• শুক্রবার, এপ্রিল ০৩, ২০২০
  • সর্বশেষ আপডেট : ০১:৫৩ দুপুর

পিলখানা ট্র্যাজেডির ১১তম বার্ষিকী আজ

  • প্রকাশিত ১১:৫৫ সকাল ফেব্রুয়ারি ২৫, ২০২০
পিলখানা হত্যাকাণ্ড
২০০৯ সালের ২৫ ও ২৬ ফেব্রুয়ারি তৎকালীন বিডিআর 'বিদ্রোহের' ঘটনায় ৫৭ জন সেনা কর্মকর্তাসহ ৭৪ জন নিহত হন। সৈয়দ জাকির হোসেন/ঢাকা ট্রিবিউন

২০০৯ সালের এই দিনে হত্যাকাণ্ডে ৫৭ জন সেনা কর্মকর্তাসহ প্রাণ হারান মোট ৭৪ জন

রাজধানীর পিলখানায় তৎকালীন বিডিআর সদরদপ্তরে সংগঠিত নৃশংস হত্যাকাণ্ডের ১১তম বার্ষিকী আজ। ২০০৯ সালের এই দিনে হত্যাকাণ্ডে ৫৭ জন সেনা কর্মকর্তাসহ প্রাণ হারান মোট ৭৪ জন। মঙ্গলবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) সকাল ৯টায় বনানী সামরিক কবরস্থানে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা নিবেদন করা হয়।

রাষ্ট্রপতির পক্ষে নিহতদের কবরে পুষ্পার্ঘ অর্পণ করেন রাষ্ট্রপতির সামরিক সচিব মেজর জেনারেল এস এ শামীম উজ জামান, প্রধানমন্ত্রীর পক্ষে ফুল দেন মেজর জেনারেল নকীব আহমদ।

এছাড়াও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল, সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল আজিজ আহমেদ, ভারপ্রাপ্ত নৌবাহিনী প্রধান রিয়ার অ্যাডমিরাল মোহাম্মদ শাহীন ইকবাল, বিমানবাহিনী প্রধান এযার ফিল্ড মার্শাল মাসিহুজ্জামান সেরনিয়াবাত নিহতদের স্মরণে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানান। পুষ্পস্তবক অর্পণ শেষে শহীদদের সম্মানে এক মিনিট নীরবতা পালন করা হয়।

উল্লেখ্য, ২০০৯ সালে বিডিআর (বর্তমানে বিজিবি) সপ্তাহ চলাকালে ২৫ ফেব্রুয়ারি সশস্ত্র "বিদ্রোহ" করেন বাহিনীর কয়েকশ সদস্য। তাদের হাতে পিলখানা সদরদপ্তরে নিহত হন ৫৭ জন সেনাকর্মর্তাসহ ৭৪ জন।

পরে সরকারের সাথে "বিদ্রোহীদের" আলোচনা শেষে পরদিন ২৬ ফেব্রুয়ারি অস্ত্র, গুলি ও গ্রেনেড জামাদানের মধ্য দিয়ে "বিদ্রোহের" সমাপ্তি হয়।

এই ঘটনায় হত্যা, লুটপাট ও বিদ্রোহের এ ঘটনায় মোট ৫৮টি মামলা দায়ের করা হয়। এর মধ্যে হত্যার এক মামলায় দেশের ইতিহাসে সর্বোচ্চ ১৫২ জনকে মৃত্যুদণ্ড, ৪২৩ জনকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড এবং ২৭৭ জনকে খালাস দেয়া হয়।

অন্যদিকে, বিদ্রোহের জন্য দায়ের করা ৫৭ মামলায় বিডিআরের মোট পাঁচ হাজার ৯২৬ জন সদস্যের বিভিন্ন মেয়াদে (চার মাস থেকে সাত বছর) কারাদণ্ড দেয়া হয়।

পরবর্তীতে নতুন করে ঢেলে সাজানো হয় আধা সামরিক এই বাহিনীকে। বাংলাদেশ রাইফেলসের (বিডিআর) নাম বদলে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) রাখা হয়।