Tuesday, May 28, 2024

সেকশন

English
Dhaka Tribune

কয়রায় ভেঙে গেছে বেড়িবাঁধ, চার ইউনিয়ন প্লাবিত

আম্ফানের প্রভাবে কয়রায় বেড়িবাঁধে ব্যাপক ভাঙন দেখা দিয়েছে। ভাঙনের ফলে উত্তর বেদকাশি, দক্ষিণ বেদকাশি ইউনিয়ন ইতোমধ্যে প্লাবিত হয়ে গেছে এবং কয়রা সদর ও মহারাজপুর ইউনিয়ন প্লাবিত হওয়ার পথে রয়েছে

 

আপডেট : ২১ মে ২০২০, ১২:০৭ এএম

ঘূর্ণিঝড় আম্ফানের রাত সোয়া ৯টার দিকে খুলনায় আঘাত হানা শুরু করে, যা রাত ১২টা পর্যন্ত চলবে বলে আবহাওয়া বিভাগ জানিয়েছে। এদিকে আম্ফানের প্রভাবে কয়রা উপজেলার বেড়িবাঁধ ভেঙে চারটি ইউনিয়ন প্লাবিত হয়েছে। 

কয়রা উপজেলার দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা নিয়ন্ত্রণ কক্ষের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন অফিসার মো. জাফর রানা বলেন, “আম্ফানের প্রভাবে কয়রায় বেড়িবাঁধে ব্যাপক ভাঙন দেখা দিয়েছে। পানির চাপে গোলখালী, আংটিহারা, হরিহরপুর, গাজীপাড়া, গাববুনিয়া, চিংড়িখোলা, পপনা, দশালিয়াসহ বিভিন্ন এলাকায় বাঁধ ভেঙে গেছে। এর ফলে উত্তর বেদকাশি, দক্ষিণ বেদকাশি ইউনিয়ন প্লাবিত হয়ে গেছে। আর কয়রা সদর ও মহারাজপুর ইউনিয়ন প্লাবিত হওয়ার পথে রয়েছে। দুর্যোগ থেকে বাঁচতে কয়রার ৬৫ হাজারেরও বেশি মানুষকে আশ্রয় কেন্দ্রে নেওয়া হয়েছে।”

খুলনা আবহাওয়া অফিসের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আমিরুল আজাদ বলেন, “বুধবার রাত সোয়া ৯টার দিকে আম্ফান খুলনায় আঘাত শুরু করে। যা রাত ১২টা অবধি চলমান থাকতে পারে।”


আরও পড়ুন - ঘূর্ণিঝড় আম্ফান: নারী-শিশুসহ নিহত ৭


তিনি বলেন, “আম্ফানের অগ্রভাগ সন্ধ্যায় খুলনায় আছড়ে পড়েছিল। ঝড়ের প্রভাবে খুলনায় ৮০ থেকে ৯০ কিলোমিটার বেগে দমকা হাওয়া বইছে। রাত ৯টা পর্যন্ত খুলনায় ৭৩ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে।”

দুযোর্গ কবলিত অপর উপজেলা পাইকগাছার নির্বাহী কর্মকর্তা জুলিয়া সুকায়না জানান, বুধবার বিকালে বাঁধের ৬টি স্থানে মেরামত কাজ করা হয়েছে। আর ৩৫ হাজারেরও বেশি মানুষকে আশ্রয়কেন্দ্রে নেওয়া হয়েছে।

দাকোপ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আব্দুল ওয়াদুদ বলেন, “৫৫ হাজার মানুষকে আশ্রয়কেন্দ্রে নেওয়া হয়েছে। ঝুঁকিপূর্ণ বাঁধ মেরামত করা হয়েছে। কিছু ঘর বাড়ি, গাছপাল ভেঙে পড়েছে। তবে লোকজনের কোনো ক্ষয় ক্ষতির খবর পাওয়া যায়নি।”   

খুলনা জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ হেলাল হোসেন জানান, কয়রা উপজেলায় বাঁধ ভাঙাসহ ক্ষতির মাত্রা বেশি। তবে রাত সাড়ে ১০টা পর্যন্ত খুলনায় কোনো মৃত্যুর খবর পাওয়া যায়নি।


আরও পড়ুন - ১১ বছরেও শুকায়নি আইলার ক্ষত, এবার আম্ফানের আতঙ্কে কয়রাবাসী

About

Popular Links