Friday, May 31, 2024

সেকশন

English
Dhaka Tribune

৬৮ কেজি গাঁজা নিয়ে যাচ্ছিলেন মৎস্য অধিদপ্তরের কর্মচারি!

সরকারি চাকরিতে যোগদানের পর মাদকের বড় বড় চালান দেশের বিভিন্ন এলাকায় পাঠাতেন মৎস্য অধিদপ্তরের এই কর্মচারি

আপডেট : ১৮ মে ২০২০, ০৩:২০ পিএম

নওগাঁর মহাদেবপুরে ৬৮ কেজি গাঁজা ও দুটি ট্রাকসহ উপজেলা মৎস্য অফিসের অফিস সহকারি রিপন হোসেনসহ (৩৩) সাতজনকে আটক করেছে র‌্যাব-৫। এ সময় তাদের কাছ থেকে এক লাখ টাকা উদ্ধার করা হয়।

রবিবার (১৭মে) রাত ৯টার দিকে র‌্যাব-৫ জয়পুরহাট ক্যাম্পের সদস্যরা উপজেলা সদরের বাসস্ট্যান্ড সংলগ্ন ব্যাংক এশিয়ার সামনের রাস্তা থেকে তাদেরকে আটক করে।

আটককৃতরা হলেন- মহাদেবপুর উপজেলা মৎস্য অফিসের অফিস সহকারী ও কম্পিউটার অপারেটর রিপন হোসেন (৩৩), জেলার মান্দা উপজেলার শ্রীরামপুর (উত্তরপাড়া) গ্রামের আলম ইসলাম (২৬), পত্নীতলার  ঘোষনগর গ্রামের সেকান্দার (৪৫), কুমিল্লার বুড়িচং উপজেলার কালীকৃষ্ণনগর এলাকার শরীফ মিয়া (৩৪), রংপুরের কাউনিয়া উপজেলার শিবু পাঠানপাড়া গ্রামের আতাউর রহমান (২৮), নাটোরের সিংড়া উপজেলার কলম গ্রামের মাহাবুব (২৮) এবং শেরপুরের ঝিনাইগাতি উপজেলার দিঘীরপাড়া গ্রামের রাসেল মিয়া (২৭)।

র‌্যাব-৫ জয়পুরহাট র‌্যাব ক্যাম্পের কোম্পানি কমান্ডার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার এমএম মোহাইমেনুর রশিদ বলেন, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে উপজেলা পরিষদের সামনের রাস্তায় এবং বাসস্ট্যান্ড সংলগ্ন ব্যাংক এশিয়ার সামনে রাস্তার অভিযান পরিচালনা করে র‌্যাবের সদস্যরা। অভিযানে ৬৮ কেজি গাঁজা ও দুইটি ট্রাকসহ সাতজনকে আটক করা হয়। এ সময় এক লাখ টাকা উদ্ধার করা হয়। 

তিনি বলেন, “আটক রিপন হোসেন ২০০৫-২০০৬ সাল থেকে আন্তঃজেলা মাদক ব্যবসায়ী সিন্ডিকেটের সঙ্গে জড়িত। ২০১১ সালে সরকারি চাকরি অফিস সহকারী ও কম্পিউটার অপারেটর পদে যোগদানের পর থেকে নিয়মিত মাদকের বড় বড় চালান কুমিল্লা, বগুড়া, ব্রাহ্মণবাড়িয়াসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে পরিবহনের সাথে সংশ্লিষ্টতা বজায় রাখে। তাকে এবং তার সিন্ডিকেটের অপর ছয় সদস্যকে গ্রেফতারের পর বগুড়া, নওগাঁ ও জয়পুরহাট জেলাসমূহে মাদক পরিবহনের সমগ্র চক্রটি কার্যত নিস্ক্রিয় হয়ে পড়বে বলে আশা করা যায়।”

তাদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে বলে জানান এই র‌্যাব কর্মকর্তা।  

About

Popular Links