• মঙ্গলবার, এপ্রিল ০৭, ২০২০
  • সর্বশেষ আপডেট : ০৯:৩৪ রাত

চাঁদাবাজি করতে গিয়ে দুই ভুয়া সাংবাদিক আটক

  • প্রকাশিত ০৯:২৭ রাত ফেব্রুয়ারি ১৯, ২০২০
গাজীপুর ভুয়া সাংবাদিক
ভুয়া দুই সাংবাদিকের নকল পরিচয়পত্র ঢাকা ট্রিবিউন

কারখানার কর্মীরা তাদের মুঠোফোনের ক্যামেরায় অভিযুক্তদের ভিডিও ধারণ করতে গেলে তারা পালানোর চেষ্টা করে

সাংবাদিক পরিচয়ে গাজীপুরের একটি কারখানায় চাঁদাবাজি করতে গিয়ে আটক হয়েছেন দুই ব্যক্তি। তবে পালাতে সক্ষম হয়েছে তাদের সঙ্গে থাকা অপর একজন পালিয়ে গেছে। পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে দু’টি মোটর সাইকেল জব্দ করেছে।

বুধবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে মহানগরের সালনা মোল্লাপাড়া রেলক্রসিং এলাকার ইউনিভার্সাল এক্সেসরিজ এন্ড প্যাকেজিং নামে একটি কারখানা থেকে তাদের আটক করা হয়।

গ্রেফতারকৃতরা হলো- দৈনিক একুশের সংবাদ নামে একটি পত্রিকার স্টাফ রিপোর্টার পরিচয় দেওয়া সাইফুল ইসলাম (৪৩) ও দৈনিক দিগন্তর নামে একটি পত্রিকার স্টাফ রিপোর্টার পরিচয় দেওয়া শিমুল সিকদার (৩৫)। আর পালিয়ে যাওয়া ব্যক্তির নাম শহিদ ইসলাম শহিদ নিজেকে গাজীপুর মহানগর প্রেস ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক হিসেবে পরিচয় দেয়।

তারা সবাই গাজীপুরের ভাড়া বাসায় বসবাস করে আসছে। তবে সাইফুলের বাড়ি ফেনীর সোনাগাজী উপজেলার চর মোহাম্মদপুরে এবং শিমুলের বাড়ি গোপালগঞ্জের কাশিয়ানী উপজেলার মাজরা গ্রামে।

গাজীপুর মেট্রোপলিটন (জিএমপি’র) সদর থানার উপ-পরির্শক (এসআই) জাহিদুর রহমান বাদল ও কারখানার মালিক তাসলিমুল হক কলিন্স জানান, সাংবাদিক পরিচয়ে তিন ব্যক্তি বুধবার কারখানায় এসে কারখানার কাগজপত্র দেখতে চায়। কারখানার বিরুদ্ধে সংবাদ পরিবেশনের হুমকিসহ হয়রানির হুমকি দিয়ে ৫০ হাজার টাকা চাঁদা দাবি করে তারা।

কারখানার কর্মীরা তাদের মুঠোফোনের ক্যামেরায় অভিযুক্তদের ভিডিও ধারণ করতে গেলে তারা পালানোর চেষ্টা করে। তবে সাইফুল ও শিমুলকে পাকড়াও করে কারখানার শ্রমিক এবং স্থানীয়রা। তবে পালিয়ে যায় আরেকজন।

খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে দু’টি মোটর সাইকেলসহ ওই দু’জনকে আটক করে থানায় নিয়ে যায়। আটকদের কাছ থেকে দু’টি পরিচয়পত্র জব্দ করা হয়েছে। এ ঘটনায় চাঁদাবাজির অভিযোগে থানায় মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে।

স্থানীয়দের অভিযোগ, সাম্প্রতিক সময়ে গাজীপুরে সাংবাদিক পরিচয়ে সংঘবদ্ধ কয়েকটি চক্র সাধারণ মানুষ ও ব্যবসায়ীদের হয়রানি করে আসছে। বিভিন্ন ভয়ভীতি দেখিয়ে তারা ব্যবসা প্রতিষ্ঠান, বাড়ি, কারখানা থেকে নিয়মিত চাঁদাবাজি করে আসছে। তবে হয়রানির ভয়ে কেউ মুখ খুলছে না।