Saturday, May 25, 2024

সেকশন

English
Dhaka Tribune

ছেলের করোনাভাইরাসের লক্ষণ, ৫ হাসপাতালে ঘুরেও বাঁচাতে পারলেন না বাবা

তাকে দ্রুত নওগাঁ জেলা সদর হাসপাতালে নেওয়া হলে সেখানকার চিকিৎসকরা তাকে চিকিৎসা দিতে অস্বীকার করেন

আপডেট : ২৯ মার্চ ২০২০, ০৫:১৯ পিএম

শরীরে করোনাভাইরাসের উপসর্গ থাকায় গ্রামবাসীদের বাধায় নিজ বাড়িতে রাখতে পারেননি। হাসপাতালে নিলেও চিকিৎসা করালেন না চিকিৎসকরা। এক এক করে চারটি হাসপাতাল ঘুরেও চিকিৎসা পেলেন না। শেষ পর্যন্ত এক উপজেলা নির্বাহী অফিসারের (ইউএনও) সহযোগিতায় রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালে নিলেও ছেলেকে বাঁচাতে পারেননি বাবা। শনিবার (২৮ মার্চ) রাতে ওই যুবকের মৃত্যু হয়। 

ওই যুবকের বাবা জানান, তার ছেলে নারায়ণগঞ্জে একটি কাপড়ের দোকানে বিক্রয়কর্মীর কাজ করতেন। শনিবার সকালে প্রচণ্ড জ্বর, সর্দি, কাশি ও শ্বাসকষ্ট নিয়ে বাড়িতে ফিরলে গ্রামের লোকেরা তাকে গ্রামে রাখতে বাধা দেন। পরে তাকে দ্রুত নওগাঁ জেলা সদর হাসপাতালে নেওয়া হলে সেখানকার চিকিৎসকরা তাকে চিকিৎসা দিতে অস্বীকার করেন ও ফেরত পাঠান।

পরে অসুস্থ ছেলেকে নিয়ে পার্শ্ববর্তী বগুড়ার আদমদিঘি উপজেলা হাসপাতালে নিয়ে গেলে সেখানেও তাকে চিকিৎসা দিতে অস্বীকার করা হয়। পরে রানীনগর উপজেলা নির্বাহী অফিসার আল মামুনকে জানালে তার হস্তক্ষেপে তাকে প্রথমে রানীনগর উপজেলা হাসপাতালে ও পরে আবার নওগাঁ জেলা সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়। সেখান থেকে বিকালে রামেক হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে চিকিৎসকরা তাকে মেডিসিন ওয়ার্ডে ভর্তি করেন। পরে রাত সাড়ে ৮টার দিকে তার মৃত্যু হয়।

রামেক হাসপাতালের উপ-পরিচালক ডা. সাইফুল ফেরদৌস জানান, লাশ রাতেই পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

তবে অসুস্থ ওই যুবক করোনায় নয়, মস্তিস্কের সংক্রমণ বা মেনিনজাইটিস নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিলেন জানিয়ে তিনি আরও বলেন, “ভর্তির সময় তার শরীরে জ্বরের মাত্রা তীব্র ছিল। মাথা ব্যাথা ও গলা ব্যথা ছিল।”

About

Popular Links