• মঙ্গলবার, এপ্রিল ০৭, ২০২০
  • সর্বশেষ আপডেট : ০৯:৪১ রাত

ওসির বিরুদ্ধে সরিষার তেল আত্মসাতের অভিযোগ!

  • প্রকাশিত ০১:৩১ দুপুর ফেব্রুয়ারি ২৭, ২০২০
যশোর ওসি তেল
ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযানে জব্দকৃত তেল আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে যশোরের বাঘারপাড়া থানার বিদায়ী ওসি'র বিরুদ্ধে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়

জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার জামাল আল নাসের বলেন, বিষয়টি নিয়ে তদন্ত চলছে। দুই-একদিন দিন সময় লাগবে

ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযানে জব্দ করা ২১ ড্রাম (প্রায় সাড়ে নয়শ' কেজি) সরিষার তেল আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে যশোরের বাঘারপাড়া থানার বিদায়ী ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জসিম উদ্দীনের বিরুদ্ধে।

এমন অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছেন জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (খ সার্কেল) জামাল আল নাসের। তবে তদন্তে দোষ প্রমাণিত না হওয়া পর্যন্ত কাউকে অভিযুক্ত করা যাবে না বলে মন্তব্য করেছেন তিনি।

তবে এই অভিযোগ অস্বীকার করেছেন ওসি) জসিম উদ্দীন।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, গত ২০ ফেব্রুয়ারি বাঘারপাড়া উপজেলার নারিকেলবাড়িয়ায় একটি ভেজাল গুড়ের কারখানায় অভিযান চালায় ভ্রাম্যমাণ আদালত। এতে নেতৃত্ব দেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট তানিয়া আফরোজ। অভিযানে প্রায় দশ হাজার কেজি ভেজাল গুড়, আনুমানিক দুই হাজার কেজি ভেজাল সরিষার তেল, বিভিন্ন রাসায়নিক দ্রব্য এবং চিনির খালি বস্তা জব্দ করা হয়।

জব্দ করার সেগুলো বাঘারপাড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জসিম উদ্দীনের হেফাজতে দেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার। ওসি মালামাল বুঝে নিয়ে একটি ট্রাকে করে সেগুলো থানায় নিয়ে যান। পরদিন তা উপজেলা নির্বাহী অফিসারের উপস্থিতিতে বাঘারপাড়া পৌরসভার ময়লাখানায় ধ্বংস করা হয়।

সূত্র আরও জানায়, বিপুল পরিমাণ ভেজাল তেলের মধ্যে থেকে ওসি জসিম উদ্দীন ২১ ড্রাম (প্রতি ড্রামে প্রায় ৪৫ কেজি) থানার ভেতরের পরিত্যক্ত একটি ঘরে লুকিয়ে রাখেন। বিষয়টি জানাজানি হলে ২৫ ফেব্রুয়ারি রাতে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (খ সার্কেল) জামাল আল নাসের তদন্ত করতে বাঘারপাড়া থানায় যান। প্রাথমিক তদন্তে অভিযোগের সত্যতা পাওয়ায় থানায় একটি জিডি (নম্বর ২২২৬) করেন তিনি।

অতিরিক্ত পুলিশ সুপার জামাল আল নাসের বলেন, বিষয়টি নিয়ে তদন্ত চলছে। দুই-একদিন দিন সময় লাগবে। তদন্ত না করে এবিষয়ে কিছু বলা যাবে না।

বাঘারপাড়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার তানিয়া আফরোজ সাংবাদিকদের বলেন, জব্দ করা মামলামাল ওসির হেফাজতে দেওয়া হয়। সেখানে ৪০ ড্রামের মতো তেল ছিল। পরদিন সেগুলো ধ্বংস করার জন্য ময়লাখানায় নেওয়া হয়। তেল ও গুড়ের রঙ একই রকম হওয়ায় তখন গড়মিল আন্দাজ করা যায়নি।

তদন্তে আত্মসাতের বিষয়টি বেরিয়ে আসবে বলে মন্তব্য করেছেন ইউএনও।