• রবিবার, মার্চ ২৯, ২০২০
  • সর্বশেষ আপডেট : ০৯:৩২ রাত

যুক্তরাষ্ট্রে রফতানি হবে দেশে তৈরি ২৬ হাজার স্মার্টফোন

  • প্রকাশিত ০৫:২৮ সন্ধ্যা ফেব্রুয়ারি ২৯, ২০২০
ওয়ালটন
সংগৃহীত

লার্নিং অ্যান্ড আর্নিং প্রজেক্টের মাধ্যমে মুজিববর্ষে ৪০ হাজার শিক্ষিত বেকারকে প্রশিক্ষণ দিয়ে দক্ষ করে গড়ে তোলা হবে

চলতি বছরের মার্চে দেশে তৈরি ২৬ হাজার স্মার্টফোন যুক্তরাষ্ট্রে রফতানি করা হবে বলে জানিয়েছেন ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক।

শনিবার (২৯ ফেব্রুয়ারি) পঞ্চগড় সদর উপজেলার মফিজার রহমান ডিগ্রী কলেজ মাঠে নির্মাণাধীন ট্রেনিং সেন্টারের ভিত্তিপ্রস্তর উদ্বোধনকালে তিনি এ কথা বলেন।

জুনাইদ আহমেদ পলক বলেন, "স্মার্টফোন, ল্যাপটপ ও স্মার্ট টেলিভিশন এখন দেশেই তৈরি করে রফতানির উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। ১ মার্চ বাংলাদেশে তৈরি ওয়ালটনের ২৬ হাজার স্মার্টফোন প্রযুক্তি যুক্তরাষ্ট্রে রফতানি করা হবে। ওয়ালটন ১৮ লাখ ফ্রিজ উৎপাদন করে দেশে ও বিদেশে রফতানি করছে।"

আইসিটি প্রতিমন্ত্রী বলেন, "গত ৩ বছরে বাংলাদেশে ১১টি ম্যানুফাকচারিং এবং অ্যাসেম্বলিং প্ল্যান্ট স্থাপিত হয়েছে। লার্নিং অ্যান্ড আর্নিং প্রজেক্টের মাধ্যমে মুজিববর্ষে ৪০ হাজার শিক্ষিত বেকারকে প্রশিক্ষণ দিয়ে দক্ষ করে গড়ে তোলা হবে। তারা যেন প্রযুক্তি ব্যবহার করে ঘরে বসেই নিজের আত্মকর্মসংস্থানের সুযোগ পায় সে ব্যবস্থা করা হবে।"

শনিবার পঞ্চগড় সদর উপজেলার মফিজার রহমান ডিগ্রী কলেজ মাঠে নির্মাণাধীন ট্রেনিং সেন্টারের ভিত্তিপ্রস্তর উদ্বোধন উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক। ঢাকা ট্রিবিউন

পলক আরও বলেন, "২০০৮ সালে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা উন্নত প্রযুক্তি নির্ভর ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার প্রকল্প দিয়েছেন। তার সুযোগ্য সন্তান সজীব ওযাজেদ জয়ের পরামর্শে ইতোমধ্যে আমরা দ্রুত সেই লক্ষ্য পূরণে এগিয়ে যাচ্ছি। আমাদের আইসিটি সেক্টরে ১০ লাখ তরুণ-তরুণী কর্মসংস্থান পেয়েছে। ইতোমধ্যে ৬ লাখ ফ্রিলান্সার কাজ করছে। সেই সঙ্গে প্রায় ২ লাখ মানুষ সফটওয়্যার টেকনোলজিতেও কাজ করছে। লক্ষাধিক ছেলে-মেয়ে কল সার্ভিসে কাজ করছেন। ৫০ হাজারও বেশি ছেলে-মেয়ে ই-কমার্সে কাজ করছেন।

প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, "শিক্ষিত বেকারদের আত্মকর্মসংস্থানের লক্ষ্যে দেশের ৬৪টি জেলায় শেখ কামাল আইটি ট্রেনিং ইনকুবেশন সেন্টার স্থাপনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। ইতিমধ্যে ৮টি শেখ কামাল আইটি ট্রেনিং ইনকুবেশন সেন্টার নির্মাণের কাজ চলছে ও ১১টি সেন্টার নির্মাণ প্রক্রিয়াধীন। এতে করে লাখ লাখ উদ্যোক্তা সৃষ্টির মধ্য দিয়ে দেশে প্রযুক্তিনির্ভর কর্মসংস্থান সৃষ্টি হবে।"

নির্মাণাধীন ট্রেনিং সেন্টারের ভিত্তিপ্রস্তর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে পঞ্চগড়-১ আসনের সংসদ সদস্য মো. মজাহারুল হক প্রধান, জেলা প্রশাসক সাবিনা ইয়াসমিন, পুলিশ সুপার মোহাম্মদ ইউসুফ আলী, জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আনোয়ার সাদাত সম্রাট, সদর উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান আমিরুল ইসলাম প্রমুখ বক্তব্য রাখেন।