• মঙ্গলবার, এপ্রিল ০৭, ২০২০
  • সর্বশেষ আপডেট : ১০:৫৭ রাত

আইইডিসিআর: চীন ও সিঙ্গাপুর ফেরত সবাইকে আইসোলেশনে রাখার দরকার নেই

  • প্রকাশিত ১২:১০ দুপুর ফেব্রুয়ারি ১৮, ২০২০
করোনাভাইরাস
করোনাভাইরাসে আক্রান্তদের চিকিৎসায় নিয়োজিতরা পিপিই পরে কাজ করছেন। রয়টার্স

'চীনের সব প্রদেশে কোভিড-১৯ মহামারীর প্রাদুর্ভাব ঘটেনি'

চীন ও সিঙ্গাপুর ফেরত সবাইকে হাসপাতালে আইসোলেশনে রাখার প্রয়োজন নেই বলে জানিয়েছেন রোগতত্ত্ব, রোগনিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা ইনস্টিটিউটের (আইইডিসিআর) পরিচালক অধ্যাপক ডা. মীরজাদী সেব্রিনা ফ্লোরা।

সোমবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) রাজধানীর আইইডিসিআর সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত এক প্রেস কনফারেন্সে তিনি এ কথা বলেন বলে ইউএনবি'র একটি খবরে বলা হয়।

তিনি বলেন, "জনসাধারণ এবং বিভিন্ন বিভাগ সংশ্লিষ্টদের কাছ থেকে চীন ও সিঙ্গাপুর ফেরত যাত্রীদের হাসপাতালে আইসোলেশনে রাখার জন্য চাপ দিতে দেখা যায়। কিন্তু ওই দেশ থেকে আসা মানেই এ নয় যে তিনি বা তারা কোভিড-১৯ আক্রান্ত। চীনের সব প্রদেশে কোভিড-১৯ মহামারীর প্রাদুর্ভাব ঘটেনি। চীন ও সিঙ্গাপুর ফেরত সবাইকে হাসপাতালের আইসোলেশনে রাখার প্রয়োজন নেই।"

"চীন ও সিঙ্গাপুর ফেরত যাত্রীদের মধ্যে কোনো সমস্যা পেলেই আমরা স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরামর্শে তাদের কোরেন্টাইনে রাখবো", যোগ করেন তিনি।

এ সময় চীন ও সিঙ্গাপুর ফেরত যাত্রীদের নিয়ে মানুষের মধ্যে একটা ভ্রান্ত ধারণা তৈরি হয়েছে বলে মন্তব্য করেন তিনি।

ঢাকার বাইরের প্রশাসনের প্রতি দৃষ্টি দিয়ে ডা. ফ্লোরা বলেন, "জেলা ও উপজেলার কর্মকর্তাদের কাছে আমাদের অনুরোধ, সিভিল সার্জন বা স্থানীয় স্বাস্থ্য কর্তৃপক্ষের সিদ্ধান্ত ছাড়া নিজ উদ্যোগে কোভিড-১৯ আক্রান্ত বিষয়ে কোনো পদক্ষেপ নেয়া থেকে বিরত থাকুন।"

উল্লেখ্য, ১ ফেব্রুয়ারি চীনের উহান ফেরত ৩১২ বাংলাদেশিকে দেশে ফিরিয়ে আনা হয় এবং তাদের আশকোনায় কোয়ারেন্টিনে ১৪ দিন রাখার পরে নিজ বাড়িতে পাঠানো হয়েছে।

এদিকে, বাংলাদেশে নিযুক্ত চীনা রাষ্ট্রদূত লি জিমিং সোমবার বলেছেন, কিছু কারিগরি সমস্যা করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাবের কেন্দ্রস্থল হুবেই প্রদেশ থেকে রেজিস্ট্রেশন করা বাকি বাংলাদেশিদের দেশে ফেরার পথে বাধা সৃষ্টি করছে।