• বুধবার, ডিসেম্বর ০৮, ২০২১
  • সর্বশেষ আপডেট : ১২:৪৪ রাত

ইভ্যালি কি আদৌ গ্রাহকের পাওনা ফেরত দিতে পারবে?

  • প্রকাশিত ০৬:৪৮ সন্ধ্যা সেপ্টেম্বর ২১, ২০২১
রাসেল-শামীমা-ইভ্যালি
মঙ্গলবার আদালতে তোলা হয় ইভ্যালির রাসেল-শামীমা দম্পতিকে মাহমুদ হোসেন অপু/ঢাকা ট্রিবিউন

ইভ্যালির দাবি অনুযায়ী, তাদের দায় ৫৪৩ কোটি টাকা, অথচ তাদের ব্যাংক অ্যাকাউন্টে ১০০ কোটি টাকারও কম মূলধন রয়েছে

বিতর্কিত ই-কমার্স প্ল্যাটফর্ম ইভ্যালির প্রতিষ্ঠাতা এবং প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) মোহাম্মদ রাসেল ও তার স্ত্রী শামীমা নাসরিনকে গ্রেপ্তার হয়েছেন সম্প্রতি। এরপর প্রতিষ্ঠানটির কাছে টাকা পান এমন অধিকাংশ ভোক্তার প্রশ্ন তারা কী তাদের টাকা ফেরত পাবে না? 

তাদের অধিকাংশই ১০০% অগ্রিম পেমেন্ট করা সত্ত্বেও পণ্য কিংবা টাকা কোনোটিই পাননি। 

বেশিরভাগ পঞ্জি স্কিমেই একবার টাকা চলে গেলে, সাধারণত তা পুনরুদ্ধার করা খুব কঠিন। কেননা এসব ক্ষেত্রে এই অর্থ হয় বিদেশে পাচার কিংবা খরচ হয়ে যায়।


আরও পড়ুন- রিমান্ডে রাসেল: আমি কোনো ভুল করিনি


এদিকে, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীও বলছে, তারা এখনও ইভ্যালির অর্থ কোথায় গেছে তা জানতে পারেনি। এ বক্তব্যে গ্রাহকের উদ্বেগ আরও বেড়েছে।

ইভ্যালির সাবেক কর্মচারীদের অভিযোগ, সংস্থাটি উপহার, ভ্রমণ, অনুষ্ঠান এবং স্পনসরশিপে প্রচুর পরিমাণে অর্থ ব্যয় করেছে। তারা জানায়, “ভবিষ্যতের চিন্তা না করেই অতিরিক্ত ব্যয় করত তারা। কেবল ব্র্যান্ডিং এবং কর্মীদের উৎসাহিত করতে গিয়েই বিশাল ক্ষতি করে ফেলেছে ইভ্যালি কর্তৃপক্ষ।” 

ইভ্যালির বিরুদ্ধে বিলাসবহুল ভ্রমণ, উপহারের জন্য বিভিন্ন অনুষ্ঠানে প্রচুর পরিমাণ অর্থ ব্যয় করার অভিযোগ আছে। কিন্তু শেষ পর্যন্ত কোম্পানিটি এত বেশি ব্যয় করে ফেলেছে, তারা আর কখনোই গ্রাহকদের থেকে নেওয়া অর্থ ফেরত দিতে বা নিজেদের কর্মীদের বেতন দিতে পারবে না।


আরও পড়ুন- কর্মী ছাঁটাই শুরু করেছে ইভ্যালি, বেতন-ভাতা স্থগিত


সম্প্রতি র‍্যাবের মুখপাত্র কমান্ডার খন্দকার আল মঈন এক সংবাদ সম্মেলনে বলেন, রাসেল স্বীকার করেছেন নতুন গ্রাহকদের কাছ থেকে অর্থ নিয়ে পুরনো গ্রাহকদের পাওনা পরিশোধের কৌশলটি খারাপ ছিল।

“প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে রাসেল জানিয়েছে, ই-কমার্স ব্যবসার বিষয়ে সম্প্রতি প্রণীত সরকারী নিয়ম অনুসারে ইভ্যালির গ্রাহকদের টাকা ফেরত দেওয়া কঠিন,” র‍্যাব মুখপাত্র জানান।

তিনি আরও বলেন, যদিও রাসেল কিছু বিদেশি কোম্পানির কাছে প্ল্যাটফর্মটি বিক্রি করার জন্য ইভালির ব্র্যান্ড ভ্যালু তৈরি করতে চেয়েছিলেন। কিন্তু, সরবরাহ শৃঙ্খলা বজায় না থাকা এবং ঋণের পরিমাণ বাড়তে থাকায় তাও হয়নি। 

টাকা গেলো কোথায়?

সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী হাফিজুর রহমান বলেন, “টাকা ফেরত পাওয়ার আইনি সুযোগ রয়েছে। কিন্তু এতে অনেক সময় এবং অন্যান্য সংস্থার সহযোগিতা লাগবে। এটি একটি দীর্ঘ প্রক্রিয়া। অতীতেও কয়েকটি এমএলএম কোম্পানি এভাবে মানুষের কাছ থেকে টাকা নিয়েছিল, কিন্তু বেশিরভাগ ভুক্তভোগীই তাদের টাকা ফেরত পায়নি।” 

ইনভেস্টোপিডিয়ার মতে, পঞ্জি স্কিমের মতোই-একটি প্রতারণামূলক বিনিয়োগ সংস্থা বিনিয়োগকারীদের সামান্য ঝুঁকি নিয়ে উচ্চ হারের হারের প্রতিশ্রুতি দেয়। 

এরা ভোক্তাদের সব ধরণের লাভজনক “ডিল” অফার করে, যার মধ্যে ১০০% থেকে ১৫০% পর্যন্ত ক্যাশব্যাক অফার, প্রচুর ছাড়, উপহার কার্ড এবং আরও অনেক অফার রয়েছে যা প্ল্যাটফর্মটি থেকে কেনাকাটা করাকে খুব আকর্ষণীয় করে তোলে। 


আরও পড়ুন- পুলিশ: জিজ্ঞাসাবাদে একেক সময় একেক কথা বলেছেন রাসেল-শামীমা


এক্ষেত্রে প্রধান ঝুঁকি হলো, ইভ্যালি গ্রাহকদের পণ্য ডেলিভারিতে স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি সময় নিয়ে থাকে। আনুষ্ঠানিকভাবে যা ৪৫ দিন।

খুব তাড়াতাড়ি সরবরাহ করা পণ্যের অভিযোগ আসতে শুরু করে। জানা গেছে, ইভালির বিরুদ্ধে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের কাছে ৫ হাজারেরও বেশি অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে।

এই অভিযোগগুলোর অধিকাংশই “সম্পূর্ণ অর্থ প্রদান করেও দীর্ঘদিন পণ্য না পাওয়ার জন্য” দায়ের করা হয়েছিল। এছাড়া, বাংলাদেশ ব্যাংক ইভ্যালির বিরুদ্ধে অর্থ আত্মসাৎ ও পাচারের অভিযোগও এনেছে।


আরও পড়ুন- র‍্যাব: জেনে-শুনেই ব্যবসায়িক ‘অপকৌশল’ গ্রহণ করেন রাসেল


মিফতা জামান নামে বেসরকারি ব্যাংকের এক কর্মকর্তা বলেন, তীব্র প্রয়োজন তাকে এ বছরের জানুয়ারিতে ইভ্যালি থেকে মোটরসাইকেল অর্ডার করতে বাধ্য করেছিল। যেখানে কোম্পানির মালিকরাই কারাগারের পিছনে সেখানে ২০ সেপ্টেম্বর তিনি পণ্যের অবস্থা মুলতবি দেখতে পান। 

তিনি দীর্ঘশ্বাস ফেলে বলেন, মোটরসাইকেল অথবা অগ্রিম দেওয়া অর্থ কোনোটাই পাওয়ার উপায় নেই। একই সঙ্গে, তাদের বিরুদ্ধে আইনি পদক্ষেপ নেওয়াও সম্ভব নয়। যদি আমি মামলা করি, তারা অবশ্যই আমাকে বাইক সরবরাহ করবে না। 

রাশিদুল হাসান প্রীতম নামে আরেক গ্রাহক, বিতর্কিত এই প্ল্যাটফর্মটি থেকে এখন পর্যন্ত ১ লাখ ৬০ হাজার টাকার পণ্য নিয়েছেন, যেগুলো এখনো ডেলিভারি পাননি। 

তিনি বলেন, “৪৫ দিন পর আমি তাদের অফিসে গিয়েছিলাম। তারা আমাকে আশ্বস্ত করেছিল কোভিড-১৯ মহামারির কারণে ডেলিভারিতে সময় লাগবে।”  অন্যদিকে, ভোক্তা এবং ব্যবসায়ীদের একটি অংশ রাসেলের মুক্তি দাবি করছে, যাতে তিনি তাদের পাওনা পরিশোধ করতে পারেন। 


আরও পড়ুন- ধামাকাও কি আরেক ইভ্যালি?


নাম প্রকাশ না করার শর্তে এক ক্ষুব্ধ গ্রাহক বলেন, “আমি চাই রাসেল ভাইকে অবিলম্বে মুক্তি দেওয়া হোক। যদি সে ফিরে আসে, হয়ত গ্রাহকরা তাদের পণ্য বা অর্থ ফেরত পাবে। অন্যথায়, এটা সম্ভব নয়। আমি সরকারের প্রতি আহ্বান জানাচ্ছি এই বিষয়টিকে সূক্ষ্মভাবে পরিচালনা করার জন্য। আমার ৬ লাখ ৭৫ হাজার টাকার বিনিয়োগ ইভ্যালির কাছে আটকে আছে।” 

“আরও অনেক ই-কমার্স প্ল্যাটফর্ম একই ধরনের কাজ করেছে কিন্তু সেগুলো এখনও চালু আছে। আমি আশা করি কর্তৃপক্ষ তার গ্রাহকদের পাওনা ফেরত দেওয়ার জন্য হলেও রাসেলকে ছেড়ে দেবে,” তিনি যোগ করেন। 


আরও পড়ুন- হাইকোর্ট: গ্রাহক নিঃস্ব হওয়ার পর সরকার পদক্ষেপ নেয়


আইন বিশেষজ্ঞ ব্যারিস্টার তানজিব উল আলম ঢাকা ট্রিবিউনকে বলেন, “মানুষ তখনই তাদের টাকা বা পণ্য পাবে যখন ইভ্যালির টাকা দেওয়ার ক্ষমতা থাকবে। কিন্তু এই মুহূর্তে ইভ্যালির সেই ক্ষমতা নেই। কার্যকরী মূলধনের অভাবে, ইভ্যালি গ্রাহকের পাওনা পরিশোধ করতে কোনোদিন সক্ষম হবে এমন কোনো সম্ভাবনাও নেই।” 

এগুলো ছাড়াও, একজন ভুক্তভোগী দণ্ডবিধির ৪২০ নম্বর ধারার অধীনেও অভিযোগ দায়ের করতে পারেন।

যাতে বলা হয়েছে, যদি কেউ প্রতারণা করে এবং এর দ্বারা অসৎভাবে প্রতারিত ব্যক্তিকে প্ররোচিত করে যে কোনো ব্যক্তির কাছে কোনো সম্পত্তি পৌঁছে দিতে, অথবা নিরাপত্তার সম্পূর্ণ বা কোনো অংশ, অথবা স্বাক্ষরিত বা সীলমোহর করা এবং একটি মূল্যবান নিরাপত্তায় রূপান্তরিত হতে সক্ষম, সেক্ষেত্রে সাত বছর পর্যন্ত বর্ধিত মেয়াদের জন্য বর্ণনার কারাদণ্ডে দণ্ডিত হতে হবে এবং জরিমানাও হতে পারে।


আরও পড়ুন- ইভ্যালির সিইও রাসেলের মুক্তির দাবিতে আদালত প্রাঙ্গনে মানববন্ধন


ফৌজদারি ব্যবস্থা ছাড়াও, একজন ক্রেতা অর্থ ও ক্ষতির পুনরুদ্ধারের জন্য দেওয়ানি মামলা করতে পারেন। 

কিন্তু যদি প্রতিটি ক্রেতা ইভালির বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করে, তাহলে এটি সিস্টেমে বিপর্যয়কর প্রভাব ফেলবে এবং পুরো প্রক্রিয়া সম্পন্ন হতে কয়েক বছর সময় লাগবে বলে তানজিব উল আলম জানান। 

বাণিজ্য মন্ত্রণালয় এবং ডিজিটাল ই-কমার্স পরিচালনার জাতীয় কমিটির মতে, ইভ্যালি গ্রাহক, বণিক এবং অন্যান্য কোম্পানির কাছে ৫৪৩ কোটি টাকা ঋণী। 

কোম্পানির ২ লাখের বেশি গ্রাহক রয়েছে। কিন্তু, তাদের ব্যাংক অ্যাকাউন্টে ১০০ কোটি টাকারও কম মূলধন আছে। 

এমনকি ইভালির কর্মচারীদেরও অনেক দিনের বেতন আটকে রয়েছে। 


আরও পড়ুন- অফিস বন্ধ, বাসা থেকেই কাজ করবে ইভ্যালি কর্মীরা


নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একজন ঊর্ধ্বতন পুলিশ কর্মকর্তা বলেন, “যদি কেউ প্রতারণা করে, আমরা আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেব। ইভ্যালি এবং অন্যান্য ই-কমার্স কোম্পানির মতো প্ল্যাটফর্মগুলো নজরদারির আওতায় আনা হয়েছে। আইন প্রয়োগকারী সংস্থা তাদের গতিবিধি পর্যবেক্ষণ করছে।” 

তিনি বলেন, “আমরা তদন্তের স্বার্থে তাদের (রাসেল এবং নাসরিন) গ্রিল করার প্রস্তুতি নিচ্ছি। আমরা সমস্ত নথি এবং ভুক্তভোগীদের সাক্ষ্য বিশ্লেষণ করছি।” 

রাসেল-শামীমা দম্পতির বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলা সম্পর্কে তিনি বলেন, সাম্প্রতিক মামলাগুলো বাংলাদেশ দণ্ডবিধি ১৮৬০-এর ৪২০, ৪০৬ এবং ৫০৬ নম্বর ধারার অধীনে দায়ের করা হয়েছে। 

উল্লেখ্য, ২০১৮ সালে কার্যক্রম শুরু করা প্রতিষ্ঠানটি লাভজনক ছাড় এবং ক্যাশব্যাক প্রদান করে দ্রুত ট্র্যাকশন সংগ্রহ করতো।

বিশেষজ্ঞদের মতামত 

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতির শিক্ষক প্রফেসর মুহাম্মদ শাহাদাত হোসেন সিদ্দিকী বলেন, “ই-কমার্সের জন্য একটি টেকসই প্রবৃদ্ধি অনিবার্য। কিন্তু আমাদের পর্যবেক্ষণ ও মূল্যায়ন প্রক্রিয়ায় সমস্যা আছে। ই-কমার্স শিল্পের জন্য চাহিদা এবং সরবরাহ উভয় বক্ররেখাই বেশি।” 

তিনি বলেন, “আমাদের ই-কমার্স সেক্টরের মূল সমস্যাটির মধ্যে রয়েছে সঠিক পর্যবেক্ষণের অনুপস্থিতি। দুর্ভাগ্যবশত, আমাদের মন্ত্রী পর্যায়ের কর্মী এবং প্রক্রিয়া এই বিষয়টি পরিচালনা করতে খুব বেশি দক্ষ বলে মনে হয় না।” 

ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশের (টিআইবি) নির্বাহী পরিচালক ইফতেখারুজ্জামান ঢাকা ট্রিবিউনকে বলেন, “একটি ই-কমার্স প্ল্যাটফর্ম সুচারুভাবে চালানোর জন্য কঠোর নজরদারি, জবাবদিহিতা এবং স্বচ্ছতা বাধ্যতামূলক। মাথাব্যথা নিরাময়ের জন্য, মাথা কেটে ফেলা কোনো সমাধান না।” 


আরও পড়ুন- এবার ইভ্যালির রাসেল ও শামীমার বিরুদ্ধে ধানমন্ডি থানায় মামলা


আইনি কাঠামোর উদ্ধৃতি দিয়ে তিনি বলেন, “প্রযুক্তিগতভাবে টাকা ফেরত পাওয়া সম্ভব। কিন্তু এর জন্য কর্তৃপক্ষের দ্রুত পদক্ষেপ প্রয়োজন এবং এটি একটি দীর্ঘ প্রক্রিয়া।” 

তিনি দুঃখ প্রকাশ করে বলেন, “দুর্নীতি ও অব্যবস্থাপনা দেশের বেসরকারি খাতকেও দখল করে নিয়েছে।” 

টিআইবি’র নির্বাহী পরিচালক পরামর্শ দিয়ে বলেন, “যেহেতু এটি একটি ক্রমবর্ধমান খাত, অনিয়ম দূর করে প্রয়োজনীয় সহায়তা বৃদ্ধি করা উচিত। বিদ্যমান নিয়ন্ত্রকদের এতে একটি বড় ভূমিকা পালন করতে হবে। এছাড়া, যেকোনো ই-কমার্স প্ল্যাটফর্মে অর্থ বিনিয়োগ করার আগে গ্রাহকদেরও সতর্ক থাকতে হবে।” 

ইভ্যালির মতে, কোম্পানির দায় ৫৪৩ কোটি টাকা। যা বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রাথমিক তদন্তে পাওয়া পরিমাণের চেয়েও অনেক বেশি। 


আরও পড়ুন- ই-কমার্সের প্রতারণা থেকে গ্রাহকদের বাঁচাতে প্রচারণা চালানোর পরামর্শ আদালতের


এর মধ্যে গ্রাহকদের কাছে ৩১১ কোটি টাকা এবং ব্যবসায়ীদের কাছে ২০৬ কোটি টাকা ঋণী। 

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের প্রতিবেদনের পর, বাণিজ্য মন্ত্রণালয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়কে গ্রাহকদের কাছ থেকে আগাম নেওয়া ৩৩৮ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগে ইভ্যালির বিরুদ্ধে মামলা করতে বলে। 

পরবর্তীতে ১৬ সেপ্টেম্বর, ইভ্যালির সিইও রাসেল এবং চেয়ারপারসন শামীমা নাসরিনকে গ্রেপ্তারের পর, শামীমা র‍্যাবকে জানায়, প্ল্যাটফর্মটির এক হাজার কোটি টাকারও বেশি দায় রয়েছে।

50
Facebook 50
blogger sharing button blogger
buffer sharing button buffer
diaspora sharing button diaspora
digg sharing button digg
douban sharing button douban
email sharing button email
evernote sharing button evernote
flipboard sharing button flipboard
pocket sharing button getpocket
github sharing button github
gmail sharing button gmail
googlebookmarks sharing button googlebookmarks
hackernews sharing button hackernews
instapaper sharing button instapaper
line sharing button line
linkedin sharing button linkedin
livejournal sharing button livejournal
mailru sharing button mailru
medium sharing button medium
meneame sharing button meneame
messenger sharing button messenger
odnoklassniki sharing button odnoklassniki
pinterest sharing button pinterest
print sharing button print
qzone sharing button qzone
reddit sharing button reddit
refind sharing button refind
renren sharing button renren
skype sharing button skype
snapchat sharing button snapchat
surfingbird sharing button surfingbird
telegram sharing button telegram
tumblr sharing button tumblr
twitter sharing button twitter
vk sharing button vk
wechat sharing button wechat
weibo sharing button weibo
whatsapp sharing button whatsapp
wordpress sharing button wordpress
xing sharing button xing
yahoomail sharing button yahoomail