Saturday, May 18, 2024

সেকশন

English
Dhaka Tribune

গোপালগঞ্জে ৩০ গ্রামের ৩ হাজার পরিবার পানিবন্দি

ভেসে গেছে সহস্রাধিক পুকুরের মাছ। তলিয়ে গেছে আমন ধানের বীজতলা ও আউশ ধান

আপডেট : ০৭ আগস্ট ২০২০, ১১:০৫ এএম

বিপদসীমা ছুঁই ছুঁই করছে গোপালগঞ্জের মধুমতি বিলরুট চ্যানেলের পানি। মধুমতি নদীর পানি বিপদসীমার ৪০ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। চ্যানেলের পানি বৃদ্ধি অব্যাহত থাকায় সদর, মুকুসুদপুর, কাশিয়ানী ও কেটোলীপাড়া উপজেলার বিলবেষ্টিত নিম্নাঞ্চলের নতুন নতুন এলাকা প্লাবিত হয়েছে। 

শুক্রবার (৭ আগস্ট) পর্যন্ত জেলার ৩০টি গ্রামের অন্তত ৩ হাজার পরিবার পানিবন্দি হয়ে পড়েছে। রাস্তাঘাট ডুবে চলাচলে দুর্ভোগ দেখা দিয়েছে। ভেসে গেছে সহস্রাধিক পুকুরের মাছ। তলিয়ে গেছে আমন ধানের বীজতলা ও আউশ ধান। নষ্ট হয়েছে সবজি ক্ষেত। বাড়ি ছেড়ে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, ইউনিয়ন পরিষদ ও উঁচু সড়কে আশ্রয় নিয়েছে অন্তত ৭ শ’ বানভাসী পরিবার। তারা পরিবার পরিজন ও গবাদিপশু দিয়ে অবর্ণনীয় দুর্ভোগের মধ্যে দিন কাটাচ্ছেন।

এদিকে, ভাঙন শুরু হয়েছে মধুমতি নদী ও মধুমতি বিলরুট চ্যানেলের গোপালগঞ্জ সদর উপজেলার মানিকদহ, উরফি, ইছাখালি ও ধলইতলায়। করোনাভাইরাস সংক্রমণের মধ্যে গ্রাম প্লাবিত হওয়ার পাশাপাশি নদী ভাঙন শুরু হওয়ায় মানুষের দুর্ভোগ পৌঁছেছে চরমে।

গোপালগঞ্জ পানি উন্নয়ন বোর্ডের (পাউবো) নির্বাহী প্রকৌশলী বিশ্বজিৎ বৈদ্য বলেন, “মধুমতি বিলরুট চ্যানেলের পানি বিপদসীমা অতিক্রমের পর্যায়ে রয়েছে। মধুমতি নদীর পানি বিপদসীমার ৪০ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। এছাড়া ৪টি পয়েন্টে নদীভাঙন শুরু হয়েছে। আমরা ভাঙন প্রতিরোধে সেখানে বালুর বস্তা ফেলার উদ্যোগ নিয়েছি।”

গোপালগঞ্জের জেলা প্রশাসক শাহিদা সুলতানা জানিয়েছে, সার্বক্ষণিক জেলার বন্যা পরিস্থিতি মনিটরিং করা হচ্ছে। তিনি বানভাসীদের খোঁজ খবর নিচ্ছেন। তাদের মানবিক খাদ্য সহায়তা পৌছে দিচ্ছেন। মানুষের দুর্ভোগ লাঘবে তিনি উপজেলা নির্বাহী অফিসার এবং দুর্যোগ ও পুনর্বাসন কর্মকর্তাদের প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন। 

About

Popular Links