Monday, May 20, 2024

সেকশন

English
Dhaka Tribune

মহেশখালীতে ওসি প্রদীপের বিরুদ্ধে মামলার আবেদন খারিজ

কথিত বন্দুকযুদ্ধে নিহত আবদুস সাত্তারের স্ত্রীর আবেদনটি আমলে নিতে অপারগতা জানিয়ে আদালত বলেছেন, বিষয়টি নিয়ে উচ্চ আদালতে দায়ের করা রিট রয়েছে

আপডেট : ১৩ আগস্ট ২০২০, ০৩:৫৪ পিএম

কক্সবাজারের মহেশখালীতে কথিত বন্দুকযুদ্ধে আবদুস সাত্তার নিহতের ঘটনায় থানার তৎকালীন ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) প্রদীপ কুমার দাশসহ ২৯ জনের বিরুদ্ধে দায়েরকৃত মামলার আবেদনটি খারিজ করে দিয়েছেন আদালত। 

একই সঙ্গে ওই ঘটনায় তিন বছর আগে পুলিশের পক্ষে অজ্ঞাতনামা আসামি দেখিয়ে দায়েরকৃত মামলাটি তদন্তের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে সিআইডিকে। 

বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) দুপুরে মহেশখালীর সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারক আব্বাস উদ্দীন এ আদেশ দেন। 

বাদী পক্ষে আইনজীবী শহিদুল ইসলাম জানান, কথিত বন্দুকযুদ্ধে আবদুস সাত্তার হত্যার ঘটনায় ওসি প্রদীপ ও পুলিশের পাঁচ সদস্যসহ ২৯ জনের বিরুদ্ধে মামলা করেন স্ত্রী হামিদা আক্তার (৪০)। বুধবার মামলাটির শুনানি হয়। 

কথিত বন্দুকযুদ্ধে নিহত আবদুস সাত্তারের স্ত্রীর আবেদনটি আমলে নিতে অপারগতা জানিয়ে আদালত বলেছেন, বিষয়টি নিয়ে উচ্চ আদালতে দায়ের করা রিট রয়েছে।

আইনজীবী জানান, চাঞ্চল্যকর হত্যা মামলাটি এএসপি মর্যাদার নীচে নয় এমন একজন সিআইডি কর্মকর্তাকে তদন্তের দায়িত্বে নির্দেশ দেন বিচারক।

হামিদা আক্তারের দায়েরকৃত ফৌজদারি দরখাস্তে ফেরদৌস বাহিনীর প্রধান ফেরদৌস, থানার তৎকালীন ওসি প্রদীপ কুমার দাশ, এসআই হারুনুর রশীদ, এসআই ইমাম হোসেন, এএসআই মনিরুল ইসলাম, এএসআই শাহেদুল ইসলাম ও এএসআই আজিম উদ্দিনকে অভিযুক্ত করেন।

ভিকটিম আবদুস সাত্তার হোয়ানক পূর্ব মাঝেরপাড়ার মৃত মৃত নুরুচ্ছফার পুত্র।

হামিদা আক্তার জানান, গত ২০১৭ সালের ১৪ ফেব্রুয়ারি সকাল ৭টার দিকে ফেরদৌস বাহিনীর সহায়তায় হোয়ানকের লম্বাশিয়া এলাকায় তার স্বামী আবদুস সাত্তারকে হত্যা করা হয়।

এ ঘটনায় থানায় মামলা নেয়নি। অবশেষে উচ্চ আদালতের শরণাপন্ন হন। রিট পিটিশন নং-৭৭৯৩/১৭ মূলে “ট্রিট ফর এফআইআর” হিসেবে গণ্য করতে আদেশ দেন বিচারক। সেই আদেশের আলোকে তিনি একই বছরের ১৭ জুলাই কক্সবাজারের পুলিশ সুপারকে লিখিত আবেদন করেন। কিন্তু পুলিশ আবেদন আমলে নেয়নি বলে জানান হামিদা আক্তার।

About

Popular Links