• রবিবার, এপ্রিল ০৫, ২০২০
  • সর্বশেষ আপডেট : ০৬:৫১ সন্ধ্যা

ডেঙ্গুতে গত বছর ১৭৯ জনের মৃত্যু

  • প্রকাশিত ০৯:৩৪ রাত ফেব্রুয়ারি ২৭, ২০২০
ডেঙ্গু
প্রতীকী ছবি। বিগস্টক

‘চলতি বছরের মার্চ মাসের প্রথম সপ্তাহে ঢাকায় মশার ঘনত্ব অতীতের সব রেকর্ড ছাড়িয়ে যাবে’

২০১৯ সালে ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে দেশব্যাপী ১৭৯ জনের মৃত্যু হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোল রুম এ তথ্য জানিয়েছে।  

সরকারের রোগতত্ত্ব, রোগনিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা ইনস্টিটিউট (আইইডিসিআর) ২৭৬টি ডেঙ্গুজনিত মৃত্যুর প্রতিবেদন পায়। সবগুলো পর্যালোচনা করে ১৭৯ জনের মৃত্যু ডেঙ্গুজনিত বলে নিশ্চিত করে।

সদ্য সমাপ্ত ২০১৯ সালে দেশে ডেঙ্গু জ্বরের ভয়াবহ প্রাদুর্ভাব দেখা দেয়। গত বছর দেশে এক লাখ ১ হাজার ৩৫৪ জন ডেঙ্গু আক্রান্ত রোগী হাসপাতালে ভর্তি হন। তাদের মধ্যে চিকিৎসা শেষে ছাড়পত্র নিয়ে বাড়ি ফেরেন এক লাখ ১ হাজার ২৭ জন।

এদিকে বৃহস্পতিবার সকাল ৮টা পর্যন্ত গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন কোনো ডেঙ্গু রোগী পাওয়া যায়নি। বর্তমানে একজন ডেঙ্গু রোগী রাজধানীর হাসপাতালে চিকিৎসা নিচ্ছেন।

এ বছর ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে ২৪১ জন হাসপাতালে ভর্তি হন। এর মধ্যে ২৪০ জন চিকিৎসা শেষে বাড়ি ফিরে যান।

ডেঙ্গু জ্বর এক ধরনের মশাবাহিত ভাইরাল ফ্লু। এর প্রভাবে সাধারণত প্রচণ্ড জ্বর, মাথা ব্যথা, বমি বমি ভাব, পেশী এবং জয়েন্টে ব্যথা এবং ত্বকে ফুসকুড়িসহ মারাত্মক কিছু লক্ষণ দেখা দেয়।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও) বলেছে যে সাম্প্রতিক দশকগুলোতে বিশ্বজুড়ে ডেঙ্গুর প্রাদুর্ভাব নাটকীয়ভাবে বেড়েছে। বিশ্বের প্রায় অর্ধেক মানুষ এর ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে। প্রতি বছর প্রায় ৩৯ কোটি মানুষ এ জ্বরে আক্রান্ত হয় বলে অনুমান ডাব্লিউএইচও’র।

সংস্থাটির মতে, ডেঙ্গুর সুনির্দিষ্ট কোনো চিকিৎসা নেই, তবে প্রাথমিক পর্যায়ে শনাক্ত করা গেলে এবং সঠিক চিকিৎসা পেলে আক্রান্তদের মৃত্যুর হার এক শতাংশেরও নিচে নেমে আসে।

প্রসঙ্গত, সম্প্রতি গণমাধ্যমকে দেওয়া এক সাক্ষাতকারে “চলতি বছরের মার্চ মাসের প্রথম সপ্তাহে ঢাকায় মশার ঘনত্ব অতীতের সব রেকর্ড ছাড়িয়ে যাবে” বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাণীবিদ্যা বিভাগের অধ্যাপক কবিরুল বাশার।