Monday, May 20, 2024

সেকশন

English
Dhaka Tribune

বিএসএমএমইউ: গণস্বাস্থ্যের কিটের প্রতিবেদন শিগগিরই

গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের উদ্ভাবিত করোনাভাইরাসের অ্যান্টিবডি কিটের কার্যকারিতা পরীক্ষা ইতোমধ্যে শেষ হয়েছে বলে জানিয়েছেন বিএসএমএমইউ উপাচার্য অধ্যাপক ডা. কনক কান্তি বড়ুয়া

আপডেট : ১৪ জুন ২০২০, ০৯:১৮ পিএম

শিগগিরই গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের উদ্ভাবিত করোনাভাইরাসের অ্যান্টিবডি কিটের কার্যকারিতা পরীক্ষার প্রতিবেদন প্রকাশ করতে যাচ্ছে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় (বিএসএমএমইউ)। রবিবার (১৪ জুন) বিএসএমএমইউ উপাচার্য অধ্যাপক ডা. কনক কান্তি বড়ুয়া এই তথ্য নিশ্চিত করেন বলে বার্তা সংস্থা ইউএনবি’র একটি খবরে বলা হয়।

ডা. কনক কান্তি বড়ুয়া বলেন, “গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের উদ্ভাবিত করোনাভাইরাসের অ্যান্টিবডি কিটের কার্যকারিতা পরীক্ষা ইতোমধ্যে শেষ হয়েছে। এছাড়াও, আমরা এর ডেটা প্রক্রিয়াকরণ শেষ করেছি এবং চূড়ান্ত প্রতিবেদন প্রস্তুত করেছি। আগামী ১৬ জুনের মধ্যে কার্যকারিতা পরীক্ষার প্রতিবেদন ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তরে জমা দেয়া হবে বলে আশা করছি।”

তিনি আরও বলেন, গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের উদ্ভাবিত করোনাভাইরাসের অ্যান্টিবডি কিটের কার্যকারিতা পরীক্ষার জন্য গঠিত কমিটির প্রধান অধ্যাপক শাহিনা তাবাসসুম তাকে জানিয়েছেন যে তারা দু-একদিনের মধ্যে প্রতিবেদনটি ওষুধ প্রশাসন অধিদপ্তরে জমা দেবেন।

তিনি আরও বলেন, গত ২ জুন গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের উদ্ভাবিত করোনাভাইরাস-পরীক্ষার অ্যান্টিজেন কিট তুলে নেয়ায় এ কিট নিয়ে বিএসএমএমইউ কোনও প্রতিবেদন তৈরি করবে না।

গণস্বাস্থ্য কেন্দ্র অ্যান্টিজেন কিটের পারফরম্যান্স ট্রায়েলের জন্য পুনরায় তাদের কিটের নমুনা জমা দিলে তা পরীক্ষা করা হবে কীনা জানতে চাইলে উপাচার্য বলেন, “তাদের এ ধরনের পদক্ষেপ নেয়ার সম্ভাবনা খুব কম।”

“গত ২০ মে গণস্বাস্থ্য কেন্দ্র তাদের কিট জমা দিয়েছিল এবং পরে ২ জুন তা আবার প্রত্যাহার করে নিয়েছে। আমরা অনির্দিষ্ট সময়ের জন্য অপেক্ষা করতে পারি না,” যোগ করেন তিনি।

গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের তথ্যমতে, এর অ্যান্টিবডি কিট দিয়ে মানুষ অতীতে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছিল কিনা এবং তাদের দেহে অ্যান্টিবডি বা প্রতিরোধ ক্ষমতা উপস্থিতি আছে কিনা তা শনাক্ত করতে সহাযয়তা করবে। যারা সেরে উঠেছেন তাদের প্লাজমা সংগ্রহ করতেও এ কিট সহায়তা করবে।

About

Popular Links