• শুক্রবার, এপ্রিল ০৩, ২০২০
  • সর্বশেষ আপডেট : ০১:৩৫ দুপুর

মদ্যপ অবস্থায় পুলিশকে পেটালেন যুবলীগ নেতা

  • প্রকাশিত ০৩:৫২ বিকেল ফেব্রুয়ারি ২৪, ২০২০
পেটানো-মারধর
প্রতীকী ছবি

অভিযুক্ত উপজেলা যুবলীগের সভাপতি ও উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান দুলাল মহন্ত এর আগেও গাঁজাসহ পুলিশের হাতে গ্রেফতার হয়েছিলেন

বগুড়ার নন্দীগ্রামে ডিস্ট্রিক স্পেশাল ব্রাঞ্চের (ডিএসবি) কনস্টেবল আবদুল মতিনকে মদ্যপ অবস্থায় মারধর করার অভিযোগে উপজেলা যুবলীগের দুই নেতাকে গ্রেফতার করা হয়েছে। রবিবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) রাতে এই ঘটনা ঘটে বলে নিশ্চিত করেছেন নন্দীগ্রাম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শওকত কবির।

গ্রেফতার দুই যুবলীগ নেতা হলেন, উপজেলা যুবলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক আকতার হোসেন সুমন ও সদস্য প্রশান্ত কুমার। এই ঘটনায় উপজেলা যুবলীগ সভাপতি ও উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান দুলাল চন্দ্র মহন্তসহ ৬ জনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছে।

পুলিশ জানায়, ডিএসবি কনস্টেবল আবদুল মতিন রবিবার রাত সাড়ে ৮টার দিকে নন্দীগ্রাম বাসস্ট্যান্ড এলাকায় দায়িত্ব পালন করছিলেন। এ সময় উপজেলা যুবলীগের সভাপতি, উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান দুলাল চন্দ্র মহন্ত ও তার সঙ্গীরা মদ্যপ অবস্থায় সেখানে আসেন। তারা কনস্টেবল মতিনকে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ ও মারধর করেন। পরে এই ঘটনায় কনস্টেবল মতিন নন্দীগ্রাম থানায় দুলাল চন্দ্র মহন্ত, আকতার হোসেন সুমন, প্রশান্ত কুমারসহ ৬ জনের বিরুদ্ধে মামলা করেন। এর পরপরই পুলিশ বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে আকতার হোসেন সুমন ও প্রশান্ত কুমারকে গ্রেফতার করে। দুলাল আত্মগোপন করায় তাকে গ্রেফতার করতে পারেনি পুলিশ।

এ প্রসঙ্গে জানতে চাইলে জেলা যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক আমিনুল ইসলাম ডাবলু বলেন, "দুলাল চন্দ্র মহন্ত এর আগে গাঁজাসহ পুলিশের হাতে গ্রেফতার হওয়ায় তাকে দল থেকে বহিস্কার করা হয়েছে।"

তবে স্থানীয়রা জানান, উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান দুলালকে যুবলীগ থেকে বহিস্কার করার কোনও প্রমাণ নেই। তিনি এখনও উপজেলা যুবলীগের সভাপতির দায়িত্ব পালন করছেন।

এদিকে, অভিযুক্ত দুলাল মহন্তের ফোন বন্ধ থাকায় তার সাথে যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি।  

নন্দীগ্রাম থানার ইন্সপেক্টর (তদন্ত) আনিসুর রহমান জানান, "কনস্টেবলকে মারপিট করার মামলায় দুই আসামিকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তাদের আদালতের মাধ্যমে জেল হাজতে পাঠানো হয়েছে। উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান দুলাল ও অপর তিনজনকে গ্রেফতারে অভিযান চলছে। দুলালের বিরুদ্ধে আরো একটি মাদকের মামলা রয়েছে।"