• মঙ্গলবার, মার্চ ৩১, ২০২০
  • সর্বশেষ আপডেট : ০১:০১ দুপুর

করোনাভাইরাস: কক্সবাজারে পর্যটক সমাগমে বিধি-নিষেধ

  • প্রকাশিত ০৯:১৪ রাত মার্চ ১৮, ২০২০
কক্সবাজার সমুদ্র সৈকত
সৈয়দ জাকির হোসেন/ঢাকা ট্রিবিউন

কক্সবাজার ছাড়াও ইতোমধ্যে সিলেট, মৌলভীবাজার, চট্টগ্রাম এবং বান্দরবানের সব পর্যটন কেন্দ্রে পর্যটকদের যাতায়াত নিষিদ্ধ করা হয়েছে

করোনাভাইরাস (কোভিক-১৯) প্রতিরোধে জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে কক্সবাজারের হোটেল, মোটেল জোন ও সৈকত এলাকায় সকল প্রকার জনসমাগম ও পর্যটক আগমনে নিরুৎসাহিত করা হয়েছে।

বুধবার (১৮ মার্চ) বিকেল থেকে জেলা প্রশাসন ও ট্যুরিস্ট পুলিশের পক্ষ থেকে সৈকত এলাকায় পর্যটকদের মাঝে করোনাভাইরাসের ঝুঁকি নিয়ে সচেতনতামূলক প্রচারণা চালানো হয় এবং তাদেরকে স্ব-স্ব বাড়িতে ফিরে যেতে বলা হয়। এ সময় সৈকত এলাকা ফাঁকা হয়ে যায়।

অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) আল আমিন পারভেজের নেতৃত্বে জেলা প্রশাসনের একটি দল সৈকতে প্রচারণা চালান।

আল আমিন পারভেজ সাংবাদিদের বলেন, “করোনাভাইরাসের ঝুঁকি এড়াতে হোটেল-মোটেল জোনে সভা সমাবেশ ও অনুষ্ঠানের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়েছে। এছাড়া সৈকত এলাকায় পর্যটকদের নিরুৎসাহিত করা হচ্ছে।”


আরও পড়ুন - সিলেটের পর্যটন কেন্দ্রে লোক সমাগমে নিষেধাজ্ঞা


ট্যুরিস্ট পুলিশের কক্সবাজার জোনের সহকারী পুলিশ সুপার ফকরুল ইসলাম জানান, করোনাভাইরাসের ঝুঁকি এড়াতে সৈকত এলাকায় পর্যটকদের নিরুৎসাহিত করা হচ্ছে।

অপরদিকে, কক্সবাজারের সিভিল সার্জন ডা. মাহবুবুর রহমান জানিয়েছেন, কক্সবাজার জেলায় কোথাও এ পর্যন্ত করোনাভাইরাসে আক্রান্ত ব্যক্তি পাওয়া যায়নি। তবে চারজন বিদেশফেরত ব্যক্তিকে হোম কোয়ারেন্টাইনে রাখা হয়েছে।

এদিকে বুধবার বিদেশফেরত তিন প্রবাসীকে হোম কোয়ারেন্টাইনের নির্দেশ অমান্য করায় ৪০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে বলে নিশ্চিত করেছেন অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ শাজাহান আলী।

প্রসঙ্গত, করোনাভাইরাস ছড়িয়ে পড়া রোধে দেশের জনপ্রিয় পর্যটন কেন্দ্রগুলোতে ভ্রমণের ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি করছে স্থানীয় প্রসাশন। কক্সবাজার ছাড়াও ইতোমধ্যে সিলেট, মৌলভীবাজার, চট্টগ্রাম এবং বান্দরবানের সব পর্যটন কেন্দ্রে পর্যটকদের যাতায়াত নিষিদ্ধ করা হয়েছে।


আরও পড়ুনকরোনাভাইরাস: পতেঙ্গা সৈকতে জনসমাগম নিষিদ্ধ