• বৃহস্পতিবার, এপ্রিল ০২, ২০২০
  • সর্বশেষ আপডেট : ০৯:০৭ সকাল

ছিনতাইয়ের সময় হাতেনাতে ধরা ঢাবি'র দুই শিক্ষার্থী

  • প্রকাশিত ০৭:৩৮ রাত ফেব্রুয়ারি ২২, ২০২০
ঢাবি শিক্ষার্থী
ছিনতাইয়ের অভিযোগে পুলিশের হাতে আটক দুই ঢাবি শিক্ষার্থী আল আমিন (বামে) ও জোবায়ের আহমেদ শান্ত (ডানে)। সংগৃহীত

ঢাবি ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক সাদ্দাম হোসেন বলেন, 'ছাত্রলীগের সদস্য হোক বা না হোক অভিযুক্তদের কোনো ধরনের সহানুভূতি দেখানো হবে না'

ছিনতাই করার সময় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) দুই শিক্ষার্থীকে হাতেনাতে আটক করেছে পুলিশ। শনিবার (২২ ফেব্রুয়ারি) সকালে তাদের আটক করা হয় বলে নিশ্চিত করেছেন শাহবাগ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবুল হাসান।

আটক দুই শিক্ষার্থী হলেন ঢাবি'র আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগের তৃতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী জোবায়ের আহমেদ শান্ত ও অপরাধবিজ্ঞান বিভাগের তৃতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী আল আমিন। তারা দুইজনই বিশ্ববিদ্যালয়ের মুক্তিযোদ্ধা জিয়াউর রহমান হলের আবাসিক শিক্ষার্থী।

ওসি আবুল হাসান জানান, শনিবার ভোর সাড়ে চারটার দিকে চাকা ফেটে যাওয়ায় হাইকোর্টের সামনে ট্রাক থামান এক চালক। এসময় অভিযুক্ত দুই শিক্ষার্থী সেখানে উপস্থিত হয়ে ট্রাকচালকের কাছে টাকা দাবি করেন। কিন্তু ট্রাকচালক কিংবা তার সহকারীর কাছে নগদ কোনও টাকা না থাকায় জোরপূর্বক তাদের রকেট অ্যাকাউন্ট থেকে নিজেদের অ্যাকাউন্টে টাকা ট্রান্সফার করান ওই দুই শিক্ষার্থী।

এরপর আল আমিন ও শান্ত ওই ট্রাকচালকের কাছ থেকে আরও টাকা আদায়ের জন্য মারধর শুরু করেন। এর মধ্যে ট্রাকচালকের সহকারী ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে কাছাকাছি এলাকায় টহলরত পুলিশ সদস্যদের খবর দেন। পুলিশ এসে তাদের হাতেনাতে আটক করে। পরে ঢাবির প্রক্টরিয়াল টিমের সহযোগিতায় আটক দুই শিক্ষার্থীকে শাহবাগ থানায় নিয়ে যায় পুলিশ।

এই ঘটনায় ওই ট্রাকের মালিকের পক্ষে সোহেল রানা নামে এক ব্যক্তি ছিনতাইয়ের অভিযোগে ওই দুই শিক্ষার্থীর বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেছেন। 

এবিষয়ে জানতে চাইলে ঢাবি'র প্রক্টর এ কে এম গোলাম রাব্বানি ঢাকা ট্রিবিউনকে বলেন, "বিশ্ববিদ্যালয়ের দুই শিক্ষার্থীকে আটকের ব্যাপারে আমাদের অবহিত করেছে শাহবাগ থানা। তাদের বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেবে পুলিশ।"

এদিকে, আটক দুই শিক্ষার্থী ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের কর্মী বলে জানা গেছে। এবিষয়ে জানতে চাইলে ঢাবি ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক ও ডাকসুর এজিএস সাদ্দাম হোসেন ঢাকা ট্রিবিউনকে বলেন, "অভিযুক্তরা ছাত্রলীগের সদস্য হোক বা না হোক তাদের প্রতি কোনো সহানুভূতি দেখানো হবে না।"