Tuesday, May 28, 2024

সেকশন

English
Dhaka Tribune

গোপালগঞ্জ থেকে ইজিবাইকে খুলনা পৌঁছানোর কথা বলে ধর্ষণ

ইজিবাইকচালক পুলিশের কাছে ওই গার্মেন্টর্সকর্মীকে ধর্ষণের কথা স্বীকার করেছে বলে জানান ওসি মো. মনিরুল ইসলাম

আপডেট : ২১ এপ্রিল ২০২০, ০৫:২৬ পিএম

দেশে করোনাভাইরাসের কারণে বিভিন্ন জেলায় লকডাউনের মধ্যেই এক নারীকে (২৫) গোপালগঞ্জ থেকে খুলনা পৌঁছে দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে ধর্ষণ করেছেন এক ইজিবাইকচালক। সোমবার (২০ এপ্রিল) রাতে গোপালগঞ্জ শহরের ঘোষেরচর এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

এ ঘটনায় অভিযুক্ত ইজিবাইকচালক মো. খায়রুল ইসলাম শেখকে (২৫) পুলিশ সোমবার রাতেই গ্রেফতার করে। মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) ওই নারী বাদী হয়ে ইজিবাইকচালককে আসামি করে একটি ধর্ষণ মামলা দায়ের করেছেন।

গোপালগঞ্জ সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মনিরুল ইসলাম জানান, ওই নারী গাজীপুরের একটি গার্মেন্টেসে চাকরি করেন। করোনাভাইরাস সংকটের কারণে গাজীপুর জেলা লকডাউন করা হয়েছে। এ কারণে, গার্মেন্টর্স বন্ধ থাকায় তিনি দু’দিন ঢাকার জুরাইনে ভাইয়ের বাসায় ছিলেন। সোমবার ঢাকা থেকে খুলনার রূপসা উপজেলার জয়পুর গ্রামের বাড়ির উদ্দেশে রওনা দেন। দূরপাল্লার পরিবহন বন্ধ থাকায় ওই নারী ভেঙে ভেঙে বিভিন্ন যানবাহনে করে সোমবার রাত ৮টার দিকে গোপালগঞ্জ পুলিশ লাইনস মোড়ে পৌঁছান।

পুলিশের এই কর্মকর্তা আরও জানান, ওই নারী পুলিশ লাইনস মোড়ে খুলনাগামী যানবাহনের জন্য অপেক্ষা করছিলেন। কিন্ত তখন প্রায় সব যানবাহনই বন্ধ ছিলো। এ সময় ইজিবাইকচালক খায়রুল সকালে তাকে ইজিবাইকে করে খুলনা পৌঁছে দেওয়ার প্রলোভন দেখান এবং রাতে তার বাড়িতে পরিবারের সঙ্গে থাকার প্রস্তাব দেন। এতে রাজি হয়ে ওই নারী ইজিবাইকে বসেন। পরে ইজিবাইকচালক খায়রুল তাকে শহরের ঘোষেরচরের নির্জন পুকুরপাড়ে নিয়ে ধর্ষণ করে পালিয়ে যান। রাত ১০টার দিকে স্থানীয়দের সহায়তায় ওই গার্মেন্টসকর্মী থানায় এসে ঘটনার বর্ণনা দেন। এর জের ধরে পুলিশ শহরের মৌলভীপাড়া থেকে খায়রুলকে গভীর রাতে গ্রেফতার করে।

গ্রেফতারকৃত ইজিবাইকচালক পুলিশের কাছে ওই গার্মেন্টর্সকর্মীকে ধর্ষণের কথা স্বীকার করেছে বলে জানান ওসি মো. মনিরুল ইসলাম ।

মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা গোপালগঞ্জ সদর থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মো. আসলাম উদ্দিন বলেন, মঙ্গলবার গোপালগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালে ওই গার্মেন্টস কর্মীর ডাক্তারি পরীক্ষা সম্পন্ন হয়েছে।  

 

About

Popular Links