• সোমবার, এপ্রিল ০৬, ২০২০
  • সর্বশেষ আপডেট : ০৫:০৩ সন্ধ্যা

উয়ারী বটেশ্বরে নতুন করে প্রত্নতাত্ত্বিক খনন শুরু

  • প্রকাশিত ০৯:৪১ রাত ফেব্রুয়ারি ২৬, ২০২০
নরসিংদী-উয়ারী
প্রত্নস্থানটিতে নতুন করে খননকাজ শুরু করে ‘ঐতিহ্য অন্বেষণ’। ঢাকা ট্রিবিউন

উয়ারী বটেশ্বর বাংলাদেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ প্রত্নতাত্ত্বিক স্থান। ইতোপূর্বের প্রত্নতাত্ত্বিক খননে এখানে আড়াই হাজার বছরের প্রাচীন সভ্যতার সন্ধান পাওয়া গেছে

নরসিংদীর বেলাবতে উয়ারী বটেশ্বরে নতুন করে খননের প্রত্নতাত্ত্বিক খনন শুরু হয়েছে।

বুধবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) বিকেল ৫টায় বাংলাদেশ সরকারের আর্থিক অনুদানে আমলাব ইউনিয়নের উয়ারী গ্রামে খনন কাজ শুরু করে প্রত্নতত্ত্ব বিষয়ক বেসরকারি প্রতিষ্ঠান “ঐতিহ্য অন্বেষণ”।

প্রত্নতাত্ত্বিক খননকালে উয়ারী গ্রামে একটি উন্মুক্ত জাদুঘরে প্রদশর্নীর ব্যবস্থা থাকবে বলে জানিয়েছেন খনন সংশ্লিষ্টরা।

ঐতিহ্য অন্বেষণের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান ড. নূহ-উল আলম লেনিনের সভাপতিত্বে উদ্ধোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তরের

মহাপরিচালক (অতিরিক্তি সচিব) মো. হান্নান মিয়া, নরসিংদী জেলা পরিষদের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (উপসচিব) মোহাম্মদ আনোয়ারুল নাসের, ঐতিহ্য অন্বেষণের নির্বাহী পরিচালক ও জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রত্নতত্ত্ব বিভাগের অধ্যাপক ড. সুফি মোস্তাফিজুর রহমান, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রত্নতত্ত্ব বিভাগের সভাপতি ড. বুলবুল আহম্মেদ, প্রত্নতাত্ত্বিক মোহাম্মদ হাবিবুল্লাহ পাঠান, বেলাব উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. বেলাল হোসেন, আমলাব ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. বশির আহম্মেদ পরশ মোল্লা প্রমুখ।

পরে একটি আলোচনা সভা ও মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।  

উল্লেখ্য, উয়ারী বটেশ্বর বাংলাদেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ প্রত্নতাত্ত্বিক স্থান। ইতোপূর্বের প্রত্নতাত্ত্বিক খননে এখানে আড়াই হাজার বছরের প্রাচীন দুর্গ-নগর, রাস্তা, পার্শ্ব-রাস্তা, পোড়ামাটির প্রত্নবস্তু, স্বল্প-মূল্যবান পাথর ও কাঁচের পুঁতি, অনুপম স্থাপত্য (কুন্ডু), মুদ্রা-ভান্ডার ইত্যাদিসহ উপমহাদেশের প্রাচীনতম ছাপাঙ্কিত রৌপ্য মুদ্রা

আবিষ্কৃত হয়েছে, যা বাংলাদেশের ইতিহাসে গুরুত্বপূর্ণ সংযোজন। এই গুরুত্বপূর্ণ প্রত্নস্থানে ২০০০ সাল থেকে নিয়মিতভাবে প্রত্নতাত্ত্বিক খনন চালিয়ে আসছে “ঐতিহ্য অন্বেষণ”।