Monday, May 20, 2024

সেকশন

English
Dhaka Tribune

সিলেটে সন্দেহভাজন জঙ্গির বাসায় মিললো বোমা তৈরির সরঞ্জাম

অভিযান চালিয়ে বোমা তৈরির সরঞ্জাম ও কিছু কম্পিউটার উদ্ধার করে নিয়ে যায় পুলিশ

আপডেট : ১২ আগস্ট ২০২০, ০৪:৪৯ পিএম

সিলেটে শহরের জালালাবাদ আবাসিক এলাকায় আটক সন্দেহভাজন জঙ্গি সানাউল ইসলাম সাদির বাসা থেকে বোমা তৈরির সরঞ্জাম এবং তার ব্যবহৃত কম্পিউটার ও ল্যাপটপ জব্দ করেছে পুলিশের কাউন্টার টেরোরিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম (সিটিটিস) ইউনিট । 

মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) রাতে ৯টার দিকে জালালাবাদ এলাকায় সানাউলের নিজ বাসায় অভিযান চালানো হয়। 

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন সিলেট সিটি কর্পোরেশনের (সিসিক) ৭ নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিলর আফতাব হোসেন খান। তিনি বলেন, জালালাবাদ আবাসিক এলাকার মুক্তিযোদ্ধা মইনুল আহমদের বাসায় অভিযান চালিয়ে বোমা তৈরির সরঞ্জাম ও কিছু কম্পিউটার উদ্ধার করে নিয়ে যায় পুলিশ। উদ্ধারকৃত কম্পিউটারে বোমা তৈরির বেশ কিছু ভিডিও ছিলো। অভিযানকালে তিনি উপস্থিত ছিলেন।

সিলেট মহানগর পুলিশ অতিরিক্ত উপকমিশনার (মিডিয়া অ্যান্ড কমিউনিটি সার্ভিস) জ্যোতির্ময় সরকার জানান, সিটিটিসি’র অভিযান নিয়ে তাদের বলার কিছু নেই। এ বিষয়ে আজ ঢাকায় সিটিটিসি’র পক্ষ থেকে ঢাকায় ব্রিফিং করা হতে পারে বলে জানান তিনি। 

এদিকে, সিলেটে গত দুইদিনের অভিযানে গ্রেফতার হওয়া পাঁচ জঙ্গির মধ্যে নাইম ও সায়েমকে নিয়ে মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) রাত সাড়ে নয়টায় নগরীর টিলাগড়ের শাপলাবাগ আবাসিক এলাকার “শাহ ভিলা” নামের বাসায়ও অভিযান চালানো হয়। অভিযানে কয়েকটি কম্পিউটার উদ্ধার করা হয়। এ সময় সিলেট সিটি কর্পোরেশনের ২০ নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর আজাদুর রহমান সেখানে উপস্থিত ছিলেন। 

শাহ ভিলার মালিক শাহ মো. শামদ আলী সংবাদ মাধ্যমকে জানান, সিলেট নগরীর টিলাগড়ের শাপলাবাগে “কম্পিউটার প্রশিক্ষণ সেন্টার” খোলার কথা বলে তার কাছ থেকে বাসা ভাড়া নিয়েছিলো “নব্য জেএমবির সদস্যরা”। দুই মাস আগে নাইম ও সায়েম তার কাছে এসে বাসা ভাড়া নেওয়ার ব্যাপারে আলাপ করে। ওই সময় তারা এক মাসের ভাড়া অগ্রিম দিয়ে দেয়। এসময় নাইম ও সায়েম বলেন, “আমরা এখানে একটি কম্পিউটার প্রশিক্ষণ সেন্টার করতে চাই। চুক্তিপত্র তৈরি করে কয়েকদিন পরে আসবো। তারপর আমরা বাসায় উঠবো।” কিন্তু মাসখানেক তারা আর যোগযোগ করেননি। হঠাৎ গত মাসের ২ তারিখে তারা এসে আরও একমাসের ভাড়া দিয়ে যায়।

এর আগে নব্য জেএমবির সিলেট সেক্টর কমান্ডারসহ পাঁচজনকে আটক করে সিটিটিস ইউনিট। তাদের ভাষ্য, হযরত শাহজালাল (রহ.) মাজারে হামলা চালানোর পরিকল্পনা ছিল তাদের। আটকৃতরা হলেন নাইমুজ্জামান, মির্জা সায়েম, জুয়েল, সানাউল ইসলাম সাদি ও রুবেল।

পুলিশের দাবি, নাইমুজ্জামান নব্য জেএমবির সিলেট আঞ্চলিক কমান্ডার। তিনি শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র। একই বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী সাদি আর সায়েম লেখাপড়া করে মদনমোহন কলেজে। বাকি দুজনের বিষয়ে খোঁজ খবর চলছে। আটককৃতরা জুলাইয়ের শেষের দিকে পল্টনে বোমা বিস্ফোরণের সাথে সম্পৃক্ত বলে সিটিটিসির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে। 

About

Popular Links