ভিডিও ইন্টারনেটে ছড়িয়ে দেওয়ার হুমকি দিয়ে চাঁদা দাবি করা হয়

বান্ধবীর দায়ের করা ধর্ষণ ও পর্নোগ্রাফি মামলায় মাহফুজুর রহমান (২১) নামে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) এক শিক্ষার্থীর দুই দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছে আদালত। সোমবার (১০ জানুয়ারি) দুপুরে রাজশাহী মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারক সেলিম রেজা এ আদেশ দেন।

অভিযুক্ত মাহফুজুর রহমান রাবি'র অর্থনীতি বিভাগের দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী। আর মামলার বাদী বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজবিজ্ঞান অনুষদের একটি বিভাগের দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী। তারা উভয়েই বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের রাজনীতিতে জড়িত।

গত ২৭ জানুয়ারি ওই ছাত্রী বাদী হয়ে মতিহার থানায় ধর্ষণ ও পর্নোগ্রাফি আইনে একটি মামলা করেন। এতে চারজনের নাম উল্লেখ এবং অজ্ঞাত আরও দুইজনকে আসামি করা হয়।

মতিহার থানা পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, মামলা দায়েরের পরপরই গ্রেফতার করা হয় মাহফুজুর রহমান সারদ, রাজশাহীর বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় বরেন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী প্লাবন তালুকদার (২১) ও রাফসানকে (২১)। তাদের দেওয়া তথ্যানুযায়ী গত ৭ ফেব্রুয়ারি রাতে জীবন (২৫) ও জয় (২২) নামে স্থানীয় দুই তরুণকে গ্রেফতার করে পুলিশ।

মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, মাহফুজুর রহমানের সাথে ওই ছাত্রীর ৫ মাসের বন্ধুত্ব। গত ২৪ জানুয়ারি রাত সাড়ে ৮টার দিকে গল্প করার কথা বলে ওই ছাত্রীকে কাজলা সাঁকোপাড়া এলাকায় একটি মেসে নিয়ে যায় গিয়ে ধর্ষণ করে মাহফুজুর। কিছুক্ষণ পরে সেখানে উপস্থিত হয় মাহফুজুরেরই বন্ধু প্লাবন সরকার, রাফসান, জীবনসহ অজ্ঞাত আরও কয়েকজন। তারা মাহফুজুরকে মারধর করে ওই নারী ও মাহফুজুরের গলায় অস্ত্র ঠেকিয়ে আবারও ধর্ষণ করতে বাধ্য করে এবং ভিডিও ধারণ করে। পরে ওই ভিডিও ইন্টারনেটে ছড়িয়ে দেওয়ার হুমকি দিয়ে পঞ্চাশ হাজার টাকা চাঁদা দাবি করা হয়।

এদিকে, মতিহার থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এসএম মাসুদ পারভেজ বলেন, মাহফুজুরের কথামতোই তারা ভিডিও ধারণ করেছিল বলে পুলিশকে জানিয়েছে অভিযুক্তদের মধ্যে জীবন নামে একজন।

মামলার আরেক আসামি বিশালকে গ্রেফতারের জন্য অভিযান অব্যাহত রয়েছে বলেও জানান তিনি।