• বৃহস্পতিবার, এপ্রিল ০২, ২০২০
  • সর্বশেষ আপডেট : ১০:১৫ সকাল

স্বামীকে মারধরের প্রতিবাদ করায় স্ত্রীকে পুলিশের চড়-থাপ্পড়!

  • প্রকাশিত ১১:২৭ সকাল ফেব্রুয়ারি ২২, ২০২০
মারধর
ভুক্তভোগী দম্পতি। ঢাকা ট্রিবিউন

অভিযুক্ত শ্রীপুর থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) নাহিদ হাসান জানান, জমি নিয়ে বিরোধ থাকায় অভিযোগের ভিত্তিতে সেখানে গিয়েছিলেন। তবে মারধর, টানা-হেঁচড়া ও নারীকে চড়-থাপ্পড় মারার ঘটনা অস্বীকার করেন তিনি

গাজীপুরের শ্রীপুরে জমি কেনার কারনে নূরুল ইসলাম নামে এক ব্যক্তিকে মারধর ও অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করার অভিযোগ পাওয়া গেছে শ্রীপুর থানার
উপ-পরিদর্শক (এসআই) নাহিদ হাসানের বিরুদ্ধে। এসময় বাধা দেওয়ার তার স্ত্রীকে দুইগালে চড়-থাপ্পড় দেওয়ারও অভিযোগ করেন ওই ব্যক্তি। পরে স্থানীয়দের তোপের মুখে ওই দারোগা ও তার সাথে থাকা পুলিশ সদস্যরা দ্রুত ঘটনাস্থল ত্যাগ করেন।

শুক্রবার (২১ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় শ্রীপুর পৌরসভার বেড়াইদেরচালা (২নং সিএন্ডবি) এলাকার নূরুল ইসলাম বাড়িতে এই ঘটনা ঘটে।

নূরুল ইসলাম জানান, একই এলাকার আব্দুল কুদ্দুছের ছেলে নছ মিয়ার কাছ থেকে গত সোমবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) দুই দলিল মূলে ২৬ লাখ ৫০ হাজার টাকা দিয়ে ৭ শতাংশ জমি রেজিস্ট্রি বায়না করে। পরে জমির চারপাশে সীমানা প্রাচীর নির্মাণকাজও শেষে করে। 

এই ঘটনায় শুক্রবার সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় স্থানীয় রাজু মিয়ার ছেলে হুমায়ুনকে সাথে নিয়ে শ্রীপুর থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) নাহিদ হাসান ফোর্স নিয়ে তার বাড়িতে যায়। পরে পুলিশ তার কাছে ওই জমি কেনার কারণ জানতে চায়। উত্তরে কিছু বলার আগেই ওই দারোগার সাথে থাকা পুলিশ সদস্যরা তার শার্টের কলার ধরে টানা-হেঁচড়া শুরু করে। সেসময় তার স্ত্রী প্রতিবাদ করলে পুলিশ তার দুইগালে চড়-থাপ্পড় মারতে থাকে এবং অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ শুরু করে। পরে তার চিৎকারে আশেপাশের লোকজন জড়ো হয়। এসময় তারা ওই দারোগার কাছে নারীকে চড় দেওয়ার কারণ জানতে চায়। পুলিশ স্থানীয়দের তোপের মুখে ঘটনাস্থল থেকে দ্রুত সটকে পড়ে।

অভিযুক্ত শ্রীপুর থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) নাহিদ হাসান জানান, ওই জমি নিয়ে বিরোধ থাকায় স্থানীয় রাজু মিয়ার ছেলে হুমায়ুন ভাইয়ের অভিযোগের ভিত্তিতে তিনি আদালতের আদেশ (১৪৪ ধারা) জারি করতে গিয়েছিলেন। তবে মারধর, টানা-হেঁচড়া ও নারীকে চড়-থাপ্পড় মারার ঘটনা অস্বীকার করে সাংবাদিককে তার সাথে দেখা করতে বলেন।

শ্রীপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) লিয়াকত আলী জানান, “আমি এখনো ঘটনা শুনিনি। তবে খোঁজ নিয়ে দেখে বিষয়টা জানাচ্ছি।”