• রবিবার, এপ্রিল ০৫, ২০২০
  • সর্বশেষ আপডেট : ১১:০৭ সকাল

খুলনা মেডিকেলে শুধুই হবে কোভিড-১৯ আক্রান্তদের চিকিৎসা

  • প্রকাশিত ১১:১৪ সকাল মার্চ ২৬, ২০২০
খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল ভবন
খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল ভবন ঢাকা ট্রিবিউন

অন্যান্য রোগীদের নিরাপত্তার বিষয়টি বিবেচনা করেই পুরো হাসপাতালে কেবল করোনাভাইরাস আক্রান্ত রোগীদের সেবা দেওয়া হবে

নভেল করোনাভাইরাস সৃষ্ট রোগকোভিড-১৯  আক্রান্ত মানুষকে সেবা দিতে পুরো খুলনা মেডিকেল কলেজ (খুমেক) হাসপাতালকে করোনা আইসোলেশন ইউনিট ও কোয়ারেন্টিনে রূপান্তর করা হচ্ছে। প্রাথমিক সিদ্ধান্তের ভিত্তিতে ইতোমধ্যে এ লক্ষ্যে কাজ শুরু হয়েছে। আগামী সপ্তাহের শুরুতেই বিষয়টি চূড়ান্ত হবে বলে জানা গেছে।

বুধবার (২৫ মার্চ) খুলনা সিটি কর্পোরেশনের (কেসিসি) মেয়রের সঙ্গে প্রথম দফার বৈঠকে এ বিষয়ে সংশ্লিষ্টরা সবাই একমত হয়েছেন। বৈঠকে খুমেক হাসপাতালের পরিচালক ডা. এটিএম মঞ্জুর মোর্শেদ, জেলা সিভিল সার্জন ডা. সুজাত আহমেদসহ "করোনা প্রতিরোধ কমিটির" সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন। আগামী রবি অথবা সোমবার কেসিসি মেয়র তালুকদার আব্দুল খালেকের সঙ্গে আরেকদফা বৈঠকের পর বিষয়টি চূড়ান্ত হবে।

খুমেক হাসপাতালের পরিচালক ডা. এটিএম মঞ্জুর মোর্শেদ ঢাকা ট্রিবিউনকে এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

তিনি বলেন, নভেল করোনাভাইরাসের কারণে সৃষ্ট পরিস্থিতিতে স্বাস্থ্য কর্মকর্তাদের পদক্ষেপের বিষয়ে বৈঠকে আলোচনা হয়। সিটি মেয়র পুরো খুমেক হাসপাতালটিকেই করোনা ইউনিট ও কোয়ারেন্টিনের জন্য বরাদ্দ করার প্রস্তাব দিয়েছেন। তার প্রস্তাবে বৈঠকে উপস্থিত বাকিরা সম্মত হয়েছেন। সে অনুযায়ী, খুমেক হাসপাতালে আপাতত করোনাভাইরাস আক্রান্ত কিংবা সন্দেহভাজন আক্রান্ত ছাড়া কোনো রোগী ভর্তি বা চিকিৎসা সেবা না দেওয়ার বিষয়ে মতামত পাওয়া যায়।

অন্যান্য রোগীদের নিরাপত্তা বিবেচনা করেই হাসপাতালে কেবল করোনাভাইরাস আক্রান্ত রোগীদের সেবা দেওয়া হবে।

সিভিল সার্জন ডা. সুজাত আহমেদ বলেন, পুরো খুমেক হাসপাতালকেই করোনা ইউনিটে রূপান্তরের প্রক্রিয়া চলছে। আগামী রবি বা সোমবার এ বিষয়ে সিটি মেয়রের সঙ্গে ফের বৈঠক হবে। ওই বৈঠকের পর সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত হলে খুলনা জেনারেল হাসপাতালে সর্দি-কাশি-জ্বরের রোগীদের চিকিৎসা সেবা দেওয়া হবে।

এদিকে, করোনাভাইরাস আক্রান্ত রোগীদের চিকিৎসায় নিয়োজিত চিকিৎসকদের জন্য এখনও পার্সোনাল প্রোটেক্টিভ ইউনিট (পিপিই) হাসপাতালে পৌঁছেনি। পরিবহন বন্ধ থাকায় এ সমস্যা হয়েছে জানিয়ে সিভিল সার্জন বলেন, এক হাজার পিপিই আনার বিষয়ে কথা হয়েছে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে।