• শুক্রবার, এপ্রিল ০৩, ২০২০
  • সর্বশেষ আপডেট : ০১:৫৩ দুপুর

দূষিত বাতাসের শহরের তালিকা: আজ ঢাকা দ্বিতীয়

  • প্রকাশিত ১২:২৫ দুপুর ফেব্রুয়ারি ২৩, ২০২০
ঢাকা শহর-ফ্ল্যাট
ঢাকা শহর। মাহমুদ হোসেন অপু/ঢাকা ট্রিবিউন

রবিবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) সকাল ৮টা ২৭ মিনিটে মঙ্গোলিয়ার উলানবাটর ও ভিয়েতনামের হ্যানয় যথাক্রমে ৪১১ ও ২২৬ একিউআই স্কোর নিয়ে তালিকার প্রথম ও তৃতীয় অবস্থানে আসে

বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকায় বসবাসরত সকলেই মারাত্মক স্বাস্থ্যঝুঁকিতে রয়েছেন, কারণ দূষিত বাতাসের শহরের তালিকায় দ্বিতীয় খারাপ অবস্থানে রয়েছে জনবহুল এই শহর।

রবিবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) সকাল ৮টা ২৭ মিনিটে এয়ার কোয়ালিটি ইনডেক্সে (একিউআই) ঢাকার স্কোর ছিল ২৩০, যার অর্থ হচ্ছে এ্  শহরের বাতাসের মান “খুবই অস্বাস্থ্যকর” এবং এ অবস্থায় সবাই মারাত্মক স্বাস্থ্য সমস্যার মুখোমুখি হতে পারেন।

একিউআই মান ২০১ থেকে ৩০০ হলে স্বাস্থ্য সতর্কতাসহ তা জরুরি অবস্থা হিসেবে বিবেচিত হয়। এই অবস্থায় শিশু, প্রবীণ ও অসুস্থ রোগীদের বাড়ির ভেতরে এবং অন্যদের বাড়ির বাইরের কার্যক্রম সীমাবদ্ধ রাখার পরামর্শ দেওয়া হয়ে থাকে।

মঙ্গোলিয়ার উলানবাটর ও ভিয়েতনামের হ্যানয় যথাক্রমে ৪১১ ও ২২৬ একিউআই স্কোর নিয়ে প্রথম ও তৃতীয় স্থানে রয়েছে।

একিউআই স্কোর ৩০১ থেকে ৫০০ বা তারও বেশি হলে বাতাসের মান ঝুঁকিপূর্ণ মনে করা হয়। একিউআই সূচকে ৫০ এর নিচে স্কোর থাকার অর্থ হলো বাতাসের মান ভালো। সূচকে ৫১ থেকে ১০০ স্কোরের মধ্যে থাকলে বাতাসের মান গ্রহণযোগ্য বলে ধরে নেয়া হয়।

রতিদিনের বাতাসের মান নিয়ে তৈরি করা একিউআই সূচক একটি নির্দিষ্ট শহরের বাতাস কতটুকু নির্মল বা দূষিত সে সম্পর্কে মানুষকে তথ্য দেয় এবং তাদের জন্য কোন ধরনের স্বাস্থ্য ঝুঁকি তৈরি হতে পারে তা জানায়।

জনবহুল ঢাকা দীর্ঘদিন ধরেই দূষিত বাতাস নিয়ে হিমশিম খাচ্ছে। মূলত নির্মাণ কাজের নিয়ন্ত্রণহীন ধুলা, যানবাহনের ধোঁয়া, ইটভাটা প্রভৃতি কারণে রাজধানীতে দূষণের মাত্রা চূড়ান্ত পর্যায়ে পৌঁছেছে।

বিশ্বব্যাংক ও পরিবেশ অধিদপ্তরের এক প্রতিবেদনে ঢাকার বায়ুদূষণের প্রধান কারণ হিসেবে শহরের চারপাশে অবস্থিত ইটভাটাকে চিহ্নিত করা হয়েছে।