Monday, May 27, 2024

সেকশন

English
Dhaka Tribune

দ্বিতীয়বার পরীক্ষা করানোর সুযোগ পাবেন না করোনাভাইরাস শনাক্ত ব্যক্তি

আইইডিসিআর উপদেষ্টা ডা. মুশতাক হোসেন বলেন, উপসর্গ দেখা দিলে রোগী আইসোলেশনে থাকবেন বা প্রয়োজনে হাসপাতালে ভর্তি হবেন। এরপর সুস্থ হলে আর কোনো টেস্টের প্রয়োজন নেই

আপডেট : ২৯ জুন ২০২০, ০৯:৩০ পিএম

কোভিড-১৯ পজিটিভ ব্যক্তি চিকিৎসায় সুস্থ হওয়ার পর তার আর টেস্ট করার দরকার হবে না-এমন গাইডলাইন চূড়ান্ত করে স্বাস্থ্য বিভাগকে দিয়েছেন আইইডিসিআর এর গবেষকরা। 

নতুন এই গাইডলাইন শিগগিরই কার্যকর হবে বলে আশা করছেন তারা। এক বিশেষ প্রতিবেদনে এখবর জানিয়েছে ব্রিটিশ গণমাধ্যম বিবিসি।

প্রতিবেদনে আইইডিসিআর উপদেষ্টা ডা. মুশতাক হোসেনের বরাত দিয়ে বলা হয়, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার নির্দেশনায় বলা হয়েছে, যে ব্যক্তি পজিটিভ শনাক্ত হবে সে আইসোলেশনে থাকবে এবং জ্বর চলে গেলেও এবং তিনদিন প্যারাসিটামল না খাওয়ার পরও তার জ্বর না থাকলে, সে সুস্থ বলে গণ্য হবে।

তিনি বলেন, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা বলছে কোন ব্যক্তি পজিটিভ শনাক্ত হবার পর সুস্থ হয়ে উঠলে, তাকে নেগেটিভ হিসেবে গণ্য করার ক্ষেত্রে নমুনা সংগ্রহের তারিখ থেকে মোট তেরদিন পর্যন্ত হিসাবে গণ্য করা হবে। তবে বাংলাদেশের ক্ষেত্রে এই হিসাব হবে ১৪দিনের বলে নতুন গাইডলাইনে চূড়ান্ত করা হয়েছে।

ডা. মুশতাক হোসেন জানান, এর অর্থ পজিটিভ শনাক্ত রোগীর নমুনা সংগ্রহের তারিখ থেকে তাকে নেগেটিভ বলে পরিগণিত করা হবে ১৪ দিন পর।

তিনি আরও বলেন, "যেসব দেশের সক্ষমতা আছে তারা দু’টি টেস্ট করাতে পারে কিন্তু আমরা যে খসড়া তৈরি করেছি, তাতে ১৪ দিনের কথা বলা হয়েছে। এরপর সুস্থ হওয়া ব্যক্তিকে নেগেটিভ হিসেবে গণনা করা হবে।”

তবে কারও জ্বর যদি ১৪ বা ১৫ দিনের মাথায় সেরে যায় তাহলে তারপরের তিনদিন যদি প্যারাসিটামল ছাড়া জ্বর না আসে তাহলে তখন থেকে অর্থাৎ ১৭/১৮ দিন থেকে তিনি সুস্থ বলে গণ্য হবেন।

ওদিকে স্বাস্থ্য বিভাগের একটি সূত্রও এটি নিশ্চিত করেছে যে বাংলাদেশে এখন কোনো ব্যক্তি পজিটিভ হলে চিকিৎসা নেওয়ার পর দু’টি আরটি পিসিআর পরীক্ষায় যে নেগেটিভ ফল আসতে হতো, সেটি আগামীতে আর করা হবে না।

তবে বিষয়টি নিয়ে স্বাস্থ্য বিভাগ থেকে এখনো আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেওয়া হয়নি। যদিও ডা. মুশতাক হোসেন বলছেন দ্রুততম সময়ের মধ্যেই এটি ওয়েবসাইটে দেওয়া হবে বলে তিনি আশা করছেন।

তিনি বলেন, উপসর্গ দেখা দিলে রোগী আইসোলেশনে থাকবেন বা প্রয়োজনে হাসপাতালে ভর্তি হবেন। এরপর সুস্থ হওয়ার পর তার আর কোনো টেস্টের প্রয়োজন নেই।

About

Popular Links