Friday, May 24, 2024

সেকশন

English
Dhaka Tribune

অক্টোবরে নির্বাচনকালীন সরকার, থাকছে না বিএনপি’র কেউ

আওয়ামী লীগের সিনিয়র নেতাদের দেওয়া তথ্য মতে, সরকার নির্বাচনকালীন যে ক্ষুদ্র-পরিসরের সরকার গঠনের পরিকল্পনা করছে তা নির্বাচিত সংসদ সদস্যদের সমন্বয়ে গঠিত হবে এবং এর প্রধান হবেন বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

আপডেট : ২৮ আগস্ট ২০১৮, ০৯:০১ পিএম

সরকারের নিয়মিত কার্যক্রম পরিচালনা ও নির্বাচন কমিশনকে একটি সুষ্ঠু ও অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন সম্পন্ন করতে সহায়তা করার জন্য আওয়ামী লীগ সরকার আগামী অক্টোবরে নির্বাচনকালীন সরকার গঠনের পরিকল্পনা নিয়েছে। 

আওয়ামী লীগ সূত্র থেকে জানা যায়, অক্টোবরের ৩০ বা ৩১ তারিখে ক্ষুদ্র-পরিসরের নির্বাচনকালীন সরকার গঠনের পরিকল্পনা করছে দলটি।

২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারি দশম সংসদীয় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয় এবং প্রথম সংসদ অধিবেশন বসে একই বছরের ২৯ জানুয়ারি। সংবিধানের ১২৩/৩ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী একাদশ সংসদীয় নির্বাচন ৩১ অক্টোবর, ২০১৮ থেকে ২৮ জানুয়ারি, ২০১৯ এর মধ্যে সম্পন্ন করতে হবে। তবে সরকার এই বছরের ডিসেম্বরের মধ্যেই নির্বাচন সম্পন্ন করার পরিকল্পনা করছে।

সংবিধান অনুযায়ী নির্বাচনকালীন সরকার গঠিত হওয়ার পর নির্বাচন কমিশনকে ৯০ দিনের মধ্যে সকল কাজ সম্পন্ন করতে হবে। 

ক্ষুদ্র-পরিসরের সরকার 

আওয়ামী লীগের সিনিয়র নেতাদের দেওয়া তথ্য মতে, সরকার নির্বাচনকালীন যে ক্ষুদ্র-পরিসরের সরকার গঠনের পরিকল্পনা করছে তা নির্বাচিত সংসদ সদস্যদের সমন্বয়ে গঠিত হবে এবং এর প্রধান হবেন বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

ঢাকা ট্রিবিউনকে আওয়ামী লীগ ও এর জোটের একাধিক সিনিয়র নেতা জানিয়েছেন, নির্বাচনকালীন সরকার গতবারের সরকারগুলোর তুলনায় আরও ছোট আকারের হবে এবং এর সদস্য সংখ্যা হতে পারে ২১ জন। 

আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য ও ১৪ দলের মুখপাত্র মোহাম্মাদ নাসিম ঢাকা ট্রিবিউনকে বলেন, নির্বাচনকালীন সরকারের সদস্য সংখ্যা হবে ২০ বা ২১।


আরও পড়ুন- ডিসেম্বরে সংসদ নির্বাচন, একশ আসনে ইভিএম বসাতে চায় ইসি


যোগ হতে পারে নতুন মুখ

যদিও শুধুমাত্র নির্বাচিত সাংসদরাই নির্বাচনকালীন সরকারে থাকবে তবে আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন জোট থেকে নতুন মুখ আসারও প্রবল সম্ভাবনা রয়েছে।

জোটের সদস্যদের দেওয়া তথ্য মতে, ১৪ দলের মধ্য থেকে নতুন মুখ যুক্ত করার পরিকল্পনা করছে আওয়ামী লীগ। 

মোহাম্মাদ নাসিম বলেন, “ক্যাবিনেটে নেই জোটের এমন দল থেকে নতুন মুখ নেওয়ার ভাল সম্ভাবনা রয়েছে”।

তবে নির্বাচনকালীন সরকারে সম্ভাব্য প্রার্থীদের কারোর নাম বলতে তিনি অস্বীকৃতি জানান। 

বিএনপি ও এর শরীকদের জন্য কোনও আশা নেই

আওয়ামী লীগ নেতাদের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, বিএনপি বা এর শরীক কোনও দল নির্বাচনকালীন সরকারে অন্তর্ভূক্ত হবে না।

সম্প্রতি আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বলেছিলেন, অক্টোবরে নির্বাচনকালীন সরকার গঠিত হবে এবং এতে শুধুমাত্র সংসদের প্রতিনিধিরাই অন্তর্ভূক্ত হবেন। 

ওবায়দুল কাদের বলেন, “শুধুমাত্র নির্বাচিত আইনপ্রণেতারাই নির্বাচনকালীন সরকারের সদস্য হতে পারবে এবং তাই বিএনপির জন্য কোনও আশা নেই। বিএনপিকে আমন্ত্রণ জানানোর কোনও পরিকল্পনাও আমাদের নেই কারণ তারা এখন সংসদের অংশ নয়”।

তিনি আরও বলেন, সংবিধান অনুযায়ীই নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে এবং কারোর শর্ত অনুযায়ী সরকার নির্বাচনের ব্যবস্থা করবে না।

তবে বিএনপি জোটের শরীক লিবারাল ডেমোক্র্যাটিক পার্টি নির্বাচনকালীন সরকারে যোগ দিতে পারে এমন গুজব শোনা যাচ্ছে রাজনৈতিক পরিমণ্ডলে। 

কিন্তু আওয়ামী লীগ বা লিবারাল ডেমোক্র্যাটিক পার্টির পক্ষ থেকে এ বিষয়ে কোনও আনুষ্ঠানিক মন্তব্য করা হয় নি।

বিতর্কিত মন্ত্রীদের জন্য কোনও জায়গা নেই

আওয়ামী লীগ সূত্র জানায়, নির্বাচনকালীন সরকারকে বিতর্কের উর্ধ্বে রাখতে দলটির একাধিক হেভি-ওয়েট মন্ত্রী ও আইনপ্রণেতা, যারা সাম্প্রতিক সময়ে বিতর্কিত হয়েছেন, এমন কাউকে নির্বাচনকালীন সরকারে রাখা হবে না। 

About

Popular Links