Sunday, May 26, 2024

সেকশন

English
Dhaka Tribune

‘রিমান্ডে কখনও খ্যাপাটে, কখনওবা ঔদ্ধত্যপূর্ণ আচরণ করছেন সাহেদ’

বৃহস্পতিবার খুলনার র‌্যাব কার্যালয় থেকে সাতক্ষীরার সীমান্তবর্তী শাখরা-কোমরপুর এলাকায় নিয়ে যাওয়া হয়

আপডেট : ৩০ জুলাই ২০২০, ০৭:৪৫ পিএম

করোনাভাইরাস পরীক্ষায় জালিয়াতি ও রোগীদের সঙ্গে প্রতারণার দায়ে রিমান্ডে থাকা রিজেন্ট হাসপাতালের চেয়ারম্যান মো. সাহেদ ওরফে সাহেদ করিম কখনও কখনও খ্যাপাটে আচরণ করছেন। কখনওবা তিনি হয়ে উঠছেন উদ্ধত। রিমান্ডের চতুর্থ দিনে বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) এসব কথা জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট সূত্র।

এদিন মো. সাহেদকে খুলনার র‌্যাব কার্যালয় থেকে সাতক্ষীরার সীমান্তবর্তী শাখরা-কোমরপুর এলাকায় নিয়ে যাওয়া হয়। উল্লেখ্য, ওই এলাকা থেকেই তাকে গ্রেফতার করা হয়েছিল। বিকেলে তাকে লাবণ্যবতি নদীর ওপর নির্মিত বেইলি ব্রিজের ওপর মিনিট দশেক রাখা হয়। পরে তাকে আবারো খুলনায় র‌্যাব-৬ এর সদর দপ্তরে নিয়ে যাওয়া হয়।  

রিমান্ডে সাহেদ গ্রেফতার হওয়ার আগে সাতক্ষীরায় তার অবস্থান ও অস্ত্রসহ বিভিন্ন বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে তথ্য দিয়েছেন।

তদন্তের স্বার্থে সেসব প্রকাশ করা না হলেও দায়িত্বশীল সূত্রে জানা গেছে, সাহেদ করিম মাঝে মাঝে খুব ক্ষ্যাপাটে আচরণ করছেন। আবার কখনো কখনো ঔদ্ধত্যপূর্ণ আচরণ করছেন।

এ বিষয়ে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা র‌্যাব-৬ সাতক্ষীরা ক্যাম্পের উপ-পরিদর্শক (এসআই) রেজাউল ইসলাম জানান, “গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাওয়া গেছে, তবে অধিকতর তদন্তের স্বার্থে তা প্রকাশ করা সমীচীন হবে না।”

গত রবিবার রিজেন্ট হাসপাতালের চেয়ারম্যান মো. সাহেদ ওরফে সাহেদ করিমকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ১০ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন সাতক্ষীরার আমলী আদালত- ৩ এর বিচারক (ভার্চুয়াল) রাজীব রায়।  মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা খুলনা র‌্যাব-৬ এর সাতক্ষীরা ক্যাম্পের উপপরিদর্শক রেজাউল করিমের ১০ দিনের রিমান্ড আবেদন শুনানি শেষে এ আদেশ দেওয়া হয়। পরের দিন সোমবারই তাকে রাজধানী থেকে খুলনা র‌্যাব কার্যালয়ে নিয়ে যাওয়া হয়।

প্রসঙ্গত, গত ১৫ জুলাই বুধবার ভোরে সাতক্ষীরার দেবহাটা উপজেলার কোমরপুর সীমান্তের লাবন্যবতী নদীর উপর নির্মিত ব্রেইলী ব্রিজেরর নীচ থেকে সাহেদকে বোরকা পরিহিত অবস্থায় গ্রেফতার করে র‌্যাব। এ সময় তার কাছ থেকে একটি পিস্তল ও তিন রাউন্ড গুলি উদ্ধার করা হয়। এরপর তাকে হেলিকপ্টারে করে রাজধানীতে নিয়ে যাওয়া হয়। ওই দিন রাতে র‌্যাব-৬ এর সিপিসি-১ এর ডিএডি নজরুল ইসলাম বাদী হয়ে ১৯৭৮ সালের আর্মস অ্যাক্টের ১৯-এ উপধারা এবং ১৯৭৪ সালের বিশেষ ক্ষমতা আইনের ২৫ এর বি/এ ধারায় দেবহাটা থানায় একটি মামলা করেন। মামলায় সাহেদ করিমসহ তিনজনকে আসামি করা হয়।

আসাদুজ্জামান সরদার, সাতক্ষীরা

About

Popular Links