• শুক্রবার, এপ্রিল ০৩, ২০২০
  • সর্বশেষ আপডেট : ১০:৩৭ রাত

মুক্তিযোদ্ধার ‘ভুয়া’ সনদে চাকরি, কারাগারে ৪ পুলিশ

  • প্রকাশিত ০২:১৯ দুপুর ফেব্রুয়ারি ২৪, ২০২০
আটক
প্রতীকী ছবি

এরআগে ৩০ ডিসেম্বর প্রতারণা ও জালিয়াতির অভিযোগে চার জনের বিরুদ্ধে কোতোয়ালি মডেল থানায় মামলা হয়

যশোরে মুক্তিযোদ্ধার “ভুয়া” সনদ দিয়ে চাকরিতে যোগদানের অভিযোগে দায়েরকৃত মামলায় চার পুলিশ সদস্য আদালতে আত্মসমর্পণ করলে তাদের জামিন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানো হয়।

রবিবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) জেলা জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারক মঞ্জুরুল ইসলাম এই আদেশ দেন। যশোর সদর কোর্টের জিআরও এএসআই রকিব উদ্দিন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। 

ওই পুলিশ সদস্যরা হলেন- কনস্টেবেল রানা হাসান (অ্যান্টি টেরোরিজম ইউনিট), বাপ্পী মাহমুদ (ঝিনাইদহ জেলা পুলিশ), মনিরুজ্জামান (খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশ) ও আলীম উদ্দিন (খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশ)।

মামলার অভিযোগ বলা হয়, ২০১৫ সালে মুক্তিযোদ্ধা কোটায় কনস্টেবল পদে চূড়ান্তভাবে নির্বাচিত হন তারা। ছয় মাসের প্রশিক্ষণ শেষে তাদের বিভিন্ন কর্মস্থলে যোগদান করানো হয়। এরপর তাদের জমা দেওয়া মুক্তিযোদ্ধার সনদ যাচাই-বাছাইয়ে নিয়োগ পাওয়া কয়েকজনের সনদ ভুয়া বলে প্রমাণিত হয়।

পরে মন্ত্রণালয়ের সুপারিশে গত ৩০ ডিসেম্বর প্রতারণা ও জালিয়াতির অভিযোগে চারজনের বিরুদ্ধে কোতোয়ালি মডেল থানায় মামলা হয়।

রবিবার গ্রেফতার এড়াতে ওই চার আসামি  আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিন আবেদন করলে বিচারক তাদের জামিন না মঞ্জুর করে জেলহাজতে পাঠানোর আদেশ দেন।