• শুক্রবার, এপ্রিল ০৩, ২০২০
  • সর্বশেষ আপডেট : ১০:৩৭ রাত

ঠাকুরগাঁওয়ে অজ্ঞাত রোগে ২ জনের মৃত্যু

  • প্রকাশিত ১১:১২ সকাল ফেব্রুয়ারি ২৪, ২০২০
ঠাকুরগাঁও
ঠাকুরগাঁওয়ের বালিয়াডাঙ্গী উপজেলার সনগাঁও গ্রামে অজ্ঞাত রোগে আক্রান্ত হয়ে দু'দিনে একই পরিবারের দু'জনের মৃত্যু হয়েছে ঢাকা ট্রিবিউন

ওই পরিবারের আরও তিনজনকে অসুস্থ অবস্থায় ঠাকুরগাঁও আধুনিক সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে

ঠাকুরগাঁওয়ের বালিয়াডাঙ্গী উপজেলার সনগাঁও গ্রামে অজ্ঞাত রোগে আক্রান্ত হয়ে দু'দিনে একই পরিবারের দু'জনের মৃত্যু হয়েছে।ওই পরিবারের আরও তিনজনকে অসুস্থ অবস্থায় ঠাকুরগাঁও আধুনিক সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

এদিকে শুক্র  ও রবিবার (২১ ও ২৩ ফেব্রুয়ারি) পরপর একই পরিবারের দুইজনের মৃত্যুতে এলাকাজুড়ে শুরু হয়েছে আতঙ্ক।   

ঘটনার পর স্বাস্থ্য বিভাগের একটি প্রতিনিধি দল ওই গ্রাম পরিদর্শন করেছেন এবং আশপাশের লোকজনকে সাবধানতা অবলম্বনের পরামর্শ প্রদান করেছেন।

স্থানীয় স্কুল শিক্ষক সেলিনা পারভীন লাভলি ওই পরিবারের বরাত দিয়ে জানান, শুক্রবার বালিয়াডাঙ্গী উপজেলার সনগাঁও গ্রামের হাফিজুল ইসলামের স্ত্রী মিনা বেগম (৩৫) রাতে হঠাৎ অসুস্থ হয়ে মারা যান। পরেরদিন শনিবার রাতে নিহতের বড় ভাই হাজিরুলের স্ত্রী পশিনা বেগম অসুস্থবোধ করলে স্বজনরা বালিয়াডাঙ্গী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়ে বাড়ি ফিরে গেলে রবিবার ভোরবেলা তার মৃত্যু হয়।

তিনি আরও জানান, এ ঘটনার পর ওই পরিবারের আরো তিনজন অসুস্থ হয়ে পরলে তাদেরকে ঠাকুরগাঁও আধুনিক সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। চিকিৎসক বলছেন তাদের নিবিড় পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে।

স্বজনদের সাথে কথা বলে জানা গেছে, হঠাৎ করে অসুস্থ হয়ে পড়ায় চিকিৎসা  দেওয়ার আগেই মারা যান মিনা বেগম। পরদিন পশিনা বেগম অসুস্থ হলে চিকিৎসা শেষে সুস্থ অবস্থায় বাড়ি ফেরার পরদিন মারা যান তিনি।

ঠাকুরগাঁও সিভিল সার্জন ডা. মো. মাহফুজার রহমান সরকার জানান, এ ঘটনার পর স্বাস্থ্য বিভাগের প্রতিনিধি দল ওই গ্রামে গিয়ে অসুস্থতার কারণ অনুসন্ধান করেছেন। কী কারণে তারা মারা গেলেন বিষয়টি এখনও নিশ্চিত হওয়া যায়নি।  তবে যারা অসুস্থ্ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি আছেন তারা বর্তমানে ভাল আছেন বলেও জানান তিনি।

প্রসঙ্গত, গতবছর ঠাকুরগাঁওয়ের বালিয়াডাঙ্গীতে নিপা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে একই পরিবারের চারজনের মৃত্যু হয়েছিল। স্থানীয় লোকজন এমন অজ্ঞাত রোগে মৃত্যুর কারণ ওই ভাইরাস হতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন।