• বুধবার, সেপ্টেম্বর ২২, ২০২১
  • সর্বশেষ আপডেট : ০৯:১৬ রাত

শ্রিংলার ঢাকা সফর, কী বলছে ভারতীয় গণমাধ্যম?

  • প্রকাশিত ১০:৩১ রাত আগস্ট ১৯, ২০২০
ভারতীয়-গণমাধ্যম
২০১৯ সালের ২২ এপ্রিল বড়দিনে শ্রীলঙ্কায় বোমা হামলার পরদিন রাস্তার ধারে পত্রিকা সাজাচ্ছেন দুই হকার। এএফপি

শ্রিংলার সফরকে ঘিরে ভারতীয় গণমাধ্যমে একটি গুঞ্জন তৈরি হয়েছে যে, তিনি তিস্তার পানি ও বাংলাদেশ-চীন সম্পর্ক নিয়ে আলোচনার জন্য ঢাকা সফর করছেন

ভারতীয় পররাষ্ট্র সচিব হর্ষ বর্ধন শ্রিংলার বাংলাদেশে দুই দিনের ঝটিকা সফরে উভয় দেশেই মানুষের কাছেই খুব আগ্রহের জন্ম দিয়েছে। 

শ্রিংলার সফরকে ঘিরে ভারতীয় গণমাধ্যমে একটি গুঞ্জন তৈরি হয়েছে যে, তিনি তিস্তার পানি ও বাংলাদেশ-চীন সম্পর্ক নিয়ে আলোচনার জন্য ঢাকা সফর করছেন। ভারতীয় গণমাধ্যমও দাবি করছে যে, সাম্প্রতিক সময়ে নয়াদিল্লির সাথে ঢাকার সম্পর্কের অবনতি হয়েছে। 

যদিও, দু’দিনের সফরের শেষ দিনে ভারতের পররাষ্ট্রসচিব তার ঢাকা সফরকে “অত্যন্ত সন্তোষজনক” বলে বর্ণনা করেছেন। 

শ্রিংলার সফরকে কেন্দ্র করে ভারতের বাংলা দৈনিক আজকালের এক প্রতিবেদনে বলা হয়, “বাংলাদেশে একটি বিমানবন্দর তৈরিতে ঢাকাকে সহযোগিতার ঘোষণা দিয়েছিল ভারত। কিন্তু সম্প্রতি চীন তিস্তা সেচ প্রকল্পের জন্য ১ বিলিয়ন ডলার সাহায্যের ঘোষণা দিয়েছে। এর পরে দিল্লি আর চুপ করে থাকতে পারেনি।”

“তিস্তা প্রকল্পে চীনের সাহায্য, শীঘ্রই ঢাকায় ভারতের পররাষ্ট্রসচিব” শীর্ষক ওই প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, “করোনাভাইরাস প্রতিরোধে মার্চের শেষ দিকে দেশে লকডাউন ঘোষণা করা হয়। তারপর শ্রিংলা এই প্রথম বিদেশ সফরে যাচ্ছেন। তিনি আজ দেশটির প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সাথে বৈঠক করবেন। লকডাউনের পর শেখ হাসিনাও প্রথমবারের মতো কোনও বিদেশি অতিথির সাথে বৈঠক করবেন।”


আরও পড়ুন - পররাষ্ট্রমন্ত্রী: ভ্যাকসিন নিয়ে আলোচনা করতে এসেছেন শ্রিংলা


অপর একটি জনপ্রিয় বাংলা দৈনিক আনন্দবাজার পত্রিকা “হাসিনার সঙ্গে হঠাৎ বৈঠকে বিদেশসচিব” শিরোনামে লিখেছে, শ্রিংলা দু’দিনের আকস্মিক সফরে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সাথে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন।

“দুই দেশের পারস্পরিক সহযোগিতার ক্ষেত্রে দিল্লির ‘বিশেষ বার্তা’ নিয়ে এসেছেন বিদেশসচিব” ঢাকায় ভারতীয় হাইকমিশনার রিভা গাঙ্গুলি দাসের এই উদ্বৃতি দিয়েছে পত্রিকাটি।    

জি নিউজ শিরোনামে বলা হয়, “ঢাকা সফরে বিদেশ সচিব, তিস্তা নিয়ে আলোচনা করবেন শেখ হাসিনার সাথে”। 

বহু ভাষার জনপ্রিয় এই ভারতীয় সংবাদমাধ্যম লিখেছে, “তিস্তার জল বন্টন নিয়ে নয়াদিল্লি ও ঢাকার মধ্যে উত্তেজনা নতুন নয়। এরই মধ্যে, বেইজিং সম্প্রতি তিস্তা সেচ প্রকল্পে ঢাকার জন্য বিপুল পরিমাণ সহায়তার ঘোষণা দিয়েছে। এ ধরনের পরিবেশে তড়িঘড়ি সফর ভারত-বাংলাদেশের মধ্যে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক জোরদার করতে এবং সামগ্রিক পরিস্থিতির এক আভাস পেতে।”

“চীনের তিস্তা পরিকল্পনা: বিদেশসচিব আজ বাংলাদেশ সফর করতে পারেন” শিরোনাম ছিল ইংরেজি ভাষার দৈনিক দ্য হিন্দুর।


আরও পড়ুন - প্রধানমন্ত্রীর সাথে শ্রিংলার সাক্ষাৎ: দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক এগিয়ে নেয়ার অঙ্গীকার


পত্রিকাটির লিখেছে, “তিস্তা সেচ প্রকল্পের জন্য বাংলাদেশ চীন থেকে ১ বিলিয়ন ডলার সহায়তা পাবে, যা ভারতের সাথে পানি ভাগাভাগির আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু ছিল।”

শিরোনামটি ইঙ্গিত দেয় যে, তিস্তা প্রকল্পে চীনা বিনিয়োগকে লক্ষ্য করেই বাংলাদেশ সফরে এসেছিলেন শ্রিংলা। 

“চীনের প্রভাব মোকাবিলার জন্য বিদেশসচিব বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সাথে বৈঠক করেছেন”- শিরোনামে “এশিয়ান এইজ” লিখেছে, “দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক এগিয়ে নিতে, বিশেষত প্রকল্পসমূহের তদারকি করার জন্য পররাষ্ট্রমন্ত্রী পর্যায়ে একটি যৌথ পরামর্শক কমিশন গঠনের দিকে অগ্রসর হচ্ছে দুই দেশ।”

নিউজ এইটিন লিখেছে, ভারত তার বন্ধুরাষ্ট্র বাংলাদেশকে শান্ত করার চেষ্টা করছে, যার প্রক্রিয়া হিসেবে ঢাকায় নিযুক্ত সাবেক দূত শ্রিংলা দ্রুত সেখানে যান। 

নয়াদিল্লি বিবেচনা করছে, “ভারতের প্রতিবেশীগুলোতে বিনিয়োগের জন্য চীনা ঝুঁকির বিষয়ে উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েছে। তিস্তা নদীর সাথে সম্পর্কিত একটি প্রকল্পের জন্য চীনাদের সম্ভাব্য ঋণ তার সর্বশেষ ট্রিগার।”


আরও পড়ুন - শ্রিংলা: বাংলাদেশকে সবসময়ই অগ্রাধিকার দেয় ভারত


“ভারত ও বাংলাদেশ আট বছর ধরে তিস্তা নদীর পানি বন্টন চুক্তিতে স্বাক্ষর করতে পারছে না। চুক্তিটির বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী মনমোহন সিং ও প্রধানমন্ত্রী মোদী উভয়ই থমকে গিয়েছেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের আপত্তির কারণে।”

“যদিও তিস্তা চুক্তি বিষয়ে কোনো তথ্য জানানো হয়নি।”

এ বিষয়ে, পররাষ্ট্রসচিব মাসুদ বিন মোমেন বলেন, বিভিন্ন নিউজ পোর্টালের বেশ কয়েকটি মিথ্যা ও নেতিবাচক খবর নিয়ে আলোচনা করেছে ঢাকা ও দিল্লি।

“আমি তাদের প্রতি দৃষ্টি আকর্ষণ করছি,” বলেন মোমেন। 

“আমরা একমত হয়েছি যে, আমাদের মূলধারার যে মিডিয়া রয়েছে, আমাদের সম্পর্কের বর্তমান অবস্থা আরও ভাল, আমরা আপনার সাথে আলোচনার মাধ্যমে এই বার্তাটি পৌঁছে দেওয়ার চেষ্টা করব,” মাসুদ সাংবাদিকদের বলেন।

53
Facebook 50
blogger sharing button blogger
buffer sharing button buffer
diaspora sharing button diaspora
digg sharing button digg
douban sharing button douban
email sharing button email
evernote sharing button evernote
flipboard sharing button flipboard
pocket sharing button getpocket
github sharing button github
gmail sharing button gmail
googlebookmarks sharing button googlebookmarks
hackernews sharing button hackernews
instapaper sharing button instapaper
line sharing button line
linkedin sharing button linkedin
livejournal sharing button livejournal
mailru sharing button mailru
medium sharing button medium
meneame sharing button meneame
messenger sharing button messenger
odnoklassniki sharing button odnoklassniki
pinterest sharing button pinterest
print sharing button print
qzone sharing button qzone
reddit sharing button reddit
refind sharing button refind
renren sharing button renren
skype sharing button skype
snapchat sharing button snapchat
surfingbird sharing button surfingbird
telegram sharing button telegram
tumblr sharing button tumblr
twitter sharing button twitter
vk sharing button vk
wechat sharing button wechat
weibo sharing button weibo
whatsapp sharing button whatsapp
wordpress sharing button wordpress
xing sharing button xing
yahoomail sharing button yahoomail