Sunday, May 19, 2024

সেকশন

English
Dhaka Tribune

করোনাভাইরাস প্রতিরোধে সব ধরনের সমাবেশ নিষিদ্ধ

জ্বর, সর্দি, কাশি, আক্রান্ত রোগী ও তাদের পরিবারের সদস্য এবং বিদেশফেরত ব্যক্তি ও তার পরিবারের সদস্যদের মসজিদে ও অন্যান্য ধর্মীয় স্থাপনায় নিষেধ করা হয়েছে

আপডেট : ১৯ মার্চ ২০২০, ১০:৫৫ পিএম

দেশে করোনাভাইরাস (কোভিড-১৯) আরও ছড়িয়ে পড়া ঠেকাতে সব ধরনের সামাজিক, রাজনৈতিক, সাংস্কৃতিক ও ধর্মীয় সমাবেশের ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে সরকার।

একইসঙ্গে যাদের জ্বর, কাশি, সর্দি বা কোভিড-১৯ ভাইরাসে আক্রান্ত হওয়ার অন্যান্য লক্ষণ আছে তাদের পাশাপাশি করোনাভাইরাসে আক্রান্ত রোগীদের পরিবারের সদস্য ও রোগীদের সংস্পর্শে আসা ব্যক্তিদের মসজিদে ও অন্যান্য ধর্মীয় স্থাপনায় নিষেধ করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (১৯ মার্চ) প্রধানমন্ত্রীর মুখ্যসচিব ড. আহমেদ কায়কাউস ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে সরকারের উচ্চ ও মাঠ-পর্যায়ের কর্মকর্তাদের উদ্দেশে দেওয়া বক্তব্যে এসব নির্দেশনা ঘোষণা করেন।  

কনফারেন্সে মন্ত্রিপরিষদ সচিব খন্দকার আনোয়ারুল ইসলামসহ অন্যান্য সচিব এবং সচিবালয় থেকে পুলিশের মহাপরিদর্শক ভিডিও কনফারেন্সে যোগ দেন। অন্যদিকে, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে আহমেদ কায়কাউসের সাথে ছিলেন পররাষ্ট্র সচিব মাসুদ বিন মোমেন ও প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সচিব।

সব বিভাগীয় কমিশনার ও জেলা প্রশাসক ভিডিও কনফারেন্সে যুক্ত ছিলেন। পুলিশের উপমহাপরিদের্শকরা (ডিআইজি) বিভাগীয় কমিশনারদের সাথে এবং পুলিশ সুপার ও সিভিল সার্জনরা জেলা প্রশাসকদের সাথে ছিলেন।

মাঠ প্রশাসনের উদ্দেশে মুখ্যসচিব বলেন, “সব প্রকার রাজনৈতিক, সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও ধর্মীয় সমাবেশ নিষিদ্ধ করা হয়েছে। আপনাদের অবশ্যই তা নিশ্চিত করতে হবে।”

গণপরিবহন চলাচল বিষয়ে আহমেদ কায়কাউস বলেন, এ বিষয়ে সরকার এখনও কোনো সিদ্ধান্ত নেয়নি। বরং, জ্বর, কাশি ও সর্দি থাকা ব্যক্তিদের গণপরিবহন এড়িয়ে চলতে বলা হয়েছে। এমনকি এমন লক্ষণ থাকা পরিবহন শ্রমিকদেরও কাজ থেকে বিরত থাকতে বলা হয়েছে।

তিনি জানান, করোনাভাইরাস ছড়িয়ে পড়া রোধে সরকারের নীতি হলো লকডাউন নয়, বরং ব্যবস্থা নেওয়া।

দেশে কোভিড-১৯ ছড়িয়ে পড়া রোধে মাঠ প্রশাসনকে হোম কোয়ারেন্টাইন বিধি কঠোরভাবে প্রয়োগ করার নির্দেশ দেন মুখ্যসচিব। “কেউ যদি হোম কোয়ারেন্টাইন বিধি লঙ্ঘন করেন তবে কঠোর আইনি ব্যবস্থা নিন।”

এ সময় স্থানীয় প্রশাসনকেও গত একমাস বা ১৫ দিনের মধ্যে বিদেশ থেকে ফিরে আসা ব্যক্তিদের নিবিড় পর্যবেক্ষণে রাখতে এবং তাদের বাড়িতে এবং অন্যকোন স্বাস্থ্যকেন্দ্রে ১৪ দিনের বাধ্যতামূলক কোয়ারেন্টাইন (পৃথকীকরণ) নিশ্চিত করতে নির্দেশ দেওয়া হয়।

গত তিন মাসে বিদেশ থেকে ফেরা ব্যক্তিদের তালিকা করা হয়েছে জানিয়ে তিনি বলেন, নজরদারি জোরদার এবং হোম কোয়ারেন্টাইন লঙ্ঘনকারীদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য জেলা ভিত্তিক তালিকা বৃহস্পতিবার প্রতিটি জেলায় পাঠানো হয়েছে।

এ সময় মন্ত্রিপরিষদ সচিব হোম কোয়ারেন্টাইন লঙ্ঘনকারীদের দণ্ডবিধির ২৬৯ ধারায় শাস্তি দিতে স্থানীয় প্রশাসনকে নির্দেশ দেন।

About

Popular Links