• রবিবার, মার্চ ২৯, ২০২০
  • সর্বশেষ আপডেট : ০৮:৪৩ রাত

করোনাভাইরাস: ঘিরে ফেলা হয়েছে টাঙ্গাইলের সখীপুর উপজেলা

  • প্রকাশিত ০৪:৩০ বিকেল মার্চ ২৫, ২০২০
টাঙ্গাইল-সখীপুর
করোনাভাইরাস সংক্রমণ এড়াতে টাঙ্গাইলের সখীপুর উপজেলাকে ঘিরে ফেলে মানুষকে হোম কোয়ারেন্টিনে থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে ঢাকা ট্রিবিউন

বুধবার সকাল থেকেই সখীপুরে প্রবেশের রাস্তায় ২৩টি পয়েন্টে সড়কে বাঁশের বেড়া দেওয়া হয়েছে

প্রবাসী অধ্যুষিত টাঙ্গাইলের সখীপুরের পুরো উপজেলার মানুষকে হোম কোয়ারেন্টিনে রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে প্রশাসন। বুধবার (২৫ মার্চ) সকাল থেকেই এই কার্যক্রম শুরু হয়েছে। এর আগে মঙ্গলবার সন্ধ্যায় উপজেলা করোনাভাইরাস প্রতিরোধ কমিটির সভায় এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। 

সভায় সভাপতিত্ব করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আসমাউল হুসনা লিজা।

উপজেলা প্রশাসনের এই পদক্ষেপের ফলে উপজেলার পাঁচ লাখেরও বেশি অধিবাসী পরবর্তী ঘোষণা না দেওয়া পর্যন্ত হোম কোয়ারেন্টিনে থাকবেন। বাইরের কোনো এলাকা এমনকি জেলার অন্যান্য উপজেলা থেকে কোনো পরিবহন ও মানুষজন সখীপুর উপজেলায় আসা-যাওয়া করতে পারবেন না। 

বুধবার সকাল থেকেই সখীপুরে প্রবেশের রাস্তায় ২৩টি পয়েন্টে সড়কে বাঁশের বেড়া দেওয়া হয়েছে। গুরুত্বপূর্ণ জায়গায় সার্বক্ষণিকভাবে পুলিশ ও গ্রাম পুলিশ মোতায়েন রয়েছে। তবে ওষুধ, কাঁচামাল ও মুদি দোকান খোলা রাখার অনুমতি দেওয়া হয়েছে। 

উপজেলা প্রশাসন সূত্রে জানা যায়, চলতি মাসে উপজেলার বিভিন্ন গ্রামে ৬৪৭ প্রবাসী দেশে ফিরেছেন। তাদের ৩২৭ জনকে হোম কোয়ারেন্টিনে রাখা হয়েছে। তবে অনেকেই হোম কোয়ারেন্টিনে থাকার নির্দেশ মানছেন না। অনেক প্রবাসীকেই পাসপোর্টে উল্লেখিত ঠিকানায় পাওয়া যাচ্ছে না। নিয়ম না মেনে তাদের অবাধ ঘোরাঘুরির কারণে করোনাভাইরাস সংক্রমণের ঝুঁকি রয়েছে। বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে পুরো উপজেলার মানুষকেই হোম কোয়ারেন্টিনে রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

সখীপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আমির হোসেন বলেন, উপজেলার সব বাজারের দোকানপাট ও চলাফেরা বন্ধ থাকবে। প্রয়োজন ছাড়া কেউ ঘর থেকে বের হতে পারবেন না। অন্য উপজেলা থেকে কেউ যাতে সখীপুরে না ঢুকতে পারেন সেজন্য ২৩টি পয়েন্টে পুলিশ, আনসার ও গ্রাম পুলিশ মোতায়েন রয়েছে। এছাড়াও সেনাবাহিনী ও অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা নিয়মিত টহল দিচ্ছেন। 

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আসমাউল হুসনা লিজা বলেন, সখীপুর উপজেলাটি প্রবাসী অধ্যুষিত হওয়ায় উপজেলা করোনাভাইরাস প্রতিরোধ কমিটির জরুরি সভায় সংক্রমণ এড়াতে এমন সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।