Saturday, May 18, 2024

সেকশন

English
Dhaka Tribune

শিক্ষার্থী নিহতের ঘটনায় অভিযুক্ত হচ্ছেন জাবালে নূরের মালিক, চালকসহ ৬ জন

এদের মধ্যে যে বাসটি চাপা দেয় সেটির চালক মাসুম বিল্লাহ, সহকারী এনায়েত হোসেন ও মালিক শাহাদাত হোসেন। আর বাকি তিনজন যে বাসটির সঙ্গে পাল্লা দেওয়া হয়েছিল, সেটির চালক, সহকারী ও মালিক।

আপডেট : ০৩ সেপ্টেম্বর ২০১৮, ০৫:০৯ পিএম

রাজধানীর বিমানবন্দর সড়কে বাসচাপায় শহীদ রমিজ উদ্দিন ক্যান্টনমেন্ট কলেজের দুই শিক্ষার্থী মিম ও রাজুর নিহতের ঘটনায় দায়ের করা মামলায় ছয়জনকে অভিযুক্ত করে চার্জশিট দিতে যাচ্ছে তদন্তকারী সংস্থা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)।

তদন্ত সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, এ সপ্তাহেই আদালতে চার্জশিট দাখিল করা হবে বলে। 

চার্জশিটে অভিযুক্ত হতে যাওয়া ছয়জন হলেন জাবালে নূর পরিবহনের দুটি বাসের চালক মাসুম বিল্লাহ ও জোবায়ের সুমন, দুই সহকারী এনায়েত হোসেন ও কাজী আসাদ এবং এ দুটি বাসের মালিক শাহাদাত হোসেন ও জাহাঙ্গীর আলম। 

এদের মধ্যে যে বাসটি চাপা দেয় সেটির চালক মাসুম বিল্লাহ, সহকারী এনায়েত হোসেন ও মালিক শাহাদাত হোসেন। আর বাকি তিনজন যে বাসটির সঙ্গে পাল্লা দেওয়া হয়েছিল, সেটির চালক, সহকারী ও মালিক। এই ছয় জনের মধ্যে গ্রেফতার হয়ে কারাগারে আছেন চারজন। দুইজন এখনও পলাতক। তারা হলেন সহকারী কাজী আসাদ ও মালিক জাহাঙ্গীর আলম।

গত ৩০ জুলাই মামলার তদন্ত প্রতিবেদন (চার্জশিট) দাখিলের জন্য ৫ সেপ্টেম্বর দিন ধার্য করে দেন আদালত।

ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ডিবি) আব্দুল বাতেন বলেন, ‘চলতি সপ্তাহে আদালতে চার্জশিট দাখিল করা হবে। আসামি করা হচ্ছে ছয়জনকে।’

এই ছয় আসামির অপরাধ সম্পর্কে মামলার তদন্ত সংশ্লিষ্টরা জানান, দুই চালকের হালকা যান (মাইক্রোবাস/মোটরসাইকেল) চালানোর লাইসেন্স ছিল, পেশাদার চালক হিসেবে বাস চালানোর লাইসেন্স তাদের ছিল না। পেশাদার চালক হিসেবে ভারী যান (বাস-ট্রাক) চালানোর লাইসেন্স নেই জেনেও দুই চালকে বাস চালাতে দেওয়ায় দুই মালিককের অভিযুক্ত করা হচ্ছে। আর পাল্লা দিয়ে দুই চালক বাস চালানোর সময় সহকারীরা বাধা না দেওয়ায় তাদের অভিযুক্ত করা হচ্ছে।

এরই মধ্যে মামলার তদন্ত শেষ হয়েছে। চার্জশিটে ঘটনার বিস্তারিত উঠে আসবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ডিবির উত্তরের ডিসি মশিউর রহমান।

উল্লেখ্য, ২৯ জুলাই দুপুরে জাবালে নূরের দুটি বাসের পাল্লাপাল্লিতে রমিজ উদ্দিন ক্যান্টনমেন্ট কলেজের দুই শিক্ষার্থী দিয়া খানম মিম ও আব্দুল করিম রাজু নিহত হন। আহত হন আরও ৮-১০ জন শিক্ষার্থী। 

এ ঘটনায় নিহত মিমের বাবা জাহাঙ্গীর ফকির ক্যান্টনমেন্ট থানায় মামলা দায়ের করেন। পরে মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি) মামলাটি তদন্তের দায়িত্ব পায়।

About

Popular Links