• শুক্রবার, এপ্রিল ০৩, ২০২০
  • সর্বশেষ আপডেট : ১০:৩৭ রাত

বিকেলে চীন থেকে আসছে করোনাভাইরাস শনাক্তের কিটস

  • প্রকাশিত ০২:৪১ দুপুর ফেব্রুয়ারি ১৮, ২০২০
করোনাভাইরাস
করোনাভাইরাসে আক্রান্তদের চিকিৎসায় নিয়োজিতরা পিপিই পরে কাজ করছেন। রয়টার্স

বাংলাদেশে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত কোনো রোগী পাওয়া গেলে এ জাতীয় কিট আরও সরবরাহ করা হবে

চীনের সরবরাহ করা করোনাভাইরাস সংক্রমণ শনাক্তে "সর্বাধিক উন্নত কিটস"এর প্রথম চালান মঙ্গলবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে আসবে বলে জানা গেছে।

চীনা দূতাবাসের ডেপুটি চিফ অব মিশন এবং কাউন্সেলর ইয়ান হুয়ালং বলেন, "চায়না এয়ারলাইন্সের একটি ফ্লাইটে বিকাল ৩টা ৩০ মিনিটের দিকে কিটসগুলো পৌঁছাবে।" 

কোভিড-১৯ নামের ভাইরাসের বিরুদ্ধে বাংলাদেশের সক্ষমতা বাড়ানোর জন্য চীন ৫০০টি সর্বাধিক উন্নত কিটস দেওয়ার ঘোষণার পর আজ প্রথম চালান আসছে।

এর আগে রবিবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. একে আবদুল মোমেনের সঙ্গে বৈঠকে চীনের রাষ্ট্রদূত লি জিমিং বলেন, "সবচেয়ে খারাপ সময়েও চীন সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিতে ভুলে যায়নি।"

তিনি বলেন, বেইজিং জেনোমিক্স ইনস্টিটিউট থেকে ৫০০ টেস্ট কিট আনছে চীনা দূতাবাস। মঙ্গলবার কিটগুলো বাংলাদেশকে হস্তান্তর করা হবে।

বৈঠক শেষে দূতাবাসের ডেপুটি চিফ অব মিশন এবং কাউন্সেলর ইয়ান হুয়ালং বলেন, "২০১৯ নভেল করোনাভাইরাস (কোভিড-১৯) শনাক্ত করতে এই রিয়েল-টাইম ফ্লুরোসেন্ট আরটি-পিসিআর কিটগুলো ব্যবহার করা যাবে। চীন প্রথমবারের মতো কোনো দেশে এ জাতীয় অনুদান দিয়েছে।"

তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত কোনো রোগী পাওয়া গেলে এ জাতীয় কিট আরও সরবরাহ করা হবে।

পররাষ্ট্রমন্ত্রী মোমেন বলেন, এই প্রক্রিয়াজুড়ে চীন বাংলাদেশের পক্ষে বেশ সহায়তা করছে এবং করোনাভাইরাস প্রাদুর্ভাবের কেন্দ্রস্থল উহান শহর থেকে ৩১২ বাংলাদেশি নাগরিককে ফিরিয়ে আনতে চীন সরকারের সহায়তার কথা স্মরণ করেন।

মঙ্গলবার চীনের বরাত দিয়ে এপি জানিয়েছে, দেশটিতে করোনাভাইরাসে নতুন করে আরও ১ হাজার ৮৮৬ জন আক্রান্ত হয়েছেন। এছাড়া একদিনে ৯৮ জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। এ নিয়ে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১ হাজার ৮৬৮ জনে। মঙ্গলবার পর্যন্ত চীনের মূল ভূখণ্ডে মোট ৭২ হাজার ৩৫৫ জনের আক্রান্তের খবর পাওয়া গেছে।