• রবিবার, মার্চ ২৯, ২০২০
  • সর্বশেষ আপডেট : ০৮:৪৩ রাত

ধর্ষণের আসামিকে জামিন দেওয়ায় ট্রাইব্যুনালের বিচারককে তলব

  • প্রকাশিত ০৭:০৪ রাত মার্চ ১২, ২০২০
হাইকোর্ট
হাইকোর্ট। ঢাকা ট্রিবিউন

‘সর্বোচ্চ আদালতের স্থগিতাদেশ থাকার পরও আসামিকে নিম্ন আদালতে জামিন দেওয়া আদালত অবমাননার শামিল। এভাবে জামিন দেওয়ার কোনো সুযোগ নেই’

আপিল বিভাগে জামিন স্থগিত থাকার পরও ধর্ষণ মামলার আসামিকে জামিন দেওয়ায় ঢাকার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-৭ এর বিচারক বেগম কামরুন নাহারকে তলব করেছে সর্বোচ্চ আদালত।

আগামী ২ এপ্রিল তাকে আদালতে হাজির হয়ে এ বিষয়ে ব্যাখ্যা দিতে বলা হয়েছে। একই সাথে আপিল বিভাগ আসামি আসলাম শিকদারকে দেওয়া ট্রাইব্যুনালের জামিন আদেশ বাতিল করেছে এবং তাকে দুই সপ্তাহের মধ্যে নিম্ন আদালতে আত্মসমর্পণ করতে বলা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (১২ মার্চ) প্রধান বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেনের নেতৃত্বাধীন ৭ বিচারপতির পূর্ণাঙ্গ আপিল বেঞ্চ এ আদেশ দেয়।

মামলার বিবরণে জানা যায়, এক নারীকে ধর্ষণের অভিযোগে এটিএন বাংলার সাবেক প্রোগাম প্রডিউসার আসলামের বিরুদ্ধে রাজধানীর হাতিরঝিল থানায় ২০১৮ সালের ১৩ সেপ্টেম্বর মামলা করা হয় এবং ওইদিনই তাকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। পরদিন তাকে কারাগারে পাঠানো হয়।

এ মামলায় গত বছরের ১৮ জুন হাইকোর্ট তাকে জামিন দেয়। পরে রাষ্ট্রপক্ষের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ২৫ জুন আপিল বিভাগের চেম্বার আদালত জামিন স্থগিত করে। এমন অবস্থায় গত ২ মার্চ ঢাকার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-৭ এর বিচারক বেগম কামরুন নাহার তাকে জামিন দেন।

বিষয়টি বৃহস্পতিবার আপিল বিভাগের নজরে আনেন অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম। তিনি আদালতে বলেন, সর্বোচ্চ আদালতের স্থগিতাদেশ থাকার পরও আসামিকে নিম্ন আদালতে জামিন দেওয়া আদালত অবমাননার শামিল। এভাবে জামিন দেওয়ার কোনো সুযোগ নেই।

তখন প্রধান বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেন ওই মামলার নথি তলব করলে আপিল বিভাগের রেজিস্ট্রার বদরুল আলম ভূইয়া ঢাকার নিম্ন আদালতে গিয়ে তাৎক্ষণিক নথি নিয়ে আসেন। পরে আপিল বিভাগে উপস্থাপন করা নথি পর্যালোচনা করে উপরোক্ত আদেশ দেওয়া হয়।