Friday, May 24, 2024

সেকশন

English
Dhaka Tribune

ঝুলছিল কনস্টেবলের স্ত্রীর লাশ, শরীরে আঘাত

পরিবারের সদস্যদের অভিযোগ হত্যা করা হয়েছে সালমাকে। 

আপডেট : ০২ সেপ্টেম্বর ২০১৮, ০৯:১০ পিএম

নোয়াখালীর রামগাতী উপজেলা থেকে দিলরুবা আক্তার সালমা (২৩) নামের এক নারীর ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। তার শরীরে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে বলে জানা গেছে। 

আজ রোববার উপজেলার মাইজদী নতুন বাস স্ট্যান্ড এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। 

নিহত সালমা পুলিশ কনস্টেবল তাজবীদ হোসেনের স্ত্রী। কনস্টেবল তাজবীদ নোয়াখালী পুলিশ সুপার (এসপি)কার্যালয়ে কর্মরত রয়েছেন। তাদের চার বছর বয়সী একটি মেয়ে রয়েছে। 

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, লক্ষীপুরের রামগতি উপজেলার ৯ নম্বর চরগাজী ইউনিয়নের চরলক্ষী গ্রামের বাসিন্দা মো. সেলিমের ছেলে তাজবীদ। পাঁচ বছর আগে তিনি হাতিয়া থানায় কর্মরত ছিলেন। 

সে সময় হাতিয়ার চরকিং ইউনিয়নের গামছাখালী গ্রামের সোলাইমান মিয়ার মেয়ে সালমার সঙ্গে তার প্রেমের সম্পর্ক হয়। এক পর্যায়ে  তাদের নোটারি পাবলিকের মাধ্যমে বিয়ে হয়। পরে তাজবীদ বদলী হয়ে নোয়াখালী জেলার পুলিশ হেডকোয়ার্টারে যান। 

নিহতের ভাই মো. হাসান অভিযোগ করেন, তাজবীদ প্রায়ই তার বোনকে তুচ্ছ ঘটনা নিয়ে নির্যাতন করতেন। আজ সকাল ১১টার দিকে রাজিব সালমাকে গলা টিপে ও বালিশ চাপা দিয়ে হত্যা করে। পরে সালমা আত্মহত্যা করেছে বলে তাকে খবর দেয়। মর্গে তার শরীরে আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে । 

সুধারাম মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আনোয়ার হোসেন জানান, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে স্বামী-স্ত্রী ঝগড়ার জের ধরেই সালমা আত্মহত্যা করেছেন। লাশ ময়নাতদন্তের জন্য নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। 

পরিবারের পক্ষ থেকে সালমাকে গলা টিপে হত্যার অভিযোগের বিষয়ে ওসি বলেন, ‘আমরা এ ধরনের কোনো লিখিত অভিযোগ পাইনি।’  

এ বিষয়ে এসপি মো. ইলিয়াছ শরীফ জানান, ময়নাতদন্ত শেষে যদি হত্যাকাণ্ড প্রমাণিত হয়, তাহলে তাজবীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।



About

Popular Links