Sunday, May 19, 2024

সেকশন

English
Dhaka Tribune

জেনে নিন দেশের আকাশে ওঠা-নামা করছে যেসব উড়োজাহাজ

কয়েকটি এয়ারলাইন্সের পক্ষ থেকে ঢাকা ট্রিবিউনকে জানানো হয়েছে তারা বাংলাদেশে তাদের ফ্লাইটগুলো চলাচল আবারও শুরু করার পরিকল্পনা করছে

আপডেট : ২৪ জুন ২০২০, ০৫:২৯ পিএম

দেশের কোভিড-১৯ পরিস্থিতি দিনদিন খারাপের দিকে যাওয়ায় এই পরিস্থিতিতে বেশিরভাগ দেশের ফ্লাইটের বাংলাদেশে প্রবেশ স্থগিত করা হয়েছিলো। যদিও প্রায় তিনমাসের কাছাকাছি সময় এই স্থগিতাদেশ জারি থাকার পর সীমিত আকারে অভ্যন্তরীণ ও আন্তর্জাতিক রুটের নির্দিষ্ট কয়েকটি ফ্লাইট চালু করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশ।

কয়েকটি এয়ারলাইন্সের পক্ষ থেকে ঢাকা ট্রিবিউনকে জানানো হয়েছে তারা বাংলাদেশে তাদের ফ্লাইটগুলো চলাচল আবারও শুরু করার পরিকল্পনা করছে। 

বিমান

রাষ্টীয়ভাবে পরিচালিত বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স বর্তমানে সপ্তাহে একদিন অর্থাৎ, প্রতি রবিবার তাদের ঢাকা-লন্ডন-ঢাকা রুটের ফ্লাইটটি চালু করেছে। 

কাতার এয়ারওয়েজ

কাতার এয়ারওয়েজ কেবল ট্রানজিট নেওয়া যাত্রীদের জন্য তাদের দোহা-ঢাকা-দোহা রুটের ফ্লাইট চালু করেছে। এসব যাত্রীর গন্তব্য মূলত বাংলাদেশ নয়, অন্যকোথাও হয়ে থাকে। কাতার এয়ারওয়েজ তাদের এই ফ্লাইটটি বর্তমানে সপ্তাহে তিনদিন পরিচালনা করছে। 

এমিরেটস

এমিরেটস ২৪ জুন থেকে সপ্তাহে তিনদিন তাদের দুবাই-ঢাকা-দুবাই রুটের ফ্লাইট চালু করেছে।

টার্কিশ এয়ারলাইন্স

টার্কিশ এয়ারলাইন্স আগামী ২ জুলাই থেকে ইস্তানবুল-ঢাকা রুটের ফ্লাইটটি চালু করার কথা জানিয়েছে।

থাই এয়ারওয়েজ

আগামী ১ আগস্ট থেকে থাই এয়ারওয়েজ সপ্তাহে পাঁচটি ফ্লাইট চালু করার কথা ভাবছে।

অনুমতি মিলেছে যেসব এয়ারলাইন্সের

উল্লেখিত ফ্লাইটগুলা ছাড়াও, চায়না সাউদার্ন এয়ারলাইন্স, চায়না ইস্টার্ন এয়ারলাইন্স-সহ ইউএস-বাংলা, নভোএয়ার ও রিজেন্ট এয়ারওয়েজ আন্তর্জাতিক রুটে তাদের ফ্লাইট পরিচালনার অনুমতি পেয়েছে।

অনুমতির অপেক্ষায় যারা

এয়ার এরাবিয়া, ফ্লাইদুবাই, শ্রীলঙ্কান এয়ারলাইন্স, মালয়েশিয়া এয়ারলাইন্স ও মালিন্দো এয়ার এই মুহূর্তে সিভিল এভিয়েশন অথরিটি অব বাংলাদেশের (ক্যাব) পক্ষ থেকে ফ্লাইট পরিচালনার অনুমতি পাওয়ার অপেক্ষায় রয়েছে।  

যেসব দেশের ভ্রমণ-নিষেধাজ্ঞা বাংলাদেশ

ধীরেধীরে আন্তর্জাতিক রুটে বিমান চলাচল করতে শুরু হলেও, সম্প্রতি জাপান বাংলাদেশের ফ্লাইট চলাচলে নিষেধাজ্ঞা দেয়। একইসাথে, দক্ষিণ কোরিয়াতেও বাংলাদেশিদের প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা রয়েছে। বাংলাদেশ থেকে কোভিড-১৯ সংক্রমণের ঘটনা ঘটার পর থেকেই মূলত দেশ দু’টি থেকে এই সিদ্ধান্ত আসে। 

চারটার্ড ফ্লাইট

ক্যাব জানায়, কোভিড-১৯ মহামারির কারণে স্বাভাবিক সময়ের তুলনায় কম খরচে যে কেউ এখন চারটার্ড ফ্লাইটে করে ভ্রমণ করতে পারেন।

বাধ্যবাধকতা

বাংলাদেশি বা বিদেশি সকল যাত্রীকেই কোভিড-১৯ না থাকার একটি গ্রহণযোগ্য সার্টিফিকেট সঙ্গে রাখতে হবে। 

বাংলাদেশে প্রবেশের ক্ষেত্রে, করোনাভাইরাস আক্রান্ত না থাকলেও প্রবেশের ১৪দিন পর পর্যন্ত ব্যক্তিগত আইসোলেশনে থাকতে হবে।

একইসাথে, বাংলাদেশে প্রবেশের সময় কোভিড-১৯ এর কোনরকম লক্ষণ দেখা দিলে সেই যাত্রীকে অবশ্যই প্রাতিষ্ঠানিক কোয়ারেন্টাইনে ১৪দিন থাকতে হবে।

কোভিড-১৯ সার্টিফিকেট নিয়ে বিতর্ক

সম্প্রতি পররাষ্ট্রমন্ত্রী একে আবদুল মোমেন বলেছেন, কয়েকজন বাংলাদেশি নমুনা পরীক্ষার পর কোভিড-১৯ নেগেটিভ সার্টিফিকেট নিয়ে জাপান ও দক্ষিণ কোরিয়ায় যাওয়ার পর দেশগুলোতে পুনরায় পরীক্ষার পর তাদের কয়েকজনের শরীরে করোনাভাইরাস সংক্রমণ ধরা পড়ে। 

তিনি বলেন, “এখন আমাদের সতর্ক থাকতে হবে যেসব যাত্রী কোভিড-১৯ নেগেটিভ সার্টিফিকেট দেখাচ্ছেন সেগুলো কি স্বীকৃত কোনও প্রতিষ্ঠান থেকে পরীক্ষা করানো, নাকি টাকা দিয়ে ভুয়া সার্টিফিকেট বানিয়ে বিদেশ ভ্রমণে যাচ্ছেন।”

এসব ভুয়া সার্টিফিকেটের কারণে বাংলাদেশিদের বিদেশ ভ্রমণে নেতিবাচক প্রভাব পড়ার আশঙ্কাও প্রকাশ করেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী।

গত ১৫ জুন র‌্যাপিড একশন ব্যাটেলিয়ান (র‌্যাব) কোভিড-১ এর নকল সার্টিফিকেট বিক্রি করার অভিযোগে চারজনকে গ্রেফতার করে। র‌্যাব জানায়, এই চক্র বিদেশে চাকরিরত বাংলাদেশিদের কাছে ৫,০০০ থেকে ৭,০০০ টাকায় নকল সার্টিফিকেট বিক্রি করে। 

About

Popular Links